‘যারা নতুন বিয়ে করেছেন, আমাদের দেখে রোমান্টিক হয়ে গেছেন’
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৮ জুন ২০২৬, ২২:১৭

ছোট পর্দার দর্শকপ্রিয় ধারাবাহিক নাটক ‘এটা আমাদের গল্প’র সফল সমাপ্তি উদযাপন করা হলো জমকালো এক সাকসেস পার্টির মাধ্যমে। নাটকের এমন সাফল্যে উচ্ছ্বাস ও আবেগ ধরে রাখতে পারেননি এতে ‘মেহরিন’ চরিত্রে অভিনয় করে বাজিমাত করা জনপ্রিয় অভিনেত্রী কেয়া পায়েল। সম্প্রতি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নাটকটি নিয়ে নিজের ভালো লাগা, প্রাপ্তি এবং শুটিংয়ের দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই নাটকের পরিচালক রাফাত মজুমদার রিংকুর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে কেয়া পায়েল বলেন, ‘সবার প্রথমে আসলে ধন্যবাদ। রাজ ভাই (পরিচালক) হয়তো এত ধন্যবাদ পেয়েছেন যে ধন্যবাদের জায়গাটাই পূরণ হয়ে গেছে। সেখানে আমার জায়গা আছে কি না জানি না, তাও রাজ ভাইয়াকে অনেক ধন্যবাদ। থ্যাংক ইউ সো মাচ এত সুন্দর একটা ক্যারেক্টার আমাকে দেওয়ার জন্য। আমার মনে হয়, এটি আজীবন মনে রাখার মতো একটি চরিত্র। এখন কোথাও গেলে এই কাজটি নিয়ে কথা বলতে খুব ভালো লাগে। নিজের ভেতর একটা প্রাউড ফিল হয় যে, না আমি খুব ভালো একটি কাজ করেছি।’
পায়েলের কথায়, ‘নাটকের প্রতিটি এপিসোড এত সুন্দরভাবে মানুষের মাঝে জায়গা করে নিয়েছে যে, কোনো পর্বে মানুষ অনেক হেসেছে, আবার আমাদের রোমান্টিক দৃশ্যগুলো দেখে দর্শকেরা নতুন করে ভেবেছে। এমনকি যারা নতুন বিয়ে করেছেন, তারাও আমাদের দেখে কিছুটা রোমান্টিক হয়ে গেছেন! আর শেষ দিকের দুই-তিনটি পর্ব মানুষের হৃদয়কে এতটাই ছুঁয়ে গেছে যে, দর্শকেরা আবেগে কান্না করেছেন।’
পর্দায় সহশিল্পী খায়রুল বাসার (সামির) সঙ্গে নিজের রসায়ন নিয়ে এই অভিনেত্রী বলেন, ‘একজন শিল্পী হিসেবে এটাই তো আমাদের সবচেয়ে বড় পাওয়া। আমরা তো এটাই চাই যে, যে কাজটি আমরা করব, সেটি দর্শক খুব ভালোভাবে গ্রহণ করুক। এই নাটকের ক্ষেত্রে ঠিক সেটাই হয়েছে। আমার পাশে যে সামিরকে (চরিত্র) পেয়েছি, আমাদের এই জুটিটাকে মানুষ খুব সুন্দরভাবে গ্রহণ করেছে। সব মিলিয়ে ভীষণ ভালো রেসপন্স পেয়েছি।”
অভিনেত্রীর ভাষ্যে, ‘আজ এই পরিবারটাকে একসঙ্গে দেখে মনে হচ্ছে, ইস্! যদি আজকেই আমরা আরেকটি এপিসোডের শুটিং করে ফেলতে পারতাম! আমরা যেভাবে প্রতিদিন শুটিং করতাম, তাতে মনেই হতো না যে শুটিং করছি। দিনগুলো খুব মিস করি। প্রতি সপ্তাহে যখন এপিসোড রিলিজ হতো, মানুষ আমাদের জিজ্ঞেস করত আপু, এরপরে কী হবে? এই কৌতুহল আর ভালোবাসাগুলো এখন খুব মিস করি। জীবনে তো অনেক কাজই করব, তবে এই কাজটি একচুয়ালি অনেক বেশি আলাদা এবং মনে রাখার মতো।’
বাংলাদেশ জার্নাল/এসআইপি










