ঢাকা, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯, ২৯ কার্তিক ১৪২৬ আপডেট : ৪ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ০৭ নভেম্বর ২০১৯, ১৭:১২

প্রিন্ট

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার

সেরা পরিচালক বদরুল আনাম সৌদ ও মানিক

সেরা পরিচালক বদরুল আনাম সৌদ ও মানিক
বিনোদন প্রতিবেদক

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের একমাত্র রাষ্ট্রীয় ও সর্বোচ্চ চলচ্চিত্র পুরস্কার হচ্ছে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। ১৯৭৫ সাল থেকে রাষ্ট্রীয়ভাবে এই পুরস্কারটি প্রদান করা হচ্ছে।

সব অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের ৪২তম আসর পুরস্কারের ঘোষণা করা হলো। তথ্য মন্ত্রণালয় ২০১৭ ও ২০১৮ সালের পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করেছে আজ ৭ নভেম্বর। জানা গেল বিগত দুই বছরে চলচ্চিত্রে বিভিন্ন বিভাগে সেরাদের নাম।

দুই বছরের সেরা পরিচালক হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জিতেছেন বদরুল আনাম সৌদ এবং মোস্তাফিজুর রহমান মানিক।

২০১৭ সালে মুক্তি পাওয়া ‘গহীন বালুচর’ ছবির জন্য সেরা নির্মাতা হিসেবে স্বীকৃতি পাচ্ছেন বদরুল আনাম সৌদ। প্রথম সিনেমাতেই নির্মাণের মুন্সিয়ানায় অর্জন করে নিলেন রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি। অন্যদিকে ২০১৮ সালে মুক্তি পাওয়া ‘জান্নাত’ ছবির জন্য সেরা চলচ্চিত্র পরিচালক বিভাগে পুরস্কার জিতলেন মোস্তাফিজুর রহমান মানিক। এই অর্জনের মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মত স্বীকৃতি পেলেন ২০০৫ সালে ‘দুই নয়নের আলো’ ছবি দিয়ে আত্মপ্রকাশ করা নির্মাতা মানিক।

তার এই ছবিতে অভিনয় করেই চিত্রনায়িকা শাবনূর পান তার একমাত্র জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। দীর্ঘ ১৪ বছর পর এবার পরিচালক নিজেও পেলেন রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি।

এদিকে দুই বছরের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ঘোষণায় ২০১৭ সালের সেরা ছবি হয়েছে ‘ঢাকা অ্যাটাক’ এবং ২০১৮ সালের সেরা ছবি ‘পুত্র’। সেরা পরিচালক হয়েছেন ২০১৭ সালের ছবি ‘গহীন বালুচর’র নির্মাতা বদরুল আনাম সৌদ। ২০১৮ সালের সেরা নির্মাতা হিসেবে পুরস্কার জিতেছেন ‘জান্নাত’ ছবির পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান মানিক।

২০১৭ সালে যৌথভাবে সেরা নায়ক হয়েছেন ‘সত্তা’ ছবির জন্য শাকিব খান ও ‘ঢাকা অ্যাটাক’ ছবির জন্য আরিফিন শুভ। ২০১৮ সালে ‘পুত্র’ ছবি দিয়ে সেরা অভিনেতা হয়েছেন ফেরদৌস এবং ‘জান্নাত’ ছবি দিয়ে সেরা অভিনেতা সাইমন সাদিক।

সেরা অভিনেত্রী হয়েছেন ২০১৭ সালে ‘হালদা’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য নুসরাত ইমরোজ তিশা এবং ২০১৮ সালে ‘দেবী’ ছবিতে অভিনয় করা জয়া আহসান।

প্রসঙ্গত, এর আগে ২০১৭ ও ২০১৮ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার দিতে জুরি বোর্ড গঠন করে সরকার। গঠিত বোর্ড সংশ্লিষ্ট নীতিমালা অনুযায়ী মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রগুলো মূল্যায়ন করে পুরস্কারপ্রাপ্তদের নাম সুপারিশ করেছে। তারই ভিত্তিতে প্রদান করা হয়েছে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।

১৩ সদস্য বিশিষ্ট জুরি বোর্ডে তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবকে (প্রশাসন ও চলচ্চিত্র) সভাপতি করা হয়েছে। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান সদস্য-সচিব হিসেবে এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, তথ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (চলচ্চিত্র) ও বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

এছাড়া ২০১৭ সালের জুরি বোর্ডের অন্য সদস্যরা হলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিপার্টমেন্ট অব টেলিভিশন ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফির চেয়ারম্যান অধ্যাপক শফিউল আলম ভূঁইয়া, একুশে টেলিভিশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মনজুরুল আহসান বুলবুল, চলচ্চিত্র অভিনেত্রী কোহিনুর আক্তার সুচন্দা, চলচ্চিত্র অভিনেতা ও প্রযোজক এম এ আলমগীর, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার, চিত্রগ্রাহক পংকজ পালিত ও সংগীত পরিচালক সুজেয় শ্যাম।

২০১৮ সালের জুরি বোর্ডের অন্য সদস্যরা হলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিপার্টমেন্ট অব টেলিভিশন ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফির চেয়ারম্যান অধ্যাপক শফিউল আলম ভূঁইয়া, চলচ্চিত্র অভিনেতা ড. এনামুল হক, সংগীতশিল্পী ফকির আলমগীর, দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, গীতিকার ও সংগীত পরিচালক হাসান মতিউর রহমান, অভিনেত্রী রওশন আরা রোজিনা, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার ও বাংলাদেশ চলচ্চিত্র গ্রাহক সংস্থার যুগ্ম-মহাসচিব তপন আহমেদ।

বাংলাদেশ জার্নাল/ আইএন

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত