ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ৯ ফাল্গুন ১৪২৬ অাপডেট : ৩৭ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ২৯ ডিসেম্বর ২০১৭, ১৪:১৬

প্রিন্ট

সত্যিই আমি ভাগ্যবতী: রুনা খান

সত্যিই আমি ভাগ্যবতী: রুনা খান
কামরুল ইসলাম

রুনা খান। টিভি পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি দক্ষতার সঙ্গে অভিনয় করে আসছেন। সম্প্রতি অভিষেক হয়েছে চলচ্চিত্রের পর্দায়। তার অভিনীত দুটি ছবি একসঙ্গে মুক্তি পায় গত ১ ডিসেম্বর। এগুলো হলো ‘হালদা’ এবং ‘ছিটকিনি’। দুটি ছবিতেই রুনা খানের অভিনয় ভূয়সী প্রশংসা অর্জন করে। তবে ‘হালদা’য় তার অভিনয় যেন সব কিছুকে ছাপিয়ে গেছে। সবার মনেই মুগ্ধতার জায়গা দখল করে নিয়েছেন রুনা। এদিকে ক’দিন আগেই নাটকে অভিনয়ের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে অর্জন করেছেন আরটিভি স্টার অ্যাওয়ার্ড। আবার শুক্রবার (২৯ ডিসেম্বর) মুক্তি পেয়েছে তার নতুন ছবি ‘গহীন বালুচর’। সব মিলে খোশ মেজাজেই রয়েছেন তিনি। ক্যারিয়ারের এমন স্বর্ণালী সময়ের বিভিন্ন দিক নিয়ে রুনা খান কথা বলেছেন বাংলাদেশ জার্নালের সঙ্গে। লিখেছেন কামরুল ইসলাম।

কেমন আছেন?

রুনা খান: জী ভালো আছি।

শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে আরটিভি স্টার অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন। কেমন লাগছে?

রুনা খান: খুবই ভালো লাগছে। আসলে ভালো লাগারই কথা। যেকোনও পুরস্কার ও সম্মাননা সবার কাজের জন্যই অনেক বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে। আমার ক্ষেত্রেও তাই। আশা করি এই প্রাপ্তি আগামী পথচলায় আরও বেশি সচেতন করে তুলবে আমায়।

পুরস্কার গ্রহণের সময় রুনা খান

কোন নাটকের জন্য এই পুরস্কার পেয়েছেন?

রুনা খান: নাটকটির নাম ‘আহত পাখির গান’। এটা পরিচালনা করেছেন অরণ্য আনোয়ার। এতে আমার সহশিল্পী ছিলেন মাহফুজ আহমেদ ও প্রভা। এছাড়া আমি ধারাবাহিক নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্র ক্যাটাগরিতেও মনোনয়ন পেয়েছিলাম।

'হালদা' ছবির দৃশ্যে রুনা খান

এবার একটু ‘হালদা’র প্রসঙ্গে আসি। এই ছবিতে অভিনয় করে অনেক প্রশংসা পেয়েছেন। বিষয়টি কেমন লেগেছে?

রুনা খান: ‘হালদা’ এবং ‘ছিটকিনি’ একই দিনে মুক্তি পেয়েছে। তাই দুটি ছবিই আমার প্রথম ছবি। এর মধ্যে ‘হালদা’র জন্য এতো দর্শকের ভালোবাসা পেয়েছি, আমি সত্যিই আপ্লুত। ছবিতে আমার চরিত্রটি নিয়ে সহকর্মী, বন্ধু-বান্ধব এমনকি অনেক পরিচিত-অপরিচিত মানুষও প্রশংসা করেছেন। এজন্য আমি অনেক বেশি কৃতজ্ঞ সবার কাছে। একটি কাজ করার পর যখন সবার ভালোবাসা পাই, তখন নিজের পরিশ্রমকে সার্থক মনে হয় এবং মনের মধ্যে নিখাদ ভালোলাগা কাজ করে।

‘গহীন বালুচর’ তো মুক্তি পেলো। এটা নিয়ে কী বলবেন?

রুনা খান: এটা বদরুল আনাম সৌদের প্রথম ছবি। তিনি ইতোমধ্যে টেলিভিশন নাটকে কাজের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। দর্শকের মনে একটি বিশ্বাস তৈরি করতে পেরেছেন যে, তিনি একজন ভালো নির্মাতা। তো সেই পরিচালকের প্রথম ছবি নিয়ে আমরাও অনেক বেশি আশাবাদী। আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে কাজটা করেছি। এখন দর্শক হলে গিয়ে ছবিটি উপভোগ করলে আমাদের সবার চেষ্টা সার্থক হবে। তবে আমি এইটুকু বলতে পারি, যেটা ‘হালদা’র ক্ষেত্রেও বলেছিলাম, সেটা হচ্ছে ‘গহীন বালুচর’ হলে গিয়ে দেখলে দর্শক হতাশ হবেন না। হলে যে দুই ঘন্টা থাকবেন, তাদের ভালো সময় কাটবে বলে আমার বিশ্বাস।

'গহীন বালুচর' ছবির দৃশ্যে রুনা খান ও নীলাঞ্জনা

সংসার এবং নিয়মিত অভিনয় একসঙ্গে কীভাবে সামলে নিচ্ছেন?

রুনা খান: এই প্রসঙ্গে একটু বিস্তারিত বলি। পৃথিবীর সব মেয়েই বাবা-মার বাড়িতে আদর যত্নে থাকে। কিন্তু আমি হচ্ছি সেই সৌভাগ্যবতী, যে বাবার বাড়ি থেকে শ্বশুরবাড়িতে এসে আরও বেশি আদর-ভালোবাসা পাচ্ছি। তো আমার যেকোনও প্রাপ্তিতে সবচেয়ে বেশি আনন্দিত হন আমার মা এবং আমার স্বামী। আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ তাদের প্রতি যে, আমার কাজের প্রতি তাদের এতো ভালোবাসা। এমন সুন্দর সংসার পেয়ে সত্যিই আমি ভাগ্যবতী।

ধন্যবাদ আমাদের সময় দেয়ার জন্য

রুনা খান: আপনাকে এবং বাংলাদেশ জার্নালকেও ধন্যবাদ

কেআই/

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত