ঢাকা, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ আপডেট : ৪ মিনিট আগে
শিরোনাম

কবিতা আমার কাছে অনেকটাই ‘হ্যাসেল ফ্রি’: সোয়েব আল হাসান

  শাহরিয়ার ইসলাম পল্লব

প্রকাশ : ২৪ জুন ২০২৬, ১৬:৩৮  
আপডেট :
 ২৪ জুন ২০২৬, ১৭:১৬

কবিতা আমার কাছে অনেকটাই ‘হ্যাসেল ফ্রি’: সোয়েব আল হাসান

তরুণ ও জনপ্রিয় লেখক সোয়েব আল হাসান। প্রেম, বিষাদ, সম্পর্ক ও মানবমনের জটিল অনুভূতিকে সহজ-সরল ভাষায় তুলে ধরে তিনি পাঠকমহলে ব্যাপক পরিচিতি অর্জন করেছেন। এক কাপ অভিমানী চা, বকুলবাহা, পোড়াচ্ছে খুব পোড়ামাটির চোখ, মেঘ মানবী, বুকের ভেতর বিষাদপুর, জলপালঙ্কসহ তার বেশ কয়েকটি গ্রন্থ পাঠকের ভালোবাসা পেয়েছে। লেখালেখির শুরু, সাহিত্যচর্চার বর্তমান অবস্থা, নতুন বই এবং ব্যক্তিগত ভাবনা নিয়ে বাংলাদেশ জার্নালের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন শাহরিয়ার ইসলাম পল্লব।

বাংলাদেশ জার্নাল: লেখক এর পাশাপাশি বর্তমানে চাকরি জীবন নিয়ে দরুণ ব্যস্ত। এই ব্যস্ততার মাঝেও কি লেখালেখির সময় পাচ্ছেন?

সোয়েব আল হাসান: লেখালিখিটা এমন কোনো বিষয় নয় যে সব সময় আয়োজন করে বসতে হবে। তবে উপন্যাস লেখার ক্ষেত্রে অবশ্যই কিছুটা প্রস্তুতি ও পরিকল্পনার প্রয়োজন হয়। আমার ক্ষেত্রে লেখাটা সব সময় আমার সঙ্গে থাকে। চলতে-ফিরতে কোনো বিষয় মাথায় এলে আমি সঙ্গে সঙ্গে তা লিখে রাখি। বিশেষ করে কবিতার ক্ষেত্রে এমনটাই হয়।

লেখক সোয়েব আল হাসান

বাংলাদেশ জার্নাল: বর্তমানে কি নিয়ে ব্যস্ত? উপন্যাস, গল্প না কবিতা...

সোয়েব আল হাসান: বর্তমানে আমি উপন্যাস লিখছি না। নতুন একটি বই নিয়ে কাজ করছি। কিছুদিন আগে আমি হজ পালন করার সৌভাগ্য অর্জন করেছি। হজ থেকে ফিরে সেই ভ্রমণ, অভিজ্ঞতা ও অনুভূতিগুলো নিয়ে একটি বই লিখছি। একটা বিষয় আমাকে খুব আনন্দ দেয় আমি হয়তো বাবা-মাকে হজে নিয়ে যেতে পেরেছি। জেদ্দা, আরব সাগর ও লোহিত সাগর দেখাতে পেরেছি। এসব ঘিরে অনেক স্মৃতি ও গল্প রয়েছে। সেসব অভিজ্ঞতা নিয়েই নতুন বইটির কাজ চলছে।

বাংলাদেশ জার্নাল: বইটি কোন প্রকাশনী থেকে প্রকাশ করতে চাচ্ছেন?

সোয়েব আল হাসান: বইটি এমন একটি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রকাশ করতে চাই, যারা ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক বিষয়ক বই প্রকাশে অভিজ্ঞ। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী বইমেলায় বইটি প্রকাশের ইচ্ছা রয়েছে।

বাংলাদেশ জার্নাল: আপনার লেখক হয়ে ওঠার গল্পটা কেমন ছিল? কিভাবে শুরু হয়েছিল?

সোয়েব আল হাসান: ক্লাস সেভেনে দেয়াল পত্রিকার জন্য লেখার মাধ্যমে শুরু। তার আগে আমি যখন দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ি, তখন থেকেই আবৃত্তির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। এ নিয়ে অনেক পুরস্কারও পেয়েছি। গান ছাড়া সাংস্কৃতিক প্রায় সব ক্ষেত্রেই অংশগ্রহণ করেছি। নাটক করেছি, মঞ্চনাটক পরিচালনা করেছি। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে বিতর্কও করতাম এবং সেখানেও বেশ কিছু পুরস্কার অর্জন করেছি। ছোটবেলা থেকেই কল্পনাশক্তির ব্যবহার আমাকে আকৃষ্ট করত। একদিন লিখতে লিখতে ‘মুসাফির’ নামে ১০২ লাইনের একটি কবিতা লিখে ফেলি। সেটিই ছিল আমার প্রথম কবিতা। কেউ যেন না ভাবে আমি কোথাও থেকে নকল করেছি, সে জন্য সপ্তাহে ৮-১০টি কবিতা লিখে মাকে দেখাতাম। মা আমাকে সব সময় উৎসাহ দিতেন। মূলত তাঁর উৎসাহ থেকেই আমার কবিতা লেখার শুরু। তখন কখনো ভাবিনি যে এসব লেখা একদিন বই আকারে প্রকাশিত হবে।

পাঠকদের হাতে বই তুলে দিচ্ছেন লেখক সোয়েব আল হাসান

বাংলাদেশ জার্নাল: ২০২৫ সালে আপনার শেষ বই বকুলবাহা বের হয়েছিল ? ২০২৬ এ পাঠকরা আপনার থেকে কোনো বই পায়নি।

সোয়েব আল হাসান: ২০২৬ সালের বইমেলা নিয়ে অনেক অনিশ্চয়তা ছিল। তখন রমজান, নির্বাচন ও অন্যান্য পরিস্থিতি মিলিয়ে একটি ভিন্ন বাস্তবতা তৈরি হয়েছিল। আমার ‘মরে যাওয়া মেঘফুল’ নামে একটি পাণ্ডুলিপি প্রকাশকের কাছে জমা দেওয়া ছিল। বই প্রকাশের সব প্রস্তুতিও সম্পন্ন হয়েছিল। তবে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে আমি নিজেই বইটি প্রকাশ না করার সিদ্ধান্ত নিই। প্রকাশক আমাকে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও আমি তখন প্রকাশে সম্মতি দিইনি।

বাংলাদেশ জার্নাল: আপনার লেখার ভেতর প্রেম -বিরহ ভাবটা দারুণভাবে ফুটে ওঠে। এমন কোন ঘটনা আছে যেখান থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে এ জনরার লেখায় জোর দিয়েছেন ?

সোয়েব আল হাসান: না, কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা ঘটনা আমার লেখার একমাত্র অনুপ্রেরণা নয়। আমরা যারা লেখালিখি করি, তাদের লেখার পেছনে অনেক অনুসঙ্গ কাজ করে। প্রেম, ভালোবাসা, বিরহ এসব তারই অংশ। তবে প্রেম বলতে আমি শুধু প্রেমিক-প্রেমিকার সম্পর্ককে বুঝি না। স্রষ্টার প্রতি ভালোবাসা, মানুষের প্রতি মানুষের ভালোবাসা, প্রকৃতির প্রতি মমত্ব এসবও প্রেমেরই রূপ। বিরহও জীবনের নানা অভিজ্ঞতা থেকে আসতে পারে। জীবনের নানা ঘাত-প্রতিঘাত, সংগ্রাম, পারিপার্শ্বিক বাস্তবতা, প্রকৃতি এবং নিজের সঙ্গে নিজের সাক্ষাৎ এসব থেকেই আমার লেখার উপাদান আসে।

বাংলাদেশ জার্নাল: এ পর্যন্ত মোট কয়টি বই বের হয়েছে?

সোয়েব আল হাসান: এ পর্যন্ত আমার মোট ৬টি বই প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে ৩টি কাব্যগ্রন্থ, ৩টি উপন্যাস এবং সাথে ২টি ই-বুক রয়েছে।

বাংলাদেশ জার্নাল: আপনার প্রথম বই প্রকাশের গল্পটা শুনতে চাই?

সোয়েব আল হাসান: আমার প্রথম বই ‘এক কাপ অভিমানী চা’ প্রকাশিত হয় ২০২১ সালে, করোনা মহামারির সময়।

একটি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের একজন আপুর সঙ্গে আমার পরিচয় হয়। তিনিই প্রথম বই প্রকাশের পরামর্শ দেন। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো, কোনো ধরনের বিনিয়োগ ছাড়াই বইটি প্রকাশিত হয়। প্রথম মুদ্রণে ৫০০ কপি বই প্রকাশিত হয়েছিল। তখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমার বেশ ভালো অনুসারী ছিল। যদিও পরে বুঝেছি, অনলাইনের ৫০০ অনুসারী বাস্তবে ১০ জন পাঠকের সমানও নাও হতে পারে। তারপরও মহান আল্লাহর রহমতে বইটির ৫০০ কপিই বিক্রি হয়ে যায়। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। আমি বিশ্বাস করি, আল্লাহ কাউকে সম্মানিত করলে পৃথিবীর কেউ তাকে অসম্মানিত করতে পারে না।

বাংলাদেশ জার্নাল: অনেকটা পথ পাড়ি দিয়েছেন ? লেখকীয়তার জীবন থেকে কর্পোরেটে আসলেন নাকি কর্পোরেট থেকে লেখকীয়তার জীবন।

সোয়েব আল হাসান: প্রথমত, আমি লেখক জীবন থেকে কর্পোরেট জীবনে আসিনি। বরং চাকরিজীবনের মধ্যেই লেখালিখি নতুনভাবে আমার জীবনে জায়গা করে নিয়েছে। ২০১৪ সালে চাকরিজীবনে প্রবেশ করি। ২০১০ সালে ফেসবুক ব্যবহার শুরু করি এবং ২০১৪ সালে একটি পেজ খুলি। দীর্ঘ সময় কেউই জানত না যে আমি কবিতা লিখি। ২০১৫-১৬ সালের দিকে মা দিবস উপলক্ষে একটি লেখার জন্য প্রথম আলো থেকে পুরস্কার পাই। সেই অর্জনই আমাকে নতুনভাবে আত্মবিশ্বাসী করে তোলে। এরপর বিভিন্ন পত্রিকায় লেখা পাঠাতে শুরু করি। ধীরে ধীরে লেখালিখির জগতে আমার পথচলা শুরু হয়।

বাংলাদেশ জার্নাল: আপনাকে যদি পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হতো আপনি কি করতেন?

সোয়েব আল হাসান: আমাকে যদি পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়, তাহলে আমি সারাদিন বই পড়তাম, লিখতাম, চা খেতাম, বৃষ্টি দেখতাম এবং সুযোগ পেলেই দূর-দূরান্তে ঘুরতে যেতাম। মূলত পড়া, লেখা ও ভ্রমণ নিয়েই সময় কাটাতে চাইতাম।

বাংলাদেশ জার্নাল: একজন ভালো লেখক হতে হলে কোন বিষয়গুলো বেশি জরুরী ?

সোয়েব আল হাসান: বেশি বেশি পড়তে হবে। যত বেশি পড়বেন, তত বেশি জানবেন। শুধু বই নয়, মানুষকেও পড়তে জানতে হবে। পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা বাড়াতে হবে।

বাংলাদেশ জার্নাল: কবিতা ও উপন্যাস দুই ধারাতেই লিখেছেন? কোন ধারাতে নিজেকে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ মনে করেন ?

সোয়েব আল হাসান: উপন্যাস লেখা কিছুটা কষ্টসাধ্য। কারণ এর জন্য পরিকল্পনা, সময় ও আয়োজনের প্রয়োজন হয়। তবে একটি উপন্যাস শেষ করার পর যে তৃপ্তি পাওয়া যায়, তা অসাধারণ। অন্যদিকে কবিতা আমার কাছে অনেকটাই ‘হ্যাসেল ফ্রি’। অনুভূতি এলে সহজেই লিখে ফেলা যায়। তবে কবিতা ও উপন্যাস দুটির আনন্দই ভিন্ন।

সোয়েব আল হাসান এর একটি কবিতা

বাংলাদেশ জার্নাল: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম লেখকদের জন্য সুযোগ বাড়িয়েছে না চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে ?

সোয়েব আল হাসান: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম লেখকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তবে এর যেমন ভালো দিক রয়েছে, তেমনি অপব্যবহারও আছে। অনেকেই শুধুমাত্র প্রচারণার জন্য বাহ্যিক চাকচিক্য তৈরি করেন। অর্থাৎ ‘উপরে ফিটফাট, ভেতরে সদরঘাট’ ধরনের বিষয়ও দেখা যায়। একজন পাঠক বইয়ের প্রচ্ছদ দেখে আকৃষ্ট হলেও ভেতরের লেখা ভালো না হলে হতাশ হন। তার মনে লেখক ও তার লেখার প্রতি খারাপ ধারনা জন্মায়। তবে ইতিবাচক দিক হলো, একজন লেখক খুব সহজেই নিজের লেখা পাঠকের কাছে পৌঁছে দিতে পারেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষও সেই লেখা পড়ার সুযোগ পান। তবে লেখাটি অবশ্যই অর্থবহ ও মানসম্পন্ন হতে হবে, নইলে পাঠক তা গ্রহণ করবেন না।

বাংলাদেশ জার্নাল: বর্তমান বাস্তবতায় লেখালিখি করে কি জীবন চালানো সম্ভব?

সোয়েব আল হাসান: বর্তমান বাস্তবতায় শুধু লেখালিখি করে জীবন চালানো খুবই কঠিন। পরিবার নিয়ে স্বচ্ছন্দে বেঁচে থাকতে হলে চাকরি বা অন্য কোনো আয়ের উৎস প্রয়োজন। তাই লেখালিখির পাশাপাশি পেশাগত জীবনও গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশ জার্নাল: আপনার প্রিয় লেখক কে?

সোয়েব আল হাসান: অনেক লেখকই আমাকে অনুপ্রাণিত করেছেন। তবে যাঁদের লেখা পড়ে আমার লেখালিখির হাতেখড়ি তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ইমদাদুল হক মিলন, হুমায়ূন আহমেদ, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, আহমদ ছফা এবং ফ্রানৎস কাফকা। এছাড়াও আরও অনেক লেখকের লেখায় আমি প্রভাবিত হয়েছি।

বাংলাদেশ জার্নাল: সাহিত্য পুরস্কার কি একজন লেখকের সঠিক মানদন্ড ?

সোয়েব আল হাসান: না, সাহিত্য পুরস্কার কোনো লেখকের সঠিক মানদণ্ড হতে পারে না। আমি নিজে এমন অনেক উদাহরণ দেখেছি, যেখানে মাত্র দুই-একটি বই প্রকাশ করেই কেউ বড় পুরস্কার বা স্বর্ণপদক পেয়েছেন। কিন্তু পুরস্কার পাওয়া মানেই একজন লেখক মহান এমনটা নয়। দিনশেষে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, একজন লেখকের লেখা সময়ের পরীক্ষায় টিকে থাকে কি না। পাঠকের হৃদয়ে স্থান করে নিতে পারে কি না। প্রকৃত মূল্যায়ন সেখানেই।

বাংলাদেশ জার্নাল: এআই কি লেখালিখি তে ভূমিকা রাখছে বা এআই এর লেখা কি পাঠকসমাজে গ্রহণযোগ্য?

সোয়েব আল হাসান: এআইকে আমি মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠের মতো দেখি। এটি একটি শক্তিশালী টুল। আপনি চাইলে এআই দিয়ে কবিতা লিখিয়ে নিতে পারেন, গল্পও লিখিয়ে নিতে পারেন। কিন্তু একজন সচেতন পাঠক সহজেই বুঝতে পারবেন কোন লেখা মানুষের হৃদয় থেকে এসেছে আর কোনটি কৃত্রিমভাবে তৈরি। এআই তথ্য সংগ্রহ ও গবেষণার ক্ষেত্রে খুবই কার্যকর। আপনি কোনো বিষয় না জানলে এআই আপনাকে দ্রুত তথ্য খুঁজে পেতে সাহায্য করবে। তবে সৃজনশীলতার জায়গায় মানুষের অনুভূতি, অভিজ্ঞতা ও কল্পনার বিকল্প এখনো তৈরি হয়নি।

বাংলাদেশ জার্নাল: নব্য লেখকদের জন্য আপনার পরামর্শ কি থাকবে ?

সোয়েব আল হাসান: বেশি পড়তে হবে, তাড়াহুড়ো করা যাবে না। জীবনে যদি একটি বইও লেখেন, চেষ্টা করুন সেটি যেন সত্যিকার অর্থে বইয়ের মতো হয় যে বইয়ের জন্য মানুষ আপনাকে মনে রাখবে। যত পড়বেন, তত জানবেন। জ্ঞান বৃদ্ধি পাবে। যে জিনিস রাতারাতি আসে, তা আবার রাতারাতিই হারিয়ে যায়। কিন্তু ধীরে ধীরে অর্জিত সাফল্যই দীর্ঘস্থায়ী হয়।

বাংলাদেশ জার্নাল/এসআইপি

  • সর্বশেষ
  • পঠিত