ঢাকা, শুক্রবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৯, ১৩ বৈশাখ ১৪২৬ অাপডেট : কিছুক্ষণ আগে English

প্রকাশ : ১৫ এপ্রিল ২০১৯, ২২:০৬

প্রিন্ট

২০ মিনিটের ঝড়ে পাঁচ শতাধিক বাড়িঘর বিধ্বস্ত

২০ মিনিটের ঝড়ে পাঁচ শতাধিক বাড়িঘর বিধ্বস্ত
সিলেট প্রতিনিধি

সিলেটের ওসমানীনগর ও বালাগঞ্জ উপজেলায় মাত্র ২০ মিনিটের কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ে এ দুই উপজেলায় বিভিন্ন এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অসংখ্য কাঁচা ঘরবাড়ি। উপড়ে গেছে গাছপালা ও বৈদ্যুতিক খুঁটি। বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় বিদ্যুৎ লাইন।

সোমবার সকাল ৮টার দিকে হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড়ে উপজেলার প্রায় ৫ শতাধিক বাড়িঘর, অসংখ্য গাছ পালা ও বোরো ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কৃষকরা আটকা পড়েন ধান ক্ষেতে। ঝড়ের তাণ্ডবে বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পড়ে, বিভিন্ন লাইনে গাছ ভেঙে ঝুলে থাকতে দেখা যায়।

ওসমানীনগর উপজেলা সূত্রে জানা গেছে, ৮ইউনিয়নের ৫৭টি গ্রাম ও ২৮ কিলোমিটার এলাকা ঝড়ের তাণ্ডবে আক্রান্ত হয়েছে। ঝড়ে বিধ্বস্ত হয়েছে ১৭৮টি ঘরবাড়ি এবং ৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এছাড়া ১টি মসজিদ ও ১টি ইউনিয়ন পরিষদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ওসমানীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আনিছুর রহমান বলেন, ঝড়ে অনেক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির খবর পেয়ে আমরা তালিকা তৈরী করেছি। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা উর্ধ্বতন মহলে পাঠানো হয়েছে।সরকার ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে আছে।

এদিকে সিলেট-১ পল্লি বিদ্যুৎ কাশিকাপন জোনাল অফিসের ডিজিএম ফাইজুল্লা জানান, পল্লী বিদ্যুতের ১৬টি খুঁটি ভেঙে গেছে। গাছপালা পড়ে বিদ্যুতের লাইন ছিড়ে গেছে। ৯টি ফিডারের মধ্যে ৬নং ফিডার চালু করা হয়েছে। বাকিগুলো চালু করতে অবিরাম চেষ্টা চলছে।

বুরুঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এমজি রাসুল খালেক বলেন, ঝড়ের কারণে আমার ইউনিয়নের শতাধিক ঘরবাড়ির ক্ষতি হয়েছে। আমার ইউনিয়ন ভবনের টিনের চালও উড়ে গেছে।

উমরপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া বলেন, আমার ইউনিয়নের ২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের টিনের চাল উড়ে গেছে।

বালাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজমুস সাকিব বলেন, ১৬০টি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৬৬টি ঘর। তাৎক্ষণিক ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে সহযোগিতা করা হয়েছে।

বাংলাদেশ জার্নাল/আরকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত
close
close