ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২০, ২৯ শ্রাবণ ১৪২৭ আপডেট : ৩৭ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৭:৫৪

প্রিন্ট

ওয়ালটন ফ্রিজে ২০০% ক্যাশ ভাউচারে ঘরভর্তি পণ্য

ওয়ালটন ফ্রিজে ২০০% ক্যাশ ভাউচারে ঘরভর্তি পণ্য
জার্নাল ডেস্ক

ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-৫ এর আওতায় সারাদেশে চলছে ওয়ালটন ফ্রিজের উইন্টার ফেস্টিভ্যাল। ক্যাম্পেইনে ওয়ালটন রেফ্রিজারেটর কিনে ২০০ শতাংশ ক্যাশ ভাউচার ফ্রি পাচ্ছেন অসংখ্য ক্রেতা। তাদের মধ্যে সম্প্রতি ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে ক্যাশ ভাউচার পেয়েছেন চট্টগ্রামের তিনজন।

তারা হচ্ছেন, কাপাসগোলার আকতার বেগম, জিইসি’র রিন্টু শর্মা এবং কর্নেল হাট বিশ্ব ব্যাংক কলোনির মো. ওয়াদুদ মিয়া। ওই ক্যাশ ভাউচার দিয়ে টিভি, ওয়াশিং মেশিন, মোবাইল ফোন, ফ্যানসহ ঘরভর্তি অসংখ্য ওয়ালটন পণ্য কিনেছেন তারা। তাদের হাতে ক্যাশ ভাউচার তুলে দিয়েছেন অভিনেতা সজল।

উল্লেখ্য, অনলাইনে গ্রাহকদের দ্রুত ও সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবা দিতে ডিজিটাল ডাটাবেইজ তৈরি করছে ওয়ালটন। এর মাধ্যমে ক্রেতার নাম, ফোন নম্বর এবং ক্রয়কৃত পণ্যের মডেল নম্বরসহ বিস্তারিত তথ্য ওয়ালটনের সার্ভারে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। ফলে ওয়ারেন্টি কার্ড হারিয়ে গেলেও গ্রাহক দেশের যেকোনো ওয়ালটন সার্ভিস সেন্টার থেকে সহজেই কাঙ্ক্ষিত সেবা নিতে পারছেন। এ কার্যক্রমে ক্রেতাদের উদ্বুদ্ধ করতে ডিজিটাল ক্যাম্পেইন চালাচ্ছে ওয়ালটন। এর আওতায় ফ্রিজের ক্রেতাদের জন্য রয়েছে ২০০ শতাংশ ক্যাশ ভাউচারসহ নিশ্চিত ক্যাশব্যাকের সুযোগ।

চট্টগ্রামের তিন ভাগ্যবান ক্রেতার কাছে ২০০ শতাংশ ক্যাশ ভাউচার হস্তান্তর উপলক্ষ্যে সম্প্রতি ওয়ালটন প্লাজা’র লালখান বাজার, চকবাজার ও সিটিগেইট শাখা যৌথভাবে বন্দর নগরীর আগ্রাবাদে কর্ণফুলি শিশু পার্কে এক জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। ওয়ালটনের পক্ষে দেশের জনপ্রিয় নাট্য ও চলচ্চিত্র অভিনেতা আব্দুন নূর সজল ক্যাশ ভাউচার তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে সজল বলেন, আমরা যারা দেশকে ভালোবাসি, তারা দেশীয় পণ্যকেও ভালোবাসবো। আর সেই দেশীয় পণ্য যদি উচ্চ গুণগতমানের হয়, তবে কেন বিদেশি পণ্য কিনবো? তাই বাংলাদেশি হিসেবে আমাদের প্রত্যেকেরই দেশীয় প্রতিষ্ঠান ওয়ালটনের পণ্য ব্যবহার করা উচিত।

তিনি আরো বলেন, একটা পণ্য শুধু ভালো মানের হলেই চলবে না, সেই পণ্যটি সহজে ক্রেতাদের হাতে পৌঁছে দেয়ার পাশাপাশি দ্রুত বিক্রয়োত্তর সেবা দেয়ার বিষয়টিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে ওয়ালটন সেরা। সারা দেশে ওয়ালটনের রয়েছে ১৭ হাজারের বেশি আউটলেট ও ৭২টি সার্ভিস সেন্টার। তাদের পণ্যের মান যেমন উন্নত, তেমনি দামও সকলের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে। আছে সহজ কিস্তির সুবিধা। এছাড়া পণ্য ক্রয়ে ক্যাশ ভাউচার, ক্যাশব্যাক, ফ্রি পণ্য’র মতো নানান সুবিধা দিচ্ছে ওয়ালটন। ফলে দেশের বেশিরভাগ ক্রেতার পছন্দ এখন ওয়ালটন।

জানা গেছে, বন্দরনগরীর চকবাজারে ওয়ালটন প্লাজা’র পরিবেশক ‘এন এস ইলেকট্রনিক্স’ থেকে সম্প্রতি ৩৬৫ লিটারের একটি রেফ্রিজারেটর কেনেন গৃহিনী আকতার বেগম। এরপর ডিজিটাল ক্যাম্পেইনে রেজিস্ট্রেশন করলে তার মোবাইল ফোনে ওয়ালটনের কাছ থেকে একটি মেসেজ আসে। দেখেন- ২০০ শতাংশ ক্যাশ ভাউচার হিসেবে তিনি ৮০,৭৮০ টাকা ফ্রি পেয়েছেন। ওই টাকায় তিনি ওয়ালটনের একটি ১.০৯ মিটার বা ৪৩ ইঞ্চি স্মার্ট টিভি, ডিপ ফ্রিজ, ওয়াশিং মেশিন ও ব্লেন্ডার কিনেছেন।

এদিকে, ওয়ালটন প্লাজা লালখান বাজার শাখা থেকে ফ্রিজ কিনে ২০০ শতাংশ ক্যাশ ভাউচার পেয়েছেন জিইসি এলাকার বাসিন্দা রিন্টু শর্মা। ডিজিটাল পেমেন্টের মাধ্যমে নগদ ১০ শতাংশ ছাড়ে ওয়ালটনের সর্বাধুনিক মডেলের সাইড বাই সাইড ডোরের একটি নন-ফ্রস্ট রেফ্রিজারেটর কিনে এই ক্যাশ ভাউচার পান তিনি। ওই টাকায় ওয়ালটনের আরেকটি ফ্রিজ, ৪৯-ইঞ্চি এলইডি টিভি, স্মার্টফোন, গ্যাস স্টোভ, সিলিং ফ্যান, রাইসকুকার, প্রেসার কুকার, বেøন্ডারসহ বিভিন্ন ধরনের হোম অ্যাপ্লায়েন্সেস কিনেছেন তিনি।

এর আগে ওয়ালটন প্লাজা সিটিগেইট শাখা থেকে ফ্রিজ কিনে ২০০ শতাংশ ক্যাশ ভাউচার ফ্রি পেয়েছেন কর্নেল হাট বিশ্ব কলোনির বায়তুল আসরা দাখিল মাদ্রাসার সহকারি শিক্ষক মো. ওয়াদুদ মিয়া। সেই ক্যাশ ভাউচারের টাকায় তিনি কিনেছেন ওয়ালটনের ৩২ ইঞ্চি এলইডি টিভি, সিলিং ও রিচার্জেবল ফ্যান, ওয়াটার ফিল্টার, স্ট্যাবিলাইজার ও এলইডি বাল্ব।

ওয়ালটন সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে দেড় শতাধিক মডেল ও ডিজাইনের ফস্ট, নন-ফ্রস্ট রেফ্রিজারেটর এবং ফ্রিজার বা ডিপ ফ্রিজ পাওয়া যাচ্ছে। এসব ফ্রিজের দাম ১০ হাজার থেকে ৬৯,৯০০ টাকার মধ্যে। নগদ মূল্যের পাশাপাশি কিস্তিতেও ওয়ালটন পণ্য কেনার সুযোগ রয়েছে। এছাড়া ঘরে বসে অনলাইনে ইপ্লাজা.ওয়ালটনবিডি.কম থেকে ফ্রিজসহ সব ধরনের ওয়ালটন পণ্য কেনা যাচ্ছে। কিস্তি এবং অনলাইনে কেনা ফ্রিজেও রয়েছে ২০০% ক্যাশ ভাউচারসহ নিশ্চিত ক্যাশব্যাক পাওয়ার সুযোগ।

ফ্রিজে এক বছরের রিপ্লেসমেন্ট সুবিধার পাশাপাশি কম্প্রেসরে ১২ বছরের গ্যারান্টি দিচ্ছে ওয়ালটন। দ্রæত ও সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবা দিতে সারা দেশে রয়েছে ৭২টি সার্ভিস পয়েন্ট। উৎপাদনের পর বাংলাদেশ এক্রিডিয়েশন বোর্ড (বিএবি) অনুমোদিত আন্তর্জাতিক মান যাচাইকারী সংস্থা নাসদাত-ইউটিএইচ ইউনিভার্সাল টেস্টিং ল্যাব থেকে মান নিশ্চিত হয়ে প্রতিটি ওয়ালটন ফ্রিজ বাজারে ছাড়া হয়।

উল্লেখ্য, এনার্জি এফিশিয়েন্সি রেটিংয়ে ওয়ালটন রেফ্রিজারেটরে রয়েছে বিএসটিআই এর ফাইভ স্টার রেটিং। ফ্রিজ উৎপাদন ও রপ্তানিতে ওয়ালটন অর্জন করেছে আইএসও, ওএইচএসএএস, ইএমসি, সিবি, আরওএইচএস, এসএএসও, ইএসএমএ, ইসিএইচএ, জি-মার্ক, ই-মার্ক ইত্যাদি সার্টিফিকেট। এরই প্রেক্ষিতে দেশের গন্ডী পেরিয়ে ৩৫টিরও বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওয়ালটন ফ্রিজ।

বাংলাদেশ জার্নাল/আরকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত