ঢাকা, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২০, ৪ কার্তিক ১৪২৭ আপডেট : ৯ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৪:১৮

প্রিন্ট

বিশ্ব পর্যটন দিবস আজ

বিশ্ব পর্যটন দিবস আজ
প্রতীকী ছবি
নিজস্ব প্রতিবেদক

আজ বিশ্ব পর্যটন দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশেও বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হচ্ছে। এ বছর ‘গ্রামীণ উন্নয়নে পর্যটন’—প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সারাদেশে ‘বিশ্ব পর্যটন দিবস’ পালিত হচ্ছে।

১৯৮০ সাল থেকে জাতিসংঘের বিশ্ব পর্যটন সংস্থার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে এ দিবস পালিত হয়ে আসছে। জাতিসংঘের বিশ্ব পর্যটন সংস্থা এ বছর দিবসটির মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছে ‘পর্যটন ও গ্রামীণ উন্নয়ন’। দিবসটির প্রধান উদ্দেশ্য পর্যটন নিয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উপযোগিতাকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া।

অন্যান্য বছর নানা আয়োজনে এ দিবস পালিত হলেও এবার করোনাভাইরাস মহামারির কারণে অনলাইন আলোচনা ছাড়া কোনও আয়োজন নেই।

করোনার প্রথম আঘাতই আসে পর্যটন খাতে। আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ সব ধরনের পর্যটন বন্ধ হয়ে পড়ে শুরু থেকেই। ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টোয়াব) দাবি, করোনার কারণে কমপক্ষে ৫ হাজার ৭০০ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার পথে।

ক্ষতিগ্রস্ত পর্যটন শিল্পকে চাঙা করতে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড পর্যটন অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে ইতোমধ্যে একটি রিকভারি প্ল্যান তৈরি করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত শিল্পগুলোর জন্য প্রধানমন্ত্রী যেসব প্রণোদনা ঘোষণা দিয়েছেন, তার মধ্যে পর্যটনশিল্পও অন্তর্ভুক্ত।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী বলেন, ‘আমরা এগিয়ে যাবো, এ জন্য সবার সহযোগিতা দরকার। আমরা সর্বস্তরের মানুষকে পর্যটনে সম্পৃক্ত করে পর্যটন শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাবো। স্বাস্থ্যবিধি মেনে পর্যটন শিল্পকে পরিচালনা করার জন্য স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর প্রণয়ন করা হয়েছে।’

গ্রামীণ উন্নয়ন প্রসঙ্গে মাহবুব আলী বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রকৃত সৌন্দর্য লুকিয়ে আছে প্রতিটি গ্রামে। বাংলাদেশের গ্রামে গ্রামে জড়িয়ে আছে নানা ঐতিহ্য। গ্রামের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়নে জনসাধারণকে পর্যটন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার জন্য আমরা কাজ করছি। সচেতনতা তৈরির জন্য বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড কর্মশালা করছে।’

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তারা এ বছর বিশ্ব পর্যটন দিবসের প্রতিপাদ্য ‘গ্রামীণ উন্নয়নে পর্যটন’কে অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে বলে মন্তব্য করেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশে পর্যটনশিল্পের বিকাশে অফুরন্ত সম্ভাবনা রয়েছে। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে দেশের পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের পাশাপাশি গ্রামীণ জনগোষ্ঠীকে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দিতে হবে। একই সাথে বিশ্বদরবারে দেশের পর্যটন শিল্পকে কার্যকরভাবে তুলে ধরার উপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোক্তাদের স্বতস্ফুর্তভাবে এগিয়ে আসার উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকারের উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় অদম্য বাংলাদেশের অন্যতম এজেন্ডা ‘গ্রাম হবে শহর’ যা এ বছর জাতিসংঘ বিশ্ব পর্যটন সংস্থা কর্তৃক ঘোষিত প্রতিপাদ্যের সাথে অত্যন্ত সংগতিপূর্ণ। পর্যটন বিশ্বে শ্রমঘন এবং সর্ববৃহৎ শিল্প হিসেবে স্বীকৃত।

বাংলাদেশ জার্নাল/এইচকে

আরো পড়ুন:

> শুভ জন্মদিন গুগল

> এক ছাত্রলীগের দুই রূপ!

> ২৭ সেপ্টেম্বর ঘটে যাওয়া নানান ঘটনা

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত