ঢাকা, রোববার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে
শিরোনাম

অস্কারজয়ী অভিনেত্রী ব্রেন্ডা ফ্রিকার আর নেই

  বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ : ১৮ জুলাই ২০২৬, ২২:০৬  
আপডেট :
 ১৮ জুলাই ২০২৬, ২২:২৫

অস্কারজয়ী অভিনেত্রী ব্রেন্ডা ফ্রিকার আর নেই
ছবি: সংগৃহীত

অস্কারজয়ী আইরিশ অভিনেত্রী ব্রেন্ডা ফ্রিকার মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮১ বছর।

১৯৮৯ সালের ‘মাই লেফট ফুট’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি অস্কার পেয়েছিলেন।

বিবিসি লিখেছে, অভিনেত্রীর মৃত্যুর খবর এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে তার এজেন্ট ফিল বেলফিল্ড।

তিনি বলেছেন, “আমরা তার মত মানুষ আর কখনোই পাব না। তার চলে যাওয়ায় বিশ্ব এক গুণী মানুষকে হারাল। তাকে জানা, ভালোবাসা এবং তার সঙ্গে কাজ করতে পারাটা আমাদের জন্য সম্মানের ছিল। বিশ্বজুড়ে চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ভক্তদের হৃদয়ে তিনি সবসময় বেঁচে থাকবেন।”

১৯৮৯ সালের ‘মাই লেফট ফুট’ সিনেমায় ড্যানিয়েল ডে-লুইসের মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন ব্রেন্ডা ফ্রিকার। এই অনবদ্য অভিনয়ের জন্য ১৯৯০ সালে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী হিসেবে অস্কার জেতেন তিনি। এর মাধ্যমে প্রথম আইরিশ অভিনেত্রী হিসেবে অস্কার পাওয়ার ইতিহাস গড়েন তিনি। সে বছর এই পুরস্কারের দৌড়ে তিনি জুলিয়া রবার্টস ও অ্যাঞ্জেলিকা হাস্টনের মত হলিউড তারকাদের পেছনে ফেলেন।

এছাড়া ১৯৯২ সালের সিনেমা ‘হোম অ্যালোন ২’ এ সেন্ট্রাল পার্কের গৃহহীন নারীর চরিত্রে অভিনয় করে তিনি বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পান।

‘ক্যাজুয়ালটি’ সিরিজে ব্রেন্ডার সহশিল্পী ডেরেক থম্পসন বিবিসি নিউজকে বলেন, “আমি আমার ক্যারিয়ারে অনেক অভিনয়শিল্পীর সঙ্গে কাজ করেছি, তবে ব্রেন্ডা ছিলেন আমার দেখা সেরা সহকর্মী।”

একই সিরিজের আরেক সহ-অভিনেত্রী ক্যাথি শিপটন বলেন, “আমার দেখা সবচেয়ে খাঁটি ও সৎ মানুষদের একজন ছিলেন তিনি। জীবনের সব চড়াই-উতরাই তিনি সাহসের সঙ্গে মোকাবিলা করেছেন। তার রসবোধ ও বুদ্ধিমত্তার জন্য আমি তাকে ভালোবাসতাম।”

ডাবলিনে জন্ম নেওয়া ব্রেন্ডা ফ্রিকার ১৯৬০ এর দশকে আয়ারল্যান্ডের প্রথম সোপ অপেরা ‘টোলকা রো’ দিয়ে অভিনয় জীবন শুরু করেন। এরপর ১৯৭৭ সালে আইটিভির ‘করোনেশন স্ট্রিট’ এবং ১৯৭৮ সালে ‘লিকিং হিটলার’ নাটকে অভিনয় করেন তিনি।

‘মাই লেফট ফুট’ ও ‘হোম অ্যালোন ২’ ছাড়াও ব্রেন্ডা ফ্রিকার বেশ কিছু আলোচিত চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। এ তালিকায় রয়েছে ‘সো আই ম্যারেড অ্যান এক্স মার্ডারার’ (১৯৯৩), ‘অ্যাঞ্জেলস ইন দ্য আউটফিল্ড’ (১৯৯৪), ‘এ টাইম টু কিল’ (১৯৯৬) ও ‘ভেরোনিকা গুয়েরিন’ (২০০৩)।

বাংলাদেশ জার্নাল/এসআইপি

  • সর্বশেষ
  • পঠিত