ঢাকা, সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৮ আশ্বিন ১৪২৬ আপডেট : ২৭ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ০৭ জানুয়ারি ২০১৯, ১৫:০১

প্রিন্ট

বিশ্ব অর্থনীতি বদলে দিতে পারে যে আবিষ্কারগুলো

বিশ্ব অর্থনীতি বদলে দিতে পারে যে আবিষ্কারগুলো
জার্নাল ডেস্ক

নব্বই দশকের শুরুতে ইন্টারনেটের আবিষ্কার র্বিশ্ব অর্থনীতি ও মানুষের চিন্তা-ভাবনাকে বিশাল ভাবে প্রভাবিত করে। জেফ ডেসযার্ডিন্স তার নতুন একটি বইয়ে চলমান বিশ্বের বিভিন্ন পরিবর্তনের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করেছেন। তার মতে, যে কোনো জায়গা থেকে আসতে পারে বড় ধরণের পরিবর্তনের সুযোগ। আগামীকালের ধারণার পরিবর্তন আজই কোথাও না কোথাও শুরু হয়েছে।

প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর উত্থান

বহু দশক ধরে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো বৃহৎ পরিসরে বাণিজ্যিকভাবে পণ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে পণ্য তৈরি করে ব্যবসা পরিচালনা করেছে। ফোর্ড, জেনারেল ইলেকট্রনিক্স এবং এক্সন এর পরে এসেছে টেলিযোগাযোগ সেবাদানকারী সংস্থা ও খুচরা বিক্রেতা সংস্থাগুলো। বর্তমানে সবচেয়ে মূল্যবান হিসেবে বিবেচনা করা হয় স্টক মার্কেটকে। এছাড়া ২০১৮ সালে শীর্ষে ছিল অ্যাপল, গুগল, মাইক্রোসফট, অ্যামাজন আর টেনসেন্ট।

চীনের ধারাবাহিক উন্নতি

চীনের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে প্রযুক্তিগত উন্নয়নের গতিবৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হয়। চীনের কিছু শহরের অর্থনৈতিক উৎপাদন বিশ্বের অনেক দেশকেও ছাড়িয়ে গেছে। অনুমান করা হয়, পৃথিবীর বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে ২০৩০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে যাবে চীন।

মেগাসিটির আবির্ভাব

আগামি কয়েক দশকে পৃথিবীর শহরগুলোতে বাড়তে থাকা জনসংখ্যার কারণেও বৈশ্বিক অর্থনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন হবে। আফ্রিকা মহাদেশে নিউ ইয়র্কের চেয়ে বড় অন্তত ১৩টি মেগাসিটি থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রযুক্তিগত পরিবর্তন

ডেসযার্ডিন্স মনে করেন, কোনো একটি প্রযুক্তিগত আবিষ্কারের পর সেটি মানুষের কাছে সহজলভ্য হওয়ার ব্যবধান কয়েক মাসে নেমে আসবে।

বাণিজ্যে প্রতিবন্ধকতা

এ বছর ওয়াশিংটন বিবিধ চীনা পণ্যে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করে চীনের সাথে একরকম বাণিজ্য যুদ্ধ শুরু করার ইঙ্গিত দেয়। ডেসযার্ডিন্সের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, বিশ্ব আবারো মুক্তবাজার বাণিজ্যের দিকেও অগ্রসর হতে পারে, আবার নতুন ধরণের বাণিজ্য নীতি তৈরিতেও কাজ করতে পারে।

সুবজ বিপ্লব

প্রযুক্তিগত উন্নতির পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎস যেমন বেড়েছে, তেমনি এর উৎপাদন খরচও দিনদিন কমেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে পৃথিবীর সবচেয়ে বৃহৎ জ্বালানির উৎস হবে সৌরশক্তি।

আরএ/

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত