ঢাকা, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ আপডেট : ৭ মিনিট আগে
শিরোনাম

‘উগ্রবাদী সংগঠনের সদস্য’ সন্দেহে গ্রেপ্তার তাহসীন কারাগারে

  জার্নাল ডেস্ক

প্রকাশ : ১০ জুলাই ২০২৬, ২০:১৯

‘উগ্রবাদী সংগঠনের সদস্য’ সন্দেহে গ্রেপ্তার তাহসীন কারাগারে
ছবি: সংগৃহীত

উগ্রবাদী সংগঠন ‘ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেম-এফসিএস’ এর সঙ্গে জড়িত সন্দেহে যশোর থেকে গ্রেপ্তার তাহসীন ইসলামকে রিমান্ডে পাঠানোর আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

শুক্রবার(১০ জুলাই) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর এ আদেশ দেন বলে প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মাসুম খান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, “তাহসীন ইসলামের রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আগামী তিন দিনের মধ্যে তদন্তের বিষয়ে অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দিতে পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

বৃহস্পতিবার(৯ জুলাই) রাত ৯টার দিকে যশোর সদর উপজেলার কিসমত নোয়াপাড়া এলাকার নিজ বাড়ি থেকে ১৯ বছর বয়সি তাহসীনকে গ্রেপ্তার করে জেলা পুলিশ। পরে তাকে ঢাকায় কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

তাহসীনকে সন্দেহভাজন হিসেবে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে শুক্রবার সাত দিনের রিমান্ড আবেদনসহ আদালত হাজির করেন যাত্রাবাড়ী থানার ইন্সপেক্টর এ বি সিদ্দিক।

প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মাসুম বলেন, “শুনানিতে তাহসীনের পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না। তার কিছু বলার আছে কি না জানতে চান বিচারক। জবাবে তাহসীন বলেন, ‘আমি সম্পূর্ণ নির্দোষ’।”

যদিও পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাহসীন উগ্রবাদী সংগঠন এফসিএসে সক্রিয় থাকার কথা স্বীকার করেছেন। নোয়াপাড়া এলাকার ওহিদুল ইসলামের ছেলে তাহসীনকে গ্রেপ্তারের সময় তার ঘর থেকে চাপাতি, বৈদ্যুতিক তার ও বেশ কয়েকটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস জব্দ করার তথ্যও দিয়েছে পুলিশ।

ঢাকার সিটিটিসি ইউনিটে দায়ের করা একটি মামলার তদন্তের সূত্র ধরে নোয়াপাড়ায় এ অভিযান চালান হয়।

যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মিরাজুল ইসলাম বলেন, “ঢাকার কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটে তাহসীন ইসলামের নামে মামলা থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে আগের একটি ডাকাতির মামলাও রয়েছে।”

রোববার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে যাত্রাবাড়ীর ‘মিনি কক্সবাজার’ এলাকা থেকে এফসিএসের ৬ সদস্য শাহ আমানত সাবির, হোসাইন তানিম, জুনায়েদ, আতাউল্লাহ শাহ, আবিদুর রহমান এবং বায়োজিতকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ওইদিনই তাদের সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাদের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হলে আদালত তিন দিনের রিমান্ড দেয়।

বুধবার রিমান্ড শেষে তাদের আদালতে হাজির করা হয়। সেদিন সাবির, তানিমের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলেও অপর চার আসামিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করে পুলিশ। আদালত সাবির ও তানিমের ফের তিন দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন। অপর চার আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়।

বাংলাদেশ জার্নাল/এসআইপি

  • সর্বশেষ
  • পঠিত