ঢাকা, শুক্রবার, ১৪ মে ২০২১, ৩১ বৈশাখ ১৪২৮ আপডেট : ৩ মিনিট আগে

প্রকাশ : ২৩ এপ্রিল ২০২১, ০১:৫৫

প্রিন্ট

লকডাউনে চট্টগ্রামে কমেছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার

লকডাউনে চট্টগ্রামে কমেছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার
ছবি- সংগৃহীত

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

লকডাউনে চট্টগ্রামে কিছুটা হলেও কমেছে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ও মৃত্যুর হার। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে তিনজন করোনা আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু হয়েছে। কয়েকদিন আগে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল পাঁচ, আট ও সাতে। এছাড়া নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ২৭৮ জন। আগেরদিন একই সংখ্যা থাকলেও নমুনা পরীক্ষার হারে দেখা যায়, আক্রান্ত কমছে গত কয়েদিন ধরে। চট্টগ্রামে এখন পর্যন্ত মোট শনাক্তের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৪৮ হাজার ১৩৯ জনে। আর মোট ৪৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৭৬৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে শনাক্ত হওয়া ২৭৮ জনের মধ্যে ২২৩ জন নগরের ও ৫৫ জন উপজেলার বাসিন্দা। এ পর্যন্ত ৩৮ হাজার ৬৪৭ জন নগরের ও ৯ হাজার ৪৯২ জন উপজেলা পর্যায়ের বাসিন্দার করোনা শনাক্ত হয়েছে। এখন পর্যন্ত করোনায় মারা যাওয়া ৪৮০ জনের মধ্যে ৩৫৮ জন নগরের ও ১২২ জন উপজেলার বাসিন্দা।

বুধবার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৪৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৩২ জনের ও ফৌজদারহাটের বিআইটিআইডিতে ৫৯৮ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৬২ জনের দেহে করোনা ধরা পড়েছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে ২৭১ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১২ জনের ও সিভাসুতে ২৬৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৫১ জনের করোনা পাওয়া গেছে। ইমপেরিয়াল হাসপাতালে ১৩৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৪১ জনের ও শেভরণে ২৫৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৪২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। আগ্রাবাদের মা ও শিশু হাসপাতালে ৫৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১৭ জনের ও আরটিআরএলে ৪১ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২১ জনের করোনা ধরা পড়েছে।

এদিকে, করোনাভাইরাস সংক্রমণের দ্বিতীয় ধাপ মোকাবিলায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) পক্ষ থেকে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। করোনা আক্রান্ত নগরবাসীর সহযোগিতায় এখন থেকে প্রতিটি থানায় গড়ে তোলা হচ্ছে অক্সিজেন ব্যাংক।

এ বিষয়ে সিএমপির মুখপাত্র অতিরিক্ত উপ-কমিশনার শাহ মোহাম্মদ আব্দুর রউফ বলেন, করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় সিএমপির প্রতিটি থানায় অক্সিজেন ব্যাংক করার নির্দেশ দিয়েছেন সিএমপি কমিশনার। এখান থেকে অক্সিজেন বিনামূল্যে পাওয়া যাবে এবং থানার মাধ্যমে পুনঃ রিফিল করানো যাবে। বুধবার নগরীর ১৬ থানায় আপাতত তিনটি করে অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে অক্সিজেন ব্যাংকের অনুষ্ঠানিকভাবে পথচলা শুরু হয়েছে। চাহিদা অনুযায়ী ভবিষ্যতে আরও অক্সিজেন সিলিন্ডার রাখা হবে। আমাদের সেন্ট্রাল অক্সিজেন ব্যাংকে অক্সিজেন সিলিন্ডার কিছু জমা রয়েছে।

আব্দুর রউফ বলেন, করোনা আক্রান্ত হয়ে অনেকে হোম আইসোলেশনে রয়েছেন। এতে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে অক্সিজেন সরবরাহ কমে যায়। যথা সময়ে অক্সিজেনের সরবরাহ না থাকায় আক্রান্ত ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করছে। অনেকের হঠাৎ করে অক্সিজেনের প্রয়োজন পড়ে। হাসপাতালে যেতে প্রায় কয়েক ঘণ্টা প্রয়োজন পড়ে। সে সময় থানা থেকে অক্সিজেন সংগ্রহ করে হাসপাতালে যেতে পারবে। অক্সিজেন-সংকটে ভুগতে থাকা যেকোনো ব্যক্তির জরুরি প্রয়োজনে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে নগরের যেকোনো থানা থেকে অক্সিজেন সরবরাহ করতে পারবে।

বাংলাদেশ জার্নাল/আর

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত