ঢাকা, শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১, ৪ বৈশাখ ১৪২৮ আপডেট : ৮ মিনিট আগে

প্রকাশ : ০৩ মার্চ ২০২১, ১৬:৪২

প্রিন্ট

ক্ষেত থেকেই বিক্রি হচ্ছে তরমুজ

ক্ষেত থেকেই বিক্রি হচ্ছে তরমুজ
ছবি- প্রতিনিধি

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

গরমকালের তৃপ্তিদায়ক ও উপকারী ফল তরমুজ। পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় এ বছর তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে। ক্ষেত থেকেই পাকা তরমুজ কেটে বিক্রি করছেন কৃষক।

দিকে বেশি লাভের আশায় ইতোমধ্যে পাইকাররাও আসতে শুরু করেছে। কেউ কেউ ক্ষেত আগাম বিক্রি করে দিচ্ছেন। এমন দৃশ্য দেখা গেছে উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম-গঞ্জে। রসালো মিষ্টি ও সু-স্বাদু হওয়ায় এর চাহিদাও রয়েছে প্রচুর। এসব তরমুজ স্থানীয় বাজারেও চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার লতাচাপলী ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামে বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে রয়েছে তরমুজের ক্ষেত। কেউ তরমুজ কাটছেন, কেউ স্তুপ করছেন, কেউ ট্রলি-ট্রাকে তোলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

এসব তরমুজ পাইকাররা দেশের প্রত্যন্ত এলাকায় নিয়ে যাবেন। এছাড়া উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে রয়েছে কৃষকদের কর্মব্যস্ততা। বাম্পার ফলনে কৃষকরা রয়েছেন খোশ মেজাজে।

কলাপাড়ায় তরমুজের বাম্পার ফলন

আগাম তরমুজ আবাদের মধ্য দিয়ে গেল বছরের করোনার ধকল কাটিয়ে উঠছেন কৃষকরা। তবে সবকিছু ঠিক থাকলে, বিশেষ করে প্রকৃতি অনুকূলে থাকলে হেক্টর প্রতি জমিতে তরমুজ চাষে দেড় লাখ টাকা লাভ হবে বলে স্থানীয় কৃষকরা জানিয়েছেন।

নয়াপাড়া গ্রামের কৃষক মো. মনির হাওলাদার জানান, প্রায় ৪ মাস আগে ১৫ একর জমিতে তরমুজ চাষ শুরু করেন তিনি। কঠোর পরিশ্রম করার পরে তার ক্ষেতে এই ফলন হয়েছে। ক্ষেত পরিষ্কারের পাশাপাশি কৃষি কর্মকর্তাদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছেন তিনি। পুরো ক্ষেতের তরমুজ ৩ লাখ টাকায় বিক্রি করে দিয়েছেন।

লাভজনক হওয়ায় ও চাহিদা থাকায় ক্ষেত থেকেই বিক্রি হচ্ছে তরমুজ

আরেক কৃষক মো. রাজ্জাক জানান, এ বছর আগাম তরমুজ চাষে ভালো ফলন হয়েছে। আড়াই একর জমিতে তরমুজ চাষ করেছেন। এতে তার খরচ হয়েছে প্রায় দুই লাখ টাকা। তরমুজ বিক্রি করে তার প্রায় ৩ লাখ টাকা লাভ হয়েছে।

স্থানীয় বাজারের তরমুজ ব্যবসায়ী মো. কালাম বলেন, গত বছর করোনাকালীন তরমুজ বাজারে বিক্রি করতে পারেননি। এবার তরমুজের ফলন ভালো হয়েছে, দামও চড়া। তারা চাষিদের কাছ থেকে গড়ে প্রতিটি তরমুজ ২শ' থেকে আড়াইশ টাকায় ক্রয় করছেন। স্থানীয় বাজারে তা আকারভেদে বিক্রি করা হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবদুল মন্নান বলেন, উপজেলায় এ বছর তিন হাজার হেক্টর জমিতে তরমুজের চাষ হয়েছে। চাষিদের সার্বক্ষণিক পরামর্শ দিয়ে আসছেন। কৃষকরা যাতে ন্যায্যমূল্যে তরমুজ বিক্রি করতে পারে, এজন্য কৃষকদের পাশে থেকে কৃষি কর্মকর্তারা সহযোগিতা করছেন বলে তিনি জানিয়েছেন।

বাংলাদেশ জার্নাল/এসকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত