ঢাকা, রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৭ আশ্বিন ১৪২৬ আপডেট : ৪ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১১ জুলাই ২০১৯, ১৪:২৪

প্রিন্ট

কোন তেল কোন রান্নায় দিলে হয় ক্ষতি

কোন তেল কোন রান্নায় দিলে হয় ক্ষতি
জার্নাল ডেস্ক

বাঙালিদের রান্নায় তেল আর ঝাল থাকবে এটাই স্বাভাবিক। তাই তো সেদ্ধ খেলেও তেল লাগে আবার স্যালাদেও লাগে। আর ভাজা মাছ–মাংস হলে তো কথাই নেই। চিকিৎসকরা যতই দিনে ৩–৪ চামচ খাওয়ার কথা বলুন না কেন তার বেশি খাওয়া হয়ে যায় আমাদের এবং তৈরি হয় নানা সমস্যা।

তেলের ভাল–খারাপ

সানফ্লাওয়ার তেলে স্যাচুরেটেড ফ্যাট খুব কম থাকে। ওমেগা সিক্স ও ওমেগা থ্রি–র অনুপাত থাকে নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে। ভিটামিন ই–ও থাকে প্রচুর। তাই হার্টের রোগীরা এই তেলে রান্না খেতে পারেন।

রাইস ব্র্যান অয়েলও খুবই উপকারি। এতে গামা ওরাইজেনোল নামে যে রাসায়নিক আছে রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে তার ভূমিকা বিরাট৷ অলিভ অয়েলের তো তুলনাই নেই৷ এক্সট্রা ভার্জিন ভ্যারাইটি খাওয়া খুবই ভাল।

তবে তেলের উপকার পূর্ণ মাত্রায় পেতে গেলে দিনের এক একটা পদ এক একটা তেলে রান্না করা ভাল। কোন তেল কত তাপ সহ্য করতে পারে অর্থাৎ কত তাপমাত্রায় জ্বলে গিয়ে ক্ষতিকর রাসায়নিক তৈরি করতে শুরু করে যাকে বলে স্মোক পয়েন্ট, সেটা দেখা উচিত।

কোন তেল কীভাবে

ভাল করে ভাজা করে রান্না করতে গেলে এমন তেলে করা উচিত যা উচ্চ তাপে ভেঙে গিয়ে খারাপ রাসায়নিক তৈরি করতে না পারে। যেমন, বাদাম, সরিষা, ক্যানোলা, সানফ্লাওয়ার, সয়াবিন, রাইস ব্র্যান বা তিল তেল।

অলিভ অয়েলের স্মোক পয়েন্ট বেশ কম। সে কারণে সাধারণ ঝাল বা ভাজাতে ব্যবহার না করে শাক–সবজি–মাছ, স্টিম বা সতে করার জন্য বা স্যালাদ বানানোর সময় ব্যবহার করা ভাল।

সব রকম ফ্যাটি অ্যাসিডের গুণ পেতে তেল মিলিয়ে–মিশিয়ে ব্যবহার করা উচিত। যেমন সরিষা, রাইস ব্র্যান ও অলিভ অয়েল বা সয়াবিন, রাইস ব্র্যান ও সানফ্লাওয়ার অয়েল।

ভাজার পর বেঁচে যাওয়া তেল পরে আর ব্যবহার করবেন না। এতে প্রচুর ক্ষতি হয় শরীরের। যার মধ্যে অন্যতম হলো ক্যান্সার। কাজেই রাস্তার চপ, পুরি, সিঙ্গারা ইত্যাদি খাওয়া যাবে না।

আরএ/

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত