ঢাকা, শনিবার, ০৬ জুন ২০২০, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ আপডেট : ২০ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১১ মে ২০২০, ১৫:৩০

প্রিন্ট

করোনায় চতুর্মুখী ক্ষতির মুখে বিদ্যুৎ খাত

করোনায় চতুর্মুখী ক্ষতির মুখে বিদ্যুৎ খাত

Evaly

জার্নাল ডেস্ক

করোনাভাইরাস রোধে দেশে চলছে বিভিন্ন বিধি নিষেধ। বন্ধ হয়েছে আছে প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড। আর এর প্রভাবে চতুর্মুখী ক্ষতির মুখোমুখি বিদ্যুৎ খাত।

পাওয়ার সেলের হিসাবে এ বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রাথমিকভাবে সেই ক্ষতি হতে পারে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা। গত বছরের ২ মে সারা দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১১ হাজার ২শ' মেগাওয়াট।

চলতি বছর একই তারিখে চাহিদা ৭ হাজার ৫১৮ মেগাওয়াট। আগের বছরের চেয়ে যা ৩ হাজার ৬শ' মেগাওয়াট কম। সব ঠিক থাকলে বাড়ার কথা ছিলো বিদ্যুৎ চাহিদা। কিন্তু করোনা পাল্টে দিয়েছে সব।

এ বছরেই উৎপাদনে এসেছে বড়-বড় কয়েকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র। সবমিলিয়ে স্বাভাবিক চাহিদার চেয়ে উৎপাদন ক্ষমতা ৬০ শতাংশেরও বেশি। কিন্তু এখন কমই ব্যবহার হচ্ছে সেই ক্ষমতা। চুক্তি অনুযায়ী, কেন্দ্র না চললেও দিতে হয় ক্যাপাসিটি ভাড়া।

বিদ্যুৎ খাতের নীতি সহায়তা প্রতিষ্ঠান-পাওয়ার সেল জানায়, একদিকে কমেছে বেচাবিক্রি, অন্যদিকে টানতে হচ্ছে ক্যাপাসিটি ভাড়া। দুইয়ে মিলে ব্যাপক ক্ষতির মুখে বিদ্যুৎখাত।

পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসেন বলেন, চাহিদা কমে যাওয়ায় উৎপাদন-সঞ্চালন ও বিতরণ সবদিকেই ক্ষতির মুখে বিদ্যুৎখাত। ভতুর্কি কমানোর অজুহাতে করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের আগেআগেই বেড়েছে বিদ্যুতের দাম। তারপরও ৪ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হবে সরকারকে। এর সাথে আবার যুক্ত হবে নতুন হিসাব। সেই টাকা আসবে কোই থেকে?

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে, ভর্তুকির পরিমাণ বাড়বে। তবে ভর্তুকির বাইরেও অন্যকোনো খাত থেকে টাকা নেয়া সম্ভব কিনা সেটিও পরীক্ষা নিরীক্ষা করছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

বাংলাদেশ জার্নাল/ এমএম

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত