ঢাকা, বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬ অাপডেট : ১ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১২ জানুয়ারি ২০১৯, ১৮:২২

প্রিন্ট

অবৈধ হ্যান্ডসেট চিহ্নিত করবে বিটিআরসি

অবৈধ হ্যান্ডসেট চিহ্নিত করবে বিটিআরসি
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশে মোবাইল হ্যান্ডসেটের ব্যবসাটা বেশ রমরমা। তবে অবৈধ বা নকল মোবাইল সরকারের দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে। এসব ফোনের খবর জানতে কোনো সরকারি পরিসংখ্যান হয়নি। অবশ্য ব্যবসায়ীদের হিসাবে প্রায় ৩ কোটি অবৈধ হ্যান্ডসেট মানুষের হাতে রয়েছে। বাজারে থাকা মোবাইলগুলোর প্রতি তিনটির একটিই নকল বা অবৈধ বলে দাবি ব্যবসায়ীদের। এবার এসব অবৈধ বা নকল মোবাইল হ্যান্ডসেট চিহ্নিত করার উদ্যোগ নিয়েছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। সরকারের চোখ ফাঁকি দিয়ে মোবাইল সেট আমদানি, চুরি, স্বাস্থ্য ঝুঁকি ও নকল হ্যান্ডসেট ঠেকাতে ও রাজস্ব ক্ষতি আটকাতে এ পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত হচ্ছে সংস্থাটি।

বিটিআরসি জানায়, প্রক্রিয়ার শুরুতে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হবে। তখন অবৈধ হ্যান্ডসেটে প্রাথমিকভাবে নির্দিষ্ট একটি সিম ছাড়া অন্য কোনো সিম কাজ করবে না। আর নির্দিষ্ট সময় পরে কোনো সিমই কাজ করবে না। এমনটা হলে বাধ্য হয়েই নকল বা অবৈধ হ্যান্ডসেট ব্যবহার বন্ধ করবে। মোবাইল ফোন অপারেটরদের জন্য তৈরিকৃত ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্টার (ইআইআর) এর খসড়া নির্দেশনায় এসব উল্লেখ করা হয়েছে।

এই প্রক্রিয়ায় গ্রাহকের হাতে থাকা অবৈধ হ্যান্ডসেটের একটি ডেটাবেইস তৈরি করা হবে। এর জন্যে অপারেটররা তাদের লাইসেন্স নীতিমালা অনুযায়ী সব মোবাইল হ্যান্ডসেটের ইএমআই নম্বর দিয়ে এই ডেটাবেইজ বানাবে। ইএমইআই নম্বর ১৫ ডিজিটের একটি স্বতন্ত্র সংখ্যা, যা বৈধ মোবাইল ফোনে থাকে। একটি মোবাইল ফোনের কি-প্যাডে *#০৬# পরপর চাপলে ওই মোবাইল ফোনের ইএমইআই নম্বরটি পর্দায় ভেসে উঠে। ক্রমেই সব ইআইআর (এনইআইআর) এ সংযুক্ত হবে। এর ফলে সব অপারেটরদের ইআইআর খুব সহজেই নজরদারি করতে পারবে বিটিআরসি।

বাংলাদেশে বৈধভাবে যেসব মোবাইল আমদানি করা হয় কিংবা তৈরি করা হয় তার ডেটাবেজ প্রস্তুতে গত মে মাসে একটি পদ্ধতির অনুমোদন দিয়েছে বিটিআরসি। চলতি মাসেই এ পদ্ধতি শুরু হতে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে বিটিআরসি থেকে বলা হয়, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি খাত সম্মিলিতভাবে এ প্রকল্পে কাজ করবে।

আরএ

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত
close
close