ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০, ১২ কার্তিক ১৪২৭ আপডেট : ১০ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৫:৪০

প্রিন্ট

প্রজ্ঞাপনেই শেষ, ভোগান্তিতে সাড়ে তিন লাখ প্রাথমিক শিক্ষক!

প্রজ্ঞাপনেই শেষ, ভোগান্তিতে সাড়ে তিন লাখ প্রাথমিক শিক্ষক!
নিজস্ব প্রতিবেদক

গতবছর প্রাথমিক শিক্ষকদের জাতীয় বেতন স্কেলের ১৩তম গ্রেড দেয়া হয়। তবে বেতনভাতা ১৩তম গ্রেডে ফিক্সেশন না হওয়ায় শিক্ষকরা এখনও আগের বেতনই পাচ্ছেন। এ নিয়ে ভোগান্তিতে রয়েছেন প্রায় সাড়ে তিন লাখ শিক্ষক।

জানা গেছে, সারাদেশে হিসাবরক্ষণ অফিস বেতন নির্ধারণ করতে গিয়ে জটিলতায় পড়ে। সিস্টেম থেকে নোটিফিকেশন আসছে, ‘উন্নীত স্কেলে বেতন নির্ধারণ এই পদে প্রযোজ্য নয়।’ হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তারা বলেন, এ বিষয়ে তাদের কিছুই করণীয় নেই, যতক্ষণ না আইবাসে সিস্টেম এন্ট্রি করা হয়। এ পরিস্থিতিতে শিক্ষকদের মনোবল ভেঙে পড়ছে বলে তারা জানিয়েছেন।

সংশ্নিষ্ট সূত্র জানায়, বেতনভাতা দেয়ার নির্ধারিত ‘আইবাস’ সফটওয়্যার-এ কারিগরি জটিলতায় শিক্ষকদের বেতন নির্ধারণ করা যায়নি। ৬৫ হাজার ৬২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় তিন লাখ ৫২ হাজার সহকারী শিক্ষক রয়েছে। তাদের জন্য গত ৯ ফেব্রুয়ারি ১৩তম গ্রেডে বেতনে দেয়ার প্রজ্ঞাপন জারি করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। কিন্তু নিম্ন ধাপে নির্ধারণ করায় বেতন কমে যাচ্ছে।

শিক্ষকরা জানান, ১৩তম গ্রেডের নিম্ন ধাপ আইবাস সফটওয়্যার ইনপুট নিলেও উচ্চ ধাপ নির্ধারণ করলে ইনপুট নিচ্ছে না। অথচ নিম্ন ধাপে শিক্ষকদের বেতন কমে যাচ্ছে। এ কারণে অর্থ মন্ত্রণালয় উচ্চ ধাপেই বেতন নির্ধারণের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছে। গণশিক্ষা সচিব ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিবের হস্তক্ষেপে উচ্চ ধাপে বেতন ফিক্সেশন করায় জটিলতার সমাধান হলেও নতুন সংকট তৈরি করেছে এই সফটওয়্যার।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম আল হোসেন এ বিষয়ে বলেন, সমস্যা দ্রুত সমাধান হবে। বেতন ফিক্সেশন যাতে দ্রুত হয়, তা নিয়ে কাজ করছি।

বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ বলেন, ১৩তম গ্রেডের প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে আট মাস আগে। কিন্তু জটিলতার কারণে এখনও বেতন ফিক্সেশন হয়নি। আমরা চাই, দ্রুত শিক্ষকদের হয়রানি থেকে মুক্ত করা হোক।

জয়পুরহাট জেলার ক্ষেতলাল উপজেলার হিন্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মুহাম্মদ মাহবুবর রহমান বলেন, ১৩তম গ্রেডে উচ্চ ধাপে ফিক্সেশনের জন্য উপজেলার কয়েকজন শিক্ষককে নিয়ে হিসাবরক্ষণ অফিসে গিয়েছিলাম। আইবাস সফটওয়্যারে সহকারী শিক্ষকদের উচ্চ ধাপে বেতন নির্ধারণের কোনো ব্যবস্থা নেই বলে জানালেন হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা। তাই বেতন ফিক্সেশন সম্ভব নয়।

আরও পড়ুন:

যে কারণে ১৩তম গ্রেডে বেতন পাচ্ছেন না প্রাথমিক শিক্ষকরা

একাদশে ক্লাস অক্টোবরে!

সবকিছু প্রস্তুত, নভেম্বরে এইচএসসি পরীক্ষা!

বাংলাদেশ জার্নাল/এনএইচ

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত