ঢাকা, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২০, ১৯ আষাঢ় ১৪২৭ আপডেট : ৭ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ৩১ মে ২০২০, ২৩:৫৫

প্রিন্ট

পর্যটকদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ইউরোপের প্রথম করোনা মুক্ত দেশ মন্টেনেগ্রো

ইউরোপের প্রথম করোনা মুক্ত দেশ মন্টেনেগ্রো
অনলাইন ডেস্ক

বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া করোনা মহামারিতে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে ইউরোপের দেশগুলো। স্পেন, ইতালি, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্সের মতো দেশেগুলোর লাখ লাখ মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। মারাও গেছে অনেক লোক। এই মহাদেশের কোনও দেশই এখনও পর্যন্ত করোনা মুক্ত হয়নি শুধু মন্টিনেগ্রো ছাড়া। সম্প্রতি ইউরোপের এই দেশটি নিজেকে করোনা মুক্ত হিসেবে ঘোষণা করেছে।

করোনা মুক্ত ঘোষণা করার পরই দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে মন্টেনেগ্রো সরকার। দেশের অভ্যন্তরে সমস্ত অফিস আদালত খুলে দেওয়া হয়েছে। স্বাভাবিক হয়েছে পরিবহন ব্যবস্থাও।

দেশের অভ্যন্তরে মানুষের এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতেও নিষেধাজ্ঞা নেই। এমনকি দেশের সীমান্ত খুলে দেওয়ারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্টেনেগ্রো সরকার। এই গ্রীষ্মে ইউরোপের অন্যান্য পর্যটন কেন্দ্রগুলির চেয়ে এগিয়ে থাকার লক্ষ্যে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে দেশটি। ক্রোয়েশিয়ার পাশে অবস্থিত এই দেশটি পর্যটকদের স্বাগত জানাতে তৈরি। এই বছরের পর্যটন মৌসুম করোনার জন্য ক্ষতিগ্রস্ত হবে না বলেই মনে করছে সেই দেশের সরকার।

গত দুই মাস আগে মন্টিনেগ্রোয় প্রথম করোনা রোগীর সন্ধান মেলে। তারপর থেকেই করোনা মোকাবিলার তোড়জোড় শুরু করে প্রশাসন। সাধারণ মানুষ ও প্রশাসনের অক্লান্ত চেষ্টায় করোনা এই দেশে প্রভাব বিস্তার করতে ততটা সক্ষম হয়নি, যতটা ইউরোপের অন্য দেশগুলিতে এই ভাইরাস প্রভাব ফেলেছে।

ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যমতে দেশটিতে মোট করোনায় আক্রান্ত হয়েছিল ৩২০ জন। দেশটিতে সর্বশেষ করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত ৫ মে। এরপর আর দেশটিতে নতুন করে কেউ করোনায় আক্রান্ত হয়নি। সেখানে করোনায় মারা গেছে মোট নয়জন এবং সুস্থ হয়েছেন বাকি ৩১৫ জন। ফলে এখন পুরোপুরি করোনা মুক্ত তো গোটা দেশ।

এখন তাই দেশের পর্যটন শিল্প বিকশিত করার লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছে মন্টেনেগ্রো সরকার। দেশটির পর্যটনমন্ত্রী দামির জানিয়েছেন, ‘আগের বছরের মতো এবছর আমরা এত বেশি সংখ্যক পর্যটক আশা করছি না। কিন্তু একেবারেই পর্যটক হবে না, সেটা সম্ভবত হবে না। তবে আমি বিশ্বাস করি যে সম্প্রতি যে পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে দেশ গিয়েছে, তার চেয়ে ভালো দিন আসতে চলেছে।’

তবে পর্যটকদের প্রবেশের বিষয়ে সতর্ক থাকবে মন্টেনেগ্রো। কেবলমাত্র সেইসব দেশের পর্যটকদেরই ভিসা দেওয়া হবে যেখানে ১ লাখ মানুষের মধ্যে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা মাত্র ২৫ জন।

এমএ/

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত