ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২০, ১ শ্রাবণ ১৪২৭ আপডেট : ২ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ২৮ জুন ২০২০, ০৮:৩৩

প্রিন্ট

ভদ্রতার মুখোশ পরে তিতুমীরকে অপবিত্র করেছিল জেকেজি

ভদ্রতার মুখোশ পরে তিতুমীরকে অপবিত্র করেছিল জেকেজি
মালেকা আক্তার চৌধুরী

আলো - আঁধারির ধোঁয়াশা কাটিয়ে অবশেষে দিবালোকের মতোই সত্য উদ্ভাসিত হয়েছে। উন্মোচিত হয়েছে স্বাস্থ্যসেবার নাম করে জেকেজির (জোবেদা খাতুন সার্বজনীন স্বাস্থ্য সেবা) রহস্যময় কর্মকাণ্ড। তিতুমীরের ছায়াঘেরা সবুজ আঙিনা অভিশাপমুক্ত হয়েছে, মানসিক দায়মুক্তি ঘটেছে তিতুমীর প‌্রশাসনের সেইসাথে বৃহত্তর তিতুমীর পরিবার আনন্দের সাথে বুকভরে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলারও সুযোগ পেয়েছেন।

তথাকথিত জেকেজি হেলথ কেয়ার কর্তৃক করোনাভাইরাসের নমুনা সংগ‌্রহ ও শনাক্তকরণের বহুমাত্রিক বাণিজ্যিক বিষয়ের নোংরা অনৈতিক কর্মের ফিরিস্তি এখন সংবাদমাধ্যমে - প‌্রিন্টমিডিয়া - ইলেকট্রনিক মিডিয়া ছাপিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুখরোচক আলোচনার কেন্দ‌্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

পুরো বিশ্ব যেখানে মৃত্যুর বিভীষিকাময় বিষাদগ‌্রস্ত পৃথিবীর অসহায়ত্ব প‌্রতিমুহূর্তে অবলোকন করছে সেখানে জেকেজি হেলথ কেয়ারের প‌্রধান নির্বাহী জনাব আরিফুল হক চৌধুরী এবং তার সহধর্মিণী ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী (কার্ডিওলজিষ্ট) ভদ‌্রতার মুখোশ পরে সাধারণ মানুষকে দিনের পর দিন ঠকিয়ে গিয়েছেন, ফেঁদেছেন প‌্রতারণার সূক্ষ্ম ফাঁদ। সর্বগ‌্রাসী করোনাকালের নোংরা কপট বাণিজ্যের বেসাতি গড়েছেন। অভয়াশ‌্রম তৈরি করেছিলেন পবিত্র শিক্ষাঙ্গনের সবুজ চত্বরটিতে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক আদেশ বলে কলেজের সম্মানিত অধ্যক্ষ মহোদয় প‌্রফেসর মো. আশরাফ হোসেনকে সেবার মানসে উদ্বুদ্ধ করে আস্তানা গেড়ে ছিলেন তিতুমীরে। করোনার নমুনা সংগ‌্রহ ও প‌্রশিক্ষণের নামে ১৭৫ জন বা তারও অধিক স্বাস্থ্যকর্মীর জন্য একে একে কব্জা করেছেন কলেজের নির্মাণাধীন ভবন থেকে শুরু করে অডিটোরিয়ামসহ অন্যান্য ভবন। বিচরণ ক্ষেত্র ছিলো অবাধ - অনিয়ন্ত্রিত।

আরো পড়ুন: সেবা দিতে এসে সংঘাতে জড়ালো জোবেদা খাতুন হেলথ কেয়ার

লকডাউনের দীর্ঘ সময়টাতে কলেজ কর্তৃপক্ষের আড়ালে ভেতরে ভেতরে ক্যাম্পাসকে বিনোদন ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহার করেছেন, বিরক্তির কারণ হয়েছেন এলাকাবাসীর। স্বাস্থ্যকর্মীদের বিনোদন কার্যে ব্যবহৃত হয়েছে ৬০টি (ষাট) এল ই ডি টিভি, ১২টি ডাবল সাউন্ড বক্স।

কলেজের অধ্যক্ষ মহোদয় প‌্রফেসর মো. আশরাফ হোসেন পেন্ডেমিক পরিস্থিতির ভয়াবহতা উপলদ্ধি করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তথাকথিত স্বাস্থ্যকর্মীদের সর্বোচ্চ সুবিধা প‌্রদান করা সত্ত্বেও গত ০২ জুন ২০২০ তারিখে গভীর রাতে নারীঘটিত একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের সহায়তায় এবং জেকেজির সিইও এবং তার সহধর্মিণী ডা. সাবরিনা আরিফের নির্দেশ মতো ক্যাম্পাসে বসবাসরত ঘুমন্ত নিরীহ কর্মচারীদের ওপর মধ্যযুগীয় কায়দায় হামলা চালানো হয়। আহত কর্মচারীদের বাইরে বেরোনোর কোনো সুযোগ না থাকায় এবং বাইরে থেকে প‌্রবেশ নিষিদ্ধ থাকায় ভেতরে যেতে পারছিলেন না তিতুমীরের হোস্টল সহকারী এবং সহকারী শিক্ষক জনাব আল নূর। অবশেষে ভেতরে অবস্থানরত পুলিশ সদস্যদের সহায়তায় ঢাকা মেডিকেল এবং পঙ্গু হাসপাতালে তাদের পৌঁছানো হয়। আহত কর্মচারীরা আজও সেই ক্ষত নিজেদের দেহে বহন করে চলেছেন। উপরন্ত কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আনা হয় নানা রকম কুরুচিপূর্ণ অভিযোগ যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং মর্যাদা হানিকর। সে রাতের বর্বরোচিত হামলা ২৫ মার্চের কালোরাত্রিকে মূলতঃ স্মরণ করিয়ে দেয়। কলেজের মূল ফটকের বাইরে অবস্থানরত সাধারণ জনতা, এলাকাবাসী, গণমাধ্যমকর্মীরাও বিষয়টি প‌্রত্যক্ষ করেছেন।

আরো পড়ুন: স্বামী স্ত্রীর আজব কারবার!

ঘটনার দিন সকালে কলেজ প‌্রশাসনসহ সাধারণ শিক্ষকবৃন্দ কলেজে উপস্থিত থাকলেও জেকেজির পক্ষ থেকে অধ্যক্ষ মহোদয়কে কিছু জানাবার প‌্রয়োজন মনে করেননি তারা। উল্টো হামলার রাতে জেকেজি পাল্টা মিথ্যে অভিযোগ এনে রাজপথের দখল নেয়। ঘটনার দিন কলেজ ক্যাম্পাসে বিকেল নাগাদ জেকেজির চেয়ারম্যান খ্যাত ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী উপস্থিত থেকেও অধ্যক্ষ মহোদয়ের আহ্বানে তার অফিসে আসেননি ব্যক্তিগত নিরাপত্তার ধুঁয়া তুলে। উপরন্ত বিষয়টির সহজ সমাধানের লক্ষ্যে অধ্যক্ষ স্যারের সাথে উপাধ্যক্ষ প‌্রফেসর ড. মোসাঃ আবেদা সুলতানাসহ আমরা এগিয়ে গেলেও ডা. সাবরিনা অধ্যক্ষ মহোদয়ের অফিসে সৌজন্যবশতঃও আসেননি। ঘটনাটি উপস্থিত সকলকে আহত এবং বিব‌্রত করেছিলো।

হামলার ঘটনা সম্পর্কে জানতে কিছু গণমাধ্যমকর্মী ক্যাম্পাসে এলেও তারা ডাঃ সাবরিনার সাথে কথা বলেই ফিরে গিয়ে ভুল বিষয়টিকে হাইলাইটস করে রির্পোট করেছেন আর যারা অধ্যক্ষ মহোদয়ের অফিসে এসে বিস্তারিত জেনেছেন তারাও সেভাবে কোনো প‌্রতিক্রিয়া দেখাননি। অধ্যক্ষ মহোদয় প‌্রফেসর মোঃ আশরাফ হোসেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সকলকে বিষয়টি অবহিত করেছেন। কলেজে এসেছিলেন বনানী জোনের ডিসি বাবু সুদীপ কুমার চক্রবর্তীসহ এসি এবং ওসি নূরে আজম। তাদের পরামর্শ অনুযায়ী বনানী থানায় একটা সাধারণ ডায়েরিও করা হয়েছে।

হামলার ঘটনাকে জেকেজির পক্ষে টেনে বৈধতা দেবার মানসে ৭১ টিভিতে সেদিন রাত ১২টার পরে সম্মানিত অধ্যক্ষ মহোদয়ের নির্দেশক্রমে শিক্ষক প‌্রতিনিধি হিসেবে আমাকে যুক্ত করা হয়েছিলো। কিন্ত বড়ো দুঃখের সাথে জানাতে হচ্ছে, সেদিন সংবাদ পরিবেশক জনাব মিথিলা ফারজানা আমাকে আমার অবস্হানটি পরিষ্কার করার কোনো সুযোগ না দিয়েই শেষ কথাগুলোতেও মাইক্রোফোনটি আর চালু রাখা হয়নি। আমার উচ্চারিত ‘বিচ্যুতি’ কথাটিকে তিনি আমার দিকেই প‌্রশ্নবিদ্ধ তীর হিসেবে নিক্ষেপ করেছিলেন। জনাব মিথিলা ফারজানা, আমি আমার গত লিখাটিতেই বলেছিলাম, পূর্ণ দায়িত্ব নিয়েই আমি ‘বিচ্যুতি’ শব্দটি ব্যবহার করেছি।

আরো পড়ুন: তিতুমীরে থাকা জেকেজির কর্মীরাও করোনার ভুয়া রিপোর্ট দিত?

তেজগাঁও থানা পুলিশের অভিযানে জোবেদা খাতুন স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ‌্রের প‌্রধান নির্বাহী জনাব আরিফ চৌধুরী এখন গ‌্রেপ্তার হয়ে রিমান্ডে আছেন। সংবাদ মাধ্যমে জানা যায়, জনাব আরিফ চৌধুরীর সাথে গ‌্রেপ্তার হয়েছেন তার আরো পাঁচ সহযোগী। জেকেজির সাবেক স্বাস্থ্যকর্মী এবং গ‌্রাফিক্স ডিজাইনার জনাব হুমায়ুন কবীর এবং তার স্ত্রী জনাব তানজীনা পাটোয়ারীর দেয়া তথ্যে সারাদেশে, গণমাধ্যমে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

কেঁচো খুঁড়তে সাপ বেরিয়ে আসছে। জব্দ করা হয়েছে ল্যাপটপ, ডেস্কটপ, ভুয়া সনদপত্র, স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরঞ্জামসহ মাদকদ্রব্যও। সরকারি কোনো নির্দেশনা না থাকলেও নমুনা সংগ‌্রহে স্বাস্থ্যকর্মীরা হাতিয়ে নিয়েছেন হাজার হাজার টাকা। অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে, সংগৃহীত নমুনা ফেলে দিয়ে মিথ্যে মনগড়া রির্পোট তৈরি করে সেটিও সরবরাহ করেছেন অর্থের বিনিময়ে কথিত জেকেজি হেলথ কেয়ার।

ক্ষতি করেছেন দেশের, সমাজের, সেবা নিতে আসা অসংখ্য অসহায় রোগীদের। নেগেটিভ - পজিটিভ করে সজ্ঞানে সামাজিক সংক্রমণ বাড়িয়ে অধিকতর স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ফেলেছেন সমাজের আতঙ্কিত মানুষদের। এ দায় জেকেজির কর্তাব্যক্তিগণ এড়াতে পারেন না। বাড়ি বাড়ি গিয়ে অর্থের বিনিময়ে ইচ্ছেমতো টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন নমুনা সংগ‌্রহ এবং শনাক্তের নামে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নামে ক্ষমতার অপব্যবহার করে জনাব আরিফ চৌধুরী অফিস - আদালতসহ সমাজের বিভিন্ন স্তরে কার্যোদ্ধার করেছেন বলেও কথিত রয়েছে , সংবাদেও প‌্রকাশিত হয়েছে।

দেশে এতো নামকরা ভাইরোলজিস্ট - এপিডেমিওলজিস্ট থাকতে জেকেজি কাউকেই এই সংস্হাটির সাথে সম্পৃক্ত করেননি। সংশ্লিষ্ট ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াই চলেছে এসব উদ্ভট সব কার্যক্রম।

আরো পড়ুন: করোনায় সেবার নামে প্রভাব বিস্তার, ভুয়া পরীক্ষার সনদ

কোভিড -১৯ সংক্রমণের শুরুতে সারাদেশে সরকারি হাসপাতালগুলোতে সম্মুখযোদ্ধাদের জন্য পিপিইসহ স্বাস্থ্য সুরক্ষার সরঞ্জামাদির সংকট থাকলেও ডা. সাবরিনা আরিফ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে নিজের চাহিদা অনুযায়ী স্বাস্থ্য সুরক্ষার সরঞ্জাম নিয়ে এসেছেন। প‌্রতারিত করেছেন সরকারকে, দেশের মানুষকে। বাংলাদেশ সরকার এবং সরকার প‌্রধান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা যেখানে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্বাস্থ্য সুরক্ষাসহ জীবন জীবিকার প‌্রতিটি স্তরে নিরলসভাবে মনিটরিং করে জনগণকে আশ্বস্ত করছেন সেখানে মহামারীর এমন ক্রান্তিকালে দেশ - জাতির সাথে এমন প‌্রতারণা মেনে নেয়া যায় না।

জানা যায়, তেজগাঁও থানা হাজতে জনাব আরিফ চৌধুরী পুলিশ সদস্যদের কাছে ‘ইয়াবা’ চেয়ে তার মাদকাসক্তির স্পষ্ট রুপটাকেও সামনে এনেছেন। ভেঙেছেন থানার গ্লাস, সিসিটিভিও। খবরে দেখা গেছে, জনাব আরিফের উদ্ধত- সন্ত্রাসী জনতা তেজগাঁও থানাতেও হামলা চালিয়েছে।

সরকারি বিধি অনুযায়ী, সরকারি কোনো কর্মকর্তা চাকুরীরত অবস্হায় বেসরকারি কোনো পদে বা কর্মকাণ্ডে সরকারের পূর্বানুমতি ব্যতিরেকে জড়িত থাকতে পারবেন না, অথচ ডা. সাবরিনা অনায়াসে জেকেজি হেলথ কেয়ারের চেয়ারম্যান পদে বহাল রয়েছেন দিনের পর দিন। তিতুমীরের সাংবাদিক সদস্যসহ অন্যান্য গণমাধ্যমকর্মী ডাঃ সাবরিনার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অসত্য এবং অসংলগ্ন তথ্যদানপ‌ূর্বক জনাব আরিফ চৌধুরী এবং জেকেজির সাথে সব সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন বলেও জানিয়েছেন কিন্ত প‌্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, তিতুমীরের হামলা ঘটনার সপ্তাহখানেকের মধ্যেই খোদ তিতুমীর প‌্রাঙ্গনেই জেকেজির সিইও ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরীর স্বামী জনাব আরিফ চৌধুরীর ঘটা করে জন্মদিন পালন করা হয়।

উল্লেখ্য, তিনি জন্মদিনের কেক পাঠিয়েছেন তিতুমীর কলেজকেও।

জেকেজির নানামুখী অপকর্ম ও বিব‌্রতকর পরিস্থিতির মুখে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক প‌্রফেসর ডাঃ নাসিমা সুলতানা ২৪ জুন এক আদেশ বলে জেকেজির অনুমোদন বাতিল করার নির্দেশ দেন। একইভাবে নারায়নগঞ্জের জেলা সিভিল সার্জন মো. ইমতিয়াজ জেকেজির সিইও জনাব আরিফ চৌধুরীর গ‌্রেপ্তারের ঘটনায় কথিত স্বাস্থ্যসেবা প‌্রতিষ্ঠানটি বন্ধ ঘোষণা করেন। জেকেজির সিইও -র এহেন হামলা মামলার ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে তথাকথিত স্বাস্থ্যসেবাকর্মীরা রাতারাতি তিতুমীর কলেজ থেকে পালিয়ে গিয়েছেন।

এ ব্যপারে কলেজের অধ্যক্ষ মহোদয় এবং সংশ্লিষ্ট বনানী থানার পুলিশ কর্মকর্তারাও কিছু জানেন না বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন। বিষয়টির সত্যতা অধিকতর নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট মহল আরো অধিক যত্নশীল হবেন বলেই দেশবাসী বিশ্বাস করেন। ঘটনার যথাযথ তদন্তসাপেক্ষে প‌্রয়োজনীয় ব্যবস্হা গ‌্রহণ এখন সময়ের দাবি। জাতির চরম দুর্দিনে কোনো বিবেকবান মানুষের কাছেই এমনটি প‌্রত্যাশিত নয়।

লেখক: অধ্যাপক দর্শন বিভাগ ও শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক, সরকারি তিতুমীর কলেজ​।

মালেকা আক্তার চৌধুরীর আরও লেখা:

> নিজ ঘরে ‘পরবাসী’ তিতুমীর পরিবার

> হাসপাতালে ঘুরে ঘুরে বেদনার মৃত্যু

প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। এই লেখার জন্য বাংলাদেশ জার্নাল কর্তৃপক্ষ কোনো দায় নেবে না।

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত
best