যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাব
বাহরাইন ও জর্ডানে মার্কিন অবস্থানে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ : ১০ জুন ২০২৬, ১১:১৪

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) বলেছে, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে তারা বাহরাইনে মার্কিন পঞ্চম নৌবহর ‘ফিফথ ফ্লিট’কে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এ ছাড়া জর্ডানে মার্কিন বাহিনীর অবস্থানস্থল হিসেবে পরিচিত একটি বিমানঘাঁটিতেও হামলা চালানোর দাবি করেছে আইআরজিসি।
এক বিবৃতিতে আইআরজিসি বলেছে, দুই পক্ষের মধ্যে সংঘাত এখনো চলছে। একই সঙ্গে তারা হুঁশিয়ার করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক আগ্রাসন অব্যাহত থাকলে আরও কঠোর জবাব দেওয়া হবে।
আইআরজিসি আরও বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে জাস্ক, সিরিক ও কেশম দ্বীপের কয়েকটি স্থানে হামলা চালিয়েছে। হামলায় সিরিকের বেমানি জেলায় একটি টেলিযোগাযোগ টাওয়ার ক্ষতিগ্রস্ত ও দুটি পানির ট্যাংক ধ্বংস হয়েছে।
জর্ডানের একটি বিমানঘাঁটিতেও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে আইআরজিসি। ওই ঘাঁটিতে মার্কিন সামরিক সদস্যরা থাকেন।
আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তাদের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র বিমানঘাঁটির চারটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় আঘাত হেনেছে এবং সেগুলো ধ্বংস করেছে। এর মধ্যে আছে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের হ্যাঙ্গার এবং একটি প্রধান কমান্ড ও কন্ট্রোল কেন্দ্র।
আইআরজিসি এ ক্ষেপণাস্ত্র হামলাকে বড় আকারের প্রতিশোধমূলক অভিযানের বড় ধাপ হিসেবে উল্লেখ করেছে। তাদের দাবি, এ অভিযানের অংশ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বিভিন্ন মার্কিন বিমান ও নৌঘাঁটির ২১টি নিশানায় আঘাত হানা হয়েছে। পাশাপাশি ইরানের আকাশসীমায় একটি মার্কিন এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে।
এদিকে কুয়েতের সেনাবাহিনীর জেনারেল স্টাফ বলেছেন, দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সক্রিয় আছে এবং এর সাহায্যে (ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ইত্যাদি) প্রতিহত করা হচ্ছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে কুয়েতের সেনাবাহিনী বাসিন্দাদের কর্তৃপক্ষের জারি করা নিরাপত্তা নির্দেশনা ও সতর্কতামূলক পরামর্শ মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে। তাদের শুধু সরকারি সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ করতেও অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশ জার্নাল/এনএম










