ঢাকা, সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৮ আশ্বিন ১৪২৬ আপডেট : ২ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১১:৫৩

প্রিন্ট

জাপায় ভাঙনের সুর বাজে?

জাপায় ভাঙনের সুর বাজে?
মোহাম্মদ নূরুল হক

দেশের রাজনীতিতে জাতীয় পার্টি (জাপা) এখন সবচেয়ে বেশি আলোচিত একটি দল। কেবল রাজনৈতিক অঙ্গন নয়, গ্রাম-গঞ্জ-শহরের চায়ের টেবিলেও এই দলটি আলোচনার মুখ্য বিষয় হয়ে উঠেছে। এর কারণ—চলতি বছরের ১৪ জুলাই দলটির প্রতিষ্ঠা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুর পর থেকেই শীর্ষপদে স্থলাভিষিক্ত হওয়া নিয়ে তার ভাই গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের ও স্ত্রী রওশন এরশাদের মধ্যে শুরু হওয়া মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব। সেই দ্বন্দ্ব বেশিদিন আর চাপা থাকলো না। ইতোমধ্যেই তা প্রকট আকার ধারণ করেছে।

খবরে প্রকাশ, রওশন এরশাদ ও গোলাম মোহাম্মদ কাদেরের অনুসারীরা নিজ নিজ পছন্দের নেতাকে দলের চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করতে আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। উভয়পক্ষ নিজেদের মধ্যে আলোচনা-সমঝোতায় না গিয়ে নিজ-নিজ পছন্দের নেতাকে দলের চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা করছেন। একপক্ষ রওশন এরশাদকে দলের চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা দিলে অন্যপক্ষ তাকে অস্বীকার করছেন। পাল্টা নিজেদের পছন্দের লোক গোলাম মোহাম্মদ কাদেরকে চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা করছেন।

স্ব-স্ব গ্রুপের নেতাকে দলীয় চেয়ারম্যান ঘোষণার শুরু এরশাদের মৃত্যুর চারদিন পর ১৮ জুলাই। ওইদিন এক সংবাদ সম্মেলনে জিএম কাদেরকে জাপার চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা দেন দলের মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা। কিন্তু জিএম কাদেরকে শীর্ষপদে মানতে পারেননি রওশন এরশাদপন্থীরা। এ কারণেই গত ২৩ জুলাই তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে মানতে অস্বীকার করে বিবৃতি দেন রওশন এরশাদসহ দলের সাতজন সংসদ সদস্য ও দুই জন প্রেসিডিয়াম সদস্য।

পার্টির শীর্ষপদ নিয়েই যে কেবল অভ্যন্তরীণ সংকট চলছে জাপায়, তা নয়; জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা নির্বাচন নিয়েও চলছে দ্বন্দ্ব। কে হবেন সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা—এই নিয়ে গত মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) থেকে স্পিকারের দপ্তরে চলছে উভয়পক্ষের চিঠি চালাচালি। ওই দিন বিকালে জাপার দলীয় প্যাডে বিরোধীদলীয় নেতার পদে নিয়োগ পেতে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে চিঠি দেন জিএম কাদের। ওই চিঠিতে বিরোধী দলীয় নেতা হওয়ার জন্য নিজের পক্ষে বিস্তারিত যুক্তি তুলে ধরেন তিনি। বিষয়টি জানাজানির পর বিপক্ষ শিবিরেও দেখা দেয় চরম উত্তেজনা। এরই জের ধরে পরদিনই (বুধবার) জিএম কাদেরের চিঠির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন রওশন এরশাদ। আপত্তি জানিয়ে স্পিকারকে চিঠিও দেন তিনি।

বিষয়টি এখানেই থেমে থাকেনি। আরও একধাপ এগিয়ে রওশন এরশাদকে জাপার চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করে নির্বাচন কমিশনে চিঠি দেয় দলটির একটি অংশ। চিঠিতে রওশন এরশাদ ছাড়া দলীয় চেয়ারম্যান হিসেবে অন্য কারও স্বাক্ষর গ্রহণ না করার অনুরোধ করা হয়।

দলের চেয়াম্যান, সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা হওয়ার নিয়ে বিরোধের বাইরে জাপায় আরও একটি বড় সংকট সৃষ্টি হয়েছে। সেই দ্বন্দ্বের কারণ এরশাদের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া রংপুর-৩ আসনের উপ-নির্বাচন। এই আসনে রওশনপন্থীদের পছন্দ এরশাদ-পুত্র সাদ এরশাদ। আর জিএম কাদেরপন্থীরা চান এরশাদের ভাই বা স্থানীয় নেতাদের মধ্যে কাউকে। এসব তথ্য এই মুহূর্তে পুরনো। অর্থাৎ এসব তথ্য গণমাধ্যমের কল্যাণে দেশের জনগণের কাছে এতক্ষণে পৌঁছে গেছে। তবে, এই তিনটি ইস্যুকে বিবেচনায় নিলে কয়েকটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

১। দলের চেয়ারম্যান নির্বাচন কিংবা বিরোধীদলীয় নেতা নির্বাচনে যেখানে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েছেন শীর্ষ দুই নেতা ও তাদের অনুসারীরা, সেখানে দলটি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে ঐক্যবদ্ধ হবে কিভাবে?

২। জাপার শীর্ষ নেতা কিংবা সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা নির্বাচনে যদি সরকারকে হস্তক্ষেপ করতে হয়, তাহলে জাপার পক্ষে কী করে সম্ভব সংসদে কার্যকর বিরোধী দলের ভূমিকা রাখা?

৩। দলীয় চেয়ারম্যান নির্বাচন ও সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার মনোনয়নকে কেন্দ্র করে যে নেতারা ব্যক্তিস্বার্থ ত্যাগ করতে পারেন না, তারা জনগণের স্বার্থরক্ষায় কতটা সততার স্বাক্ষর রাখতে সক্ষম হবেন?

৪। দলীয় চেয়ারম্যান নির্বাচন ও সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা মনোনয়নকে কেন্দ্র করে দলটিতে কি ভাঙনের সুর বাজছে?

উল্লিখিত চারটি ইস্যু একসঙ্গে আলোচনা করা যাক। জাপার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এরশাদ যখন একেক সময় একেক আচরণ করতেন, নিতেন পদক্ষেপ, তখন রাজনীতি-বিশ্লেষকরা প্রায় বলতেন, ‘রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই’। অর্থাৎ তাদের অভিমত অনেকটা এমন ছিল যে, এরশাদ একেকবার একেক বক্তব্য দিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চমক সৃষ্টি করতে চাইছেন। থাকতে চাইছেন সবসময় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

অনেক সময় বুঝে ওঠা কঠিন হয়ে পড়তো, তিনি কোন মুহূর্তে কী পদক্ষেপ নেবেন। কখন যে তার মনের আকাশে ঝড় উঠবে, কখন যে সাদা মেঘ জমবে, কখন জমবে কালো মেঘ—তা কেউ ধরতে পারতেন না। এ কারণে এরশাদ ছিলেন রাজনীতির মাঠে একজন রহস্যময় ব্যক্তি।

এই সকাল-বিকাল রঙ পাল্টানো এরশাদের প্রতিষ্ঠিত দলেও তার স্বভাবের প্রতিচ্ছায়া পড়েছে। তার মতোই দলের শীর্ষ নেতারা সর্বদা চঞ্চল, অস্থির। কেউ কাউকে নিতে পারছেন না আস্থায়, ভরসা করতে পারছে না পরস্পরকে। কেউ নিজেকে ছাড়া অন্যকে যোগ্য ভাবতে পারছেন না। সবাই নিজেকে ছাড়া অন্যকে অযোগ্য ভাবছেন। নিজেকে ভাবছেন সবচেয়ে যোগ্য ব্যক্তি। এই অতি-আত্মবিশ্বাস দলের ভেতর গণতন্ত্রচর্চার পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

দশম জাতীয় সংসদেও জাপা ছিল বিরোধী দলের চেয়ারে। একথা সুবিদিত যে, যেকোনো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরাক্রমশালী ক্ষমতাসীন দলের পাশাপাশি প্রয়োজন হয় একটি শক্তিশালী ও সক্রিয় বিরোধী দলেরও। কিন্তু গত সংসদের দিকে তাকালে জাপাকে সত্যিকারের বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করতে দেখা যায়নি। রাজনীতি-বিশ্লেষক থেকে শুরু করে সরকারবিরোধী অনেক রাজনৈতিক দল জাপাকে ‘গৃহপালিত’ বিরোধীদল বলেও কটাক্ষ করেছিল। কেবল যে সরকারবিরোধী দলগুলোর অভিযোগ এমন ছিল, তা নয়; খোদ দলটির তৎকালীন চেয়ারম্যান এরশাদও বিভিন্ন জনসভায় তার দল যে ‘গৃহপালিত বিরোধী দল’, সেটি বারবার আক্ষেপ করে বলেছিলেন। অন্যান্য দলের বিদ্রূপ-সমালোচনায় মাঝেমাঝে অতীষ্ঠে হয়ে এরশাদ নিজের দলকে সত্যিকারের বিরোধী দল হিসেবে দেখতে চাইতেন। কিন্তু কোনো এক অদৃশ্য-দুর্লঙ্ঘ্য কারণে তিনি পেরে উঠতেন না। রাজপথে কিংবা জনসভায় মাঝেমাঝে সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কঠোর সমালোচনা করলেও সংসদে দাঁড়িয়ে সেইসব কথা বলতে ভুলে যেতেন। পরন্তু সংসদে দাঁড়ালে দলটির এমপিদের হয়তো মনে হতো—তাদের কেউ কেউ সরকারের মন্ত্রিসভায় যেমন আছে, তেমনি খোদ এরশাদও রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বিশেষদূতের দায়িত্বে। যিনি প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূতের দায়িত্ব পালন করছেন, তিনি সংসদে দাঁড়িয়ে কিভাবে সরকারের কর্মকাণ্ডের কঠোর সমালোচনা করবেন? বিপরীতে তার দলের এমপিরা সরকারের কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করাকেই শ্রেয় মনে করতেন। কারণ এরশাদ মাঝে মাঝে নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতি, আইনশৃঙ্খলার অবনতি কিংবা রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের গুম-খুন ইস্যুতে সরকারের সমালোচনা করতে চাইলেও তার দলের এমপিরা কেউ সে পথে হাঁটতেন না। তারা সরকারের বিরাগভাজন হওয়ার ঝুঁকি নিতেন না। অর্থাৎ এরশাদের প্রতিষ্ঠিত দলের নেতারাই জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ কোনো ইস্যুতে তার সঙ্গেই একমত হতে পারতেন না। এদিক থেকে দেখলে বলতে হয়, জাপার অভ্যন্তরীণ কোন্দল-মতানৈক্যের বিষয়টি নতুন নয়। দলটিতে মতানৈক্যের বিষয়টি আগে যেমন ছিল, এরশাদের মৃত্যুর পরও তেমন আছে। পরিবর্তন কিছুই হয়নি।

জাপার মহাসচিব মনোনয়ন-নির্বাচনে খোদ এরশাদই ছিলেন টানাপড়েনের ভেতর। সকালে জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলুকে দলের মহাসচিব নির্বাচন করলে বিকালে মসিউর রহমান রাঙ্গাকে বেছে নিয়েছেন। এছাড়া, দলের কো-চেয়ারম্যান হিসেবে সকালের নিজের ভাই জিএম কাদেরকে মনোনয়ন দিলে বিকালে ওই আদেশ প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। কারণ ওই সময় থেকেই জিএম কাদের ও রওশন এরশাদপন্থীদের মধ্যে বিরোধ চলে এসেছে। ফলে এরশাদ কো-চেয়ারম্যান হিসেবে জিএম কাদেরকে মনোনয়ন দিলে, রওশন এরশাদ বেঁকে বসতেন। আর তখনই জিএম কাদেরকে সরিয়ে রওশনকে বসাতেন সেই চেয়ারে। আর যখন উভয়সংকটে পড়তেন, একজনকে সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান করে অন্যজনকে কো-চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনয়ন দিতেন। অর্থাৎ এরশাদ নিজেই তার দলের নেতাদের মধ্যে দুই পক্ষকে ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেননি। নিজে যেমন ছিলেন দোটানায়, তেমনি দলের নেতারাও তার জীবদ্দশায়ই ছিলেন দুই গ্রুপে বিভক্ত। এক গ্রুপ আরেক গ্রুপের বিরোধিতা করতো। তার মৃত্যুর পর সেই দুটি ধারা আরও বেগবান হয়েছে। প্রয়োজনীয় আলো-বাতাস পেলে তৃণলতা যেমন লক-লক করে পত্রপল্লবে বেড়ে ওঠে, একক নেতৃত্ব না থাকার সুযোগে দলটির নেতাদের মধ্যেও দ্বন্দ্ব-বিভাজনও তেমনি হু-হু করে বাঁধভাঙা জোয়ারের মতো দুইকূল প্লাবিত করেছে। তাদের ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে বিশৃঙ্খলা-রাজনৈতিক কর্মসূচিশূন্য বিভক্তির দিকে। তারা কেউ সামষ্টিক স্বার্থের চিন্তায় মগ্ন না হয়ে, ব্যক্তিস্বার্থসিদ্ধির উদ্দেশ্যে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব জিইয়ে রাখছেন।

এমন পরিস্থিতিতে রাজনীতির মাঠে বড় প্রশ্ন—যে নেতারা দলের চেয়ারম্যান নির্বাচন করতে গিয়ে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন, ব্যক্তিস্বার্থ ত্যাগ করে দলীয় স্বার্থকে বড় করে দেখতে পারেন না, তারা জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে ঐক্যবদ্ধ হবেন কিভাবে? জনগণের স্বার্থরক্ষায় সংসদে দাঁড়িয়ে কতটা ভূমিকা রাখবেন?

এই দুটি প্রশ্নের উত্তর পেতে চাইলে বুঝতে হবে—একটি রাজনৈতিক দলের যখন গৃহবিবাদ তুঙ্গে ওঠে, তখন জনগণের মধ্যে নানা শঙ্কা দেখা দেয়। ওই দলটির নেতারা যদি জনস্বার্থের চিন্তা না করে ব্যক্তিস্বার্থকে বড় করে দেখেন, তাদের প্রতিও জনগণ আর আস্থা রাখতে চায় না। যখন কোনো একটি রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা পরস্পরের নেতৃত্বের প্রতি আস্থাশীল হতে পারেন না, তখন বাইরের শক্তি এসে তাদের নিয়ন্ত্রণের সুযোগ নেই। দলটি যদি বিরোধী দল হয়ে থাকে, তাহলে ক্ষমতাসীনরা তাতে ভাঙনের ইন্ধন দেয়। একইসঙ্গে নিয়ন্ত্রণেরও চেষ্টা করে। জাপার ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম ঘটবে না। ইতিহাস সাক্ষী, জাপায় ভাঙনের ঘটনা নতুন নয়। সর্বজনবিদিত বলে ভাঙনের ধাপগুলো এখানে বর্ণনা করা হলো না।

দশম জাতীয় সংসদে জাপার এমপির ভূমিকা দেখে জনগণ আগেই দলটিকে ‘গৃহপালিত বিরোধী দল’ হিসেবে সরকারবিরোধী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি জনগণও অভিহিত করা শুরু করেছিল। আর বর্তমান সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ও দলের চেয়ারম্যান নির্বাচনের ক্ষেত্রে শীর্ষনেতাদের দ্বন্দ্বের জেরে জাপার প্রতি জনগণের আস্থা প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। দলটির অখণ্ডতা নিয়ে বিভিন্ন মহলে এখনই জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে। পাশাপাশি ঈশান কোণে কালো মেঘ দেখে ঝড়ের পূর্বাভাস দেখার মতো জনমনে একটি মস্তবড় প্রশ্নচিহ্ন দেখা দিয়েছে—তবে কি জাপায় শিগগিরই ভাঙনের সুর বাজছে? আর যদি বেজে ওঠে, তাহলে দলটির শীর্ষনেতাদের উচিত হবে যত দ্রুত সম্ভব অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব-সংঘাত নিরসন করে দলের ঐক্য টিকিয়ে রাখা। একথা বলা অসঙ্গত হবে না যে, সময়মতো রওশন-কাদেরপন্থীরা ঐকমত্যে পৌঁছাতে না পারলে জাপার ভাঙন হয়তো আর ঠেকানো যাবে না।

লেখক: কবি, প্রাবন্ধিক ও সংবাদকর্মী

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত