ঢাকা, সোমবার, ১৪ জুন ২০২১, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮ আপডেট : ১৪ মিনিট আগে

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০২:১০

প্রিন্ট

বুড়িগঙ্গায় লঞ্চডুবি: মালিকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

বুড়িগঙ্গায় লঞ্চডুবি: মালিকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

নিজস্ব প্রতিবেদক

বুড়িগঙ্গা নদীতে মোটর লঞ্চ মর্নিং বার্ড ডুবিতে প্রাণহানির মামলায় ময়ূর-২ লঞ্চের মালিক মোসাদ্দেক হামিদ ছোয়াদসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার ঢাকার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদরঘাট নৌ-থানার এসআই শাহিদুল আলম।

চার্জশিটভুক্ত অন্য আসামিরা হলেন- লঞ্চের মাস্টার আবুল বাশার মোল্লা, সহকারী মাস্টার জাকির হোসেন, চালক শিপন হাওলাদার, সিপাই শাকিল হোসেন, সুকানি নাসির মৃধা, গ্রিজার হৃদয় হাওলাদার, সুপারভাইজার আব্দুস সালাম, সেলিম হোসেন হিরা, আবু সাঈদ ও দেলোয়ার হোসেন সরকার।

২০২০ সালের ২৯ জুন সকাল ৯টার দিকে মুন্সিগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা ‘মর্নিং বার্ড’ লঞ্চটি ঢাকার সদরঘাট কাঠপট্টি ঘাটে ভেড়ানোর আগমুহূর্তে সেটিকে ধাক্কা দেয় চাঁদপুরগামী লঞ্চ ময়ূর-২। সঙ্গে সঙ্গে ‘মর্নিং বার্ড’ ডুবে যায়। লঞ্চডুবির ওই ঘটনায় শেষ পর্যন্ত ৩৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনার পর সদরঘাটের একটি সিসি ক্যামেরার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটিতে দেখা যায়, পেছনে চলতে থাকা ময়ূর-২ লঞ্চের ধাক্কায় ছোট আকারের মর্নিং বার্ড লঞ্চটি মুহূর্তের মধ্যে বুড়িগঙ্গায় ডুবে যায়।

দুর্ঘটনার পর ‘অবহেলাজনিত মৃত্যু’ ঘটানোর অভিযোগ এনে ময়ূর-২ লঞ্চের মালিক, মাস্টারসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে ওইদিনই মামলা করেন নৌ-পুলিশ সদরঘাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ শামসুল। তদন্তে নেমে পুলিশ মোসাদ্দেক হামিদ ছোয়াদসহ আট জনকে গ্রেপ্তার করে।

এ মামলার এজাহারে দায়িত্বে অবহেলা ও বেপরোয়াভাবে মর্নিং বার্ড লঞ্চটিকে ডুবিয়ে দিয়ে প্রাণহানির জন্য ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ২৮০, ৩০৪ (ক), ৩৩৭ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ- বুড়িগঙ্গায় লঞ্চডুবি

ডুবে যাওয়া লঞ্চযাত্রীর ভয়াবহ বর্ণনা

বুড়িগঙ্গায় লঞ্চডুবি: ময়ূর-২ লঞ্চের মাস্টার গ্রেপ্তার

বুড়িগঙ্গায় লঞ্চডুবির ১২ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার

বুড়িগঙ্গায় লঞ্চডুবি: প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

বাংলাদেশ জার্নাল/আর

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত