ঢাকা, রোববার, ১৬ মে ২০২১, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮ আপডেট : ৩১ মিনিট আগে

প্রকাশ : ১৯ এপ্রিল ২০২১, ১৫:০৯

প্রিন্ট

ঈদের আগে লকডাউন শিথিল হবে

ঈদের আগে লকডাউন শিথিল হবে
ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

ঈদের আগে লকডাউন শিথিল করা হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, মানুষের জীবন-জীবিকা এবং ঈদে ঘরমুখী মানুষের যাতায়াতের সুবিধার জন্য এ চিন্তা চলছে।

সোমবার সরকারি বাসভবন থেকে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে কালে তিনি তথ্য জানান।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এখন লকডাউন চলছে। বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে এই লকডাউন আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর বিষয়ে সরকার সক্রিয় চিন্তা করছে। ঈদের আগে অবশ্যই লকডাউন শিথিল করা হবে জীবন ও জীবিকার জন্য। ঈদ কেনাকাটার জন্য এবং ঘরমুখী মানুষের যাতায়াতের জন্য শিথিল করা হতে পারে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার এভাবে চিন্তাভাবনা করছে। বিষয়ে সবাইকে মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।’

তিনি বলেন, ‘আমাদেরকে ধৈর্য্য ধরতে হবে। করোনার এমন পরিস্থিতিতে আমাদের জীবনই এখন হুমকির মুখোমুখি। অনেকে জীবিকার কঠিন লড়াইয়ের মধ্যে পড়েছে। বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষ। আমরা জানি তারা কষ্ট পাচ্ছে। আমি যতদূর জানি প্রধানমন্ত্রী পরিবহন শ্রমিকসহ যারা বেকার আছেন তাদের আর্থিকভাবে সহযোগিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং ভাসমান মানুষদের মধ্যেও ত্রাণ বিতরণের করেছেন। জেলা প্রশাসকরা বিষয়টি দেখছেন।’

সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এখন একটা লকডাউন পরিস্থিতিতে আছি। করোনার দ্বিতীয় তরঙ্গ আঘাত হেনেছে। সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার বাড়ছে। ইউরোপের বিভিন্ন দেশে তৃতীয় তরঙ্গ শুরু হয়েছে। আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতে দ্বিতীয় তরঙ্গ ভয়াবহভাবে আঘাত হেনেছে। আমাদের এখানে ফাস্ট ওয়েবে সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার বলতে গেলে একেবারেই কম ছিল। কিন্তু এবার আমরা মৃত্যুর হারে তিন ডিজিটে চলে আসছি। এটা ভয়ঙ্কর একটা চিত্র। টেস্ট যত বেশি হচ্ছে সংক্রমণ ততই বাড়ছে। এ ভেরিয়ানটা অত্যন্ত ভয়ঙ্কর। এর সংক্রমণ গতিও বেশি সংক্রমণও দ্রুত ছড়ায়। ’

তিনি বলেন, ‘একহাজার বেডের একটি হাসপাতাল গতকাল উদ্বোধন করা হয়েছে। আমার মনে হয় এটা আশার সঞ্চার করছে। করোনা পেশেন্টদের চিকিৎসার জন্য আজকে যে হাহাকার এর অবসান হবে। এ হাসপাতালে আইসিইউ এবং অক্সিজেন সুবিধা সম্বলিত অনেকগুলো বেড থাকবে। আমরা চিকিৎসা সেবার দিক থেকে যথেষ্ট এগিয়ে আছি।’

কাদের বলেন, ‘মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজিং এবং ডিস্টেনসিং- এই এ তিনটা বিষয় বজায় রাখতে পারলে আমরা সবচেয়ে বেশি সুবিধাজনক অবস্থানে থাকবো। মাস্ক পড়লেই বেশিরভাগ সমাধান রয়েছে। এটা জেনেও এখনও অবহেলা এখনও শহরের রাস্তায় বের হলে বেশিরভাগ মাস্ক পড়ে না। ঢাকা শহরে লকডাউনের মধ্যে মাস্ক পরার প্রবণতা কিছুটা বাড়লেও ততটা বাড়েনি। অনেকে মাস্ক পড়লেও তা থুতনির কাছে রেখে দেয় এতে কোনও কাজ হয় না। থুতনির কাছে লোক দেখানো মাস্ক পরা আর পুলিশ দেখলে থুতনি থেকে উপরে তুলে দেওয়া এতে তো সমাধান কিছু হবে না। ’

আরো পড়ুন:

করোনা রাজনৈতিক দল চেনে না: কাদের

লকডাউন বাড়লো আরো ৭ দিন

বাংলাদেশ জার্নাল/এনএইচ

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত