ঢাকা, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২০, ১৬ কার্তিক ১৪২৭ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে English

প্রকাশ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৯:৩১

প্রিন্ট

এমসি কলেজে ধর্ষণ: হবিগঞ্জ সীমান্তে কড়া নজরদারি

এমসি কলেজে ধর্ষণ: হবিগঞ্জ সীমান্তে কড়া নজরদারি
ফাইল ছবি
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

সিলেটের এমসি কলেজ স্বামীর কাছ থেকে নববধূকে ছিনিয়ে নিয়ে গণধর্ষণের ঘটনায় আসামিদের গ্রেপ্তারে তৎপর রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ইতোমধ্যে প্রধান আসামি সাইফুর রহমানসহ দু’জনকে আটক করা হয়েছে। বাকিদের ধরতেও পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে, হবিগঞ্জের মাধবপুর সীমান্ত দিয়ে পালানোর চেষ্টা করেছিলো মামলার অন্যতম আসামি অর্জুন লস্কর। যদিও তার শেষ রক্ষা হয়নি। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে সিলেট গোয়েন্দা পুলিশ সোমবার ভোরে তাকে গ্রেপ্তার করে। তবে অর্জুনের দেশ থেকে পালানোর চেষ্টার বিষয়টি নিয়ে আরো সতর্ক রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। অন্য আসামিরা যেন দেশ থেকে পালাতে না পারে সে জন্য হবিগঞ্জ সীমান্তে আরো কড়া নজরধারি রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

আসামিদের ধরতে ও দেশ থেকে যেন পালাতে না পারে এজন্য হবিগঞ্জের মাধবপুর ও চুনারুঘাট সীমান্তে কঠোর নজরধারি রাখার কথা জানিয়ে জেলা পুলিশ। সীমান্তে পুলিশের পাশাপাশি কাজ করছেন বিট পুলিশের সদস্য ও নিজস্ব সোর্স।

এ ব্যাপারে চুনারুঘাট থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) চম্পক ধান বলেন, ‘আমাদের পার্শ্ববর্তী উপজেলা মাধবপুর সীমান্ত দিয়ে এক আসামি পালানোর চেষ্টা করেছিলো। তাই আমরা চুনারুঘাট সীমান্তে নজরধারি বাড়িয়েছি। পুলিশের পাশাপাশি বিট পুলিশের নেতৃবৃন্দ ও নিজস্ব সোর্স কাজ করছে সীমান্তে।’

তিনি বলেন, ‘মামলার অন্যতম আসামি শাহ্ মাহবুবুর রহমান রনির বাড়ি হবিগঞ্জ। সে জেলার শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার বাগুনিপাড়া গ্রামের শাহ্ জাহাঙ্গীরের ছেলে। যেহেতু সে চুনারুঘাটের পার্শ্ববর্তী উপজেলার ছেলে সেহেতু এদিকে সীমান্ত অতিক্রম করার সম্ভাবনা রয়েছে।’

শায়েস্তাগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) মো. আল-মামুন বলেন, ‘এখন পর্যন্ত সিলেট থেকে আমাদের কাছে কোন কাগজপত্র আসেনি। তবে যেহেতু এটি জাতীয় ইস্যু সেহেতু আমরা বিষয়টি কাগজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখিনি। তাকে গ্রেপ্তার করতে অভিযান চালানো হচ্ছে। এছাড়া রনির বাড়িতেও কঠোর নজরধারি রয়েছে।’

একই কথা জানালেন মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকবাল হোসেন। তিনি বলেন, ‘এক আসামি মাধবপুর সীমান্ত দিয়ে পালানোর চেষ্টার সময় আটক হয়েছে। তাই আমরা অন্য আসামিদের ধরতে তৎপরতার পাশাপাশি সীমান্তে নজরধারি বাড়িয়েছি।’

বাংলাদেশ জার্নাল/এনএইচ

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত