ঢাকা, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২০, ৪ কার্তিক ১৪২৭ আপডেট : ১৩ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৩:২৫

প্রিন্ট

বিজয়নগরে এক বৃদ্ধার মৃত্যু নিয়ে রহস্য

বিজয়নগরে এক বৃদ্ধার মৃত্যু নিয়ে রহস্য
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলায় মতি ভূঁইয়া (৬০) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, বৃদ্ধের মাদকাসক্ত ছেলে তার বাবাকে হত্যা করে প্রতিপক্ষকে মামলা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করছেন।

শুধু একটি জেলা নয়, অনুভূতির নাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া

মামলায় আসামি হওয়ার পর থেকে বাড়িছাড়া হয়ে আছেন প্রতিপক্ষের লোকজন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২৪ সেপ্টেম্বর দুপুরে বিজয়নগর উপজেলার সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের শ্রীপুর গ্রামের বাসিন্দা বৃদ্ধ মতি ভূঁইয়ার মৃত্যু হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিখ্যাত ছানামুখীর গল্প

তার পরিবারের অভিযোগ, প্রতিবেশী জামির হোসেন ও রহিম মিয়ার সঙ্গে পূর্ববিরোধের জেরে তারা মতিকে পিটিয়ে হত্যা করেছেন। তবে অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে মতির মাদকাসক্ত ছেলে রুবেলই তাকে মেরেছেন বলে পাল্টা অভিযোগ করছেন জামির ও রহিম।

এ ঘটনায় ২৪ সেপ্টেম্বর মতির আরেক ছেলে মো. রাকিব বাদী হয়ে জামির ও রহিমসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে হ্যতা মামলা করেন। মামলার পর থেকে আসামিপক্ষের লোকজন বাড়িছাড়া। এ সুযোগে তাদের বাড়ি-ঘরে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তারা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ‌‘ব্রাহ্মণবাড়িয়া ট্রেন চাই’ দাবি

রুবেলের মাদক সেবন ও কারবারে বাধা দেয়ার কারণে প্রায়ই রহিম ও জামিরকে মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দিতেন। বৃদ্ধ মতি মিয়ার মৃত্যুর কয়েকদিন আগে জামির বিজয়নগর থানায় অভিযোগও দিয়েছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে মতি ভূঁইয়ার কয়েকজন প্রতিবেশী জানান, রুবেল দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত এবং মাদক কারবারে যুক্ত। এ নিয়ে তার বাবার সঙ্গে প্রায়ই ঝগড়া হতো। ইতোপূর্বে রুবেল তার বাবার গায়েও হাত তুলেছেন। ২৩ সেপ্টেম্বর দুপুরে রুবেলই মাদক সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বাগবিতণ্ডার জেরে বাবাকে পেটায়। এ ঘটনার পরদিন মতির মৃত্যু হয়।

করোনার মধ্যে ফের ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত ৬৫

তবে রুবেল মিয়া বলেন, বাড়ির জায়গা নিয়ে রহিম ও জামিরের সঙ্গে আমাদের বিরোধ চলছিল। এর জের ধরে ওই দিন হঠাৎ করে রহিমের ছেলে রিফাতসহ ১২-১৪ জন এসে আমার বাবাকে পিটিয়ে হত্যা করেন। আসামিপক্ষের ঘর-বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ মিথ্যা।

বিজয়নগর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতিকুর রহমান বলেন, বাড়ির সীমানা নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে মামলা চলছে। এর জের ধরেই এই হত্যকাণ্ড ঘটেছে কি-না সেটি আমরা তদন্ত করে দেখছি।

বাংলাদেশ জার্নাল/এমএম

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত