ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ আপডেট : ৬ মিনিট আগে
শিরোনাম

হল সংসদের জিএসকে লাঞ্ছিতের অভিযোগ আম্মারের বিরুদ্ধে

  জার্নাল ডেস্ক

প্রকাশ : ১৮ জুন ২০২৬, ১১:৫৩

হল সংসদের জিএসকে লাঞ্ছিতের অভিযোগ আম্মারের বিরুদ্ধে
ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচ প্রদর্শনকে কেন্দ্র করে নবাব আব্দুল লতিফ হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) নুরুল ইসলাম শহিদকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারের বিরুদ্ধে।

বুধবার (১৭ জুন) রাত ১০টার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ অভিযোগ করেন নুরুল ইসলাম শহিদ।

ফেসবুক পোস্টে শহিদ দাবি করেন, আর্জেন্টিনা ও আলজেরিয়ার মধ্যকার বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচ উপলক্ষে তিনি ও তার হলের কয়েকজন শিক্ষার্থী হবিবুর রহমান হল মাঠে খেলা দেখতে যান। খেলার প্রায় ৩০-৩১ মিনিটের সময় রাকসুর ভিপি মুস্তাকুর রহমান জাহিদ এবং হবিবুর রহমান হল সংসদের জিএস আশিক শিকদার তাকে তাদের পাশে বসে খেলা দেখার জন্য ডাকেন। পরে তিনি এলইডি স্ক্রিনের পাশে সুতা দিয়ে ঘেরা নির্ধারিত স্থানে গিয়ে ভিপির পাশে বসেন।

তিনি আরও বলেন, খেলা দেখার প্রায় এক মিনিট পর রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার ও সহ-ক্রীড়া সম্পাদক আবু সাঈদ সামি সেখানে আসেন। এ সময় ভিপি একটি গণমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিতে স্থান ত্যাগ করলে আম্মার তাকে ওই স্থান থেকে সরে যেতে বলেন। কারণ জানতে চাইলে আম্মার তার গেঞ্জির কলার ধরে টানাটানি করেন এবং সেখানে কেউ থাকতে পারবে না বলে জানান। একপর্যায়ে তাকে জোরপূর্বক দড়ির ভেতরের স্থান থেকে বের করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

পোস্টে শহিদ আরও উল্লেখ করেন, এ ঘটনার পর কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে ভিপি ঘটনাস্থলে ফিরে আসেন। তখন তিনি ভবিষ্যতে রাকসুর কোনো কার্যক্রমে অংশগ্রহণে অনাগ্রহের কথা জানান। পরে ভিপি তাকে অন্যত্র নিয়ে যান।

জানতে চাইলে প্রত্যক্ষদর্শী রাকসুর সহকারী ক্রীড়া সম্পাদক আবু সাঈদ নূন বলেন, আমি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলাম, তবে মূলত কী ঘটেছিল তা আমি জানি না। কারণ আমি স্ক্রিনের পাশে বক্সের একদম সামনে অবস্থান করছিলাম। সেখানে কী কথা হয়েছে বা কোনো গালাগালির ঘটনা ঘটেছে কি না, তা আমি স্পষ্টভাবে শুনতে পারিনি। তখন আমার মনে হয়েছিল, হয়তো সামান্য কোনো ঝামেলা হয়েছে। পরে কিছুক্ষণ আগে আমি তার (নুরুল ইসলাম শহীদ) পোস্টটি দেখতে পাই।

তবে মারধরের অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার। তিনি বলেন, ‘রাকসুর আয়োজনে খেলা দেখানো হয়েছে সেখানে সবাই সমান। শৃঙ্খলার ব্যাপারে গত বারের থেকে শিক্ষা নিয়ে চেষ্টা করেছি কোনো ঝামেলা ছাড়াই আয়োজন সুন্দর করার। আমাদের বোনেরা স্ক্রিনের বাম পাশে বসেছিলো। এখানে সামনে কেউ দাড়ালে আমাদের বোনেরা দেখতে পারতেছিলোনা। দায়িত্বের জন্য আমি এখানে ভিতরে এক কোনায় দাড়িয়ে ছিলাম আর কাউকে এখানে আসতে দিচ্ছিলাম না।’

তিনি আরও বলেন, ‘হঠাৎ সে (শহিদ) আসায় পেছনের বোনদের খেলা দেখতে সমস্যা হচ্ছিল। আমি তাকে স্ক্রিনের ডানপাশে ভিপির সঙ্গে গিয়ে বসতে বলি। কিন্তু সে সেখান থেকে বের হয়ে গালি দিতে দিতে চলে যায়। আমি দায়িত্ব নিয়ে বলছি, তার গায়ে আমি একটুও স্পর্শ করিনি বা টি-শার্টে হাত দিইনি। সে যে পরিমাণ বাজে ভাষা ব্যবহার করেছে, বড় কোনো ঝামেলা এড়াতে আমি টুঁ শব্দটিও করিনি। তার উগ্র আচরণের কথা ক্যাম্পাসের সবাই জানে।’

বাংলাদেশ জার্নাল/জে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত