জাইমা রহমানের ছবি দিয়ে বিজ্ঞাপন, আইনজীবী শফিক নজরুল রিমান্ডে
জার্নাল ডেস্ক
প্রকাশ : ২৩ জুন ২০২৬, ২০:৪৭

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমানের ছবি ব্যবহার করে বার কাউন্সিল পরীক্ষায় পাসের বিজ্ঞাপন দেওয়ার অভিযোগে সাইবার নিরাপত্তা ও প্রতারণার মামলায় অ্যাডভোকেট শফিক নজরুলকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করবে পুলিশ।
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালত মঙ্গলবার তার চার দিনের রিমান্ড আদেশ দিয়েছে।
আদালতে শফিক নজরুলের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার এসআই আব্দুল্লাহ আল মামুন। কয়েকজন আইনজীবী শফিক নজরুলকে নির্দোষ দাবি করে রিমান্ড বাতিলের আবেদন করেন। শুনানি নিয়ে বিচারক চার দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রফিকুল ইসলাম এ তথ্য দিয়েছেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, শফিক নজরুল ফেইসবুকে পেইজ খুলে বার কাউন্সিল পরীক্ষায় পাসের বিজ্ঞাপন প্রচার করতেন। পাস করিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে অর্থ দাবি করতেন। খুরশীদ আলম নামে এক পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে ৮ লাখ টাকা দাবি করে পরে ধাপে ধাপে ৪ লাখ ৫ হাজার টাকা নেন। পরে ১২ জুনের বার কাউন্সিল পরীক্ষায় সেই ব্যক্তি অকৃতকার্য হলে প্রতারণার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।
এরপর শেরেবাংলা নগর থানায় খুরশীদ আলম মামলা করলে সোমবার শফিক নজরুলকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তার রিমান্ড আবেদনের শুনানিতে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, বার কাউন্সিল পরীক্ষা ও সরকারকে বিতর্কিত করার উদ্দেশ্যে আসামি দীর্ঘদিন ধরে চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রতারণা করে আসছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর কন্যা জাইমা রহমান ও অ্যাটর্নি জেনারেলের মেয়ের ছবি ব্যবহার করে ফেইসবুকে চমকপ্রদ বিজ্ঞাপন দেন। তাকে রিমান্ডে নিলে চক্রের অন্য সদস্য ও অর্থ লেনদেনের বিস্তারিত তথ্য উদঘাটন সম্ভব হবে।
কয়েকজন আইনজীবী শফিক নজরুলকে নির্দোষ দাবি করে রিমান্ড বাতিলের আবেদন করেন। এক আইনজীবী বলেন, তিনি শুধু পরীক্ষার আগে সাজেশন দিয়েছেন। কোনো ধরনের অর্থ লেনদেন বা প্রতারণার সঙ্গে তিনি জড়িত নন।
শুনানিতে আদালতের অনুমতি নিয়ে আসামি শফিক নজরুল নিজেকে ‘ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়’ বলে দাবি করেন।
সব অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে তিনি বলেন, কোথায় কার কাছ থেকে টাকা নিয়েছি প্রশ্ন বাবদ, এটা কোথাও প্রমাণ নেই। কেউ প্রমাণ করতে পারবে না। আমি সাজেশন দিয়েছি পরীক্ষার আগে, ১০০টা প্রশ্নে ১০০টাই কমন পড়েছে। আমি একজন এক্সপার্ট। আমি কি সাজেশন দিতে পারব না? এটা মিথ্যে মামলা। আমাকে অর্থ মামলায় গ্রেপ্তার করেছে কাল (সোমবার)। তারপর বেঁধে রেখেছে। পুলিশের কি এই ক্ষমতা আছে?
বাংলাদেশ জার্নাল/সিএম










