ঢাকা, শুক্রবার, ১৪ মে ২০২১, ৩১ বৈশাখ ১৪২৮ আপডেট : ১৪ মিনিট আগে

প্রকাশ : ১১ এপ্রিল ২০২১, ১২:৫৫

প্রিন্ট

মামুনুলের কথিত দ্বিতীয় স্ত্রী ঝর্ণা নিখোঁজ

মামুনুলের কথিত দ্বিতীয় স্ত্রী ঝর্ণা নিখোঁজ
ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ন মহাসচিব ও ঢাকা মহানগরীর মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের কথিত দ্বিতীয় স্ত্রী জান্নাত আরা ঝর্ণার খোঁজ পাচ্ছেন না বলে জানিয়েছে তার পরিবার।

এমন তথ্য জানিয়ে শনিবার (১০ এপ্রিল) রাতে পল্টন থানায় তার ছেলে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। তাতে এই তরুণ বলেছেন, গত ৩ এপ্রিল থেকে মায়ের খোঁজ পাচ্ছেন না তিনি। তিনি নিজের নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কিত।

এ বিষয়ে পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর সিদ্দিক বলেন, জিডির ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে।

গত ৩ এপ্রিল এক নারীকে নিয়ে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রয়্যাল রিসোর্টে অবকাশ যাপনের সময় স্থানীয় একদলের হাতে অবরুদ্ধ হন হেফাজতে ইসলাম নেতা মামুনুল হক। খবর পেয়ে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারাও সেখানে গিয়েছিলেন। পরে হেফাজতের কর্মীরা গিয়ে তাদের ছাড়িয়ে নিয়ে যায়।

সেখানে মামুনুল দাবি করেন, ওই নারী তার দ্বিতীয় স্ত্রী। তবে তা নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। ঘটনার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় মামুনুল এবং ওই নারীর কথোপকথনের প্রায় এক ডজন অডিও-ভিডিও ফাঁস হয়েছে।

যে নারীর ছেলে জিডি করেছেন, ওই নারীই সেদিন সোনারগাঁওয়ে মামুনুলের সঙ্গে ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার সৈয়দ নুরুল ইসলাম।

নানা আলোচনার মধ্যে হেফাজত নেতা মামুনুল সম্প্রতি লাইভে এসে বলেন, তালাকপ্রাপ্ত ওই নারীকে তিনি বিয়ে করেছেন।

জিডির ব্যাপারে ওসি আবু বকর বলেন, তার ছেলে বলছেন, তার মা গত ৩ এপ্রিল ধানমন্ডির নর্থ সার্কুলার রোডের বাসা থেকে বেরিয়ে যাওয়ায় পর থেকে তার খোঁজ আর পাচ্ছেন না তিনি।

আগে সন্তানদের সঙ্গে কথা বললেও গত তিন-চার দিন ধরে তাদের সঙ্গে কথা বলছেন না ঝর্ণা। তবে কেরানীগঞ্জের একটি বাসায় বসবাস করছেন বলে একটি খবর এলেও সে সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

মায়ের কক্ষে তিনটি ডায়েরি পাওয়ার কথা জানিয়ে এই তরুণ বলেছেন, সেগুলো নিয়ে বের হওয়ার পর কয়েকজন অপরিচিত ব্যক্তি তাকে অনুসরণ করছে বলে তিনি বুঝতে পারেন। তাতে তিনি নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত বোধ করছেন।

ওসি বলেন, ‘ডায়েরিগুলো রেখে তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। বিষয়টির তদন্ত চলছে।’

জান্নাত আরা ঝর্ণা দীর্ঘদিন ধরে নর্থ সার্কুলার রোডের ওই বাসার চতুর্থ তলায় সাবলেট থাকতেন। অবিবাহিত পরিচয়ে জান্নাত আট-নয় মাস ধরে তাদের বাসায় সাবলেট রয়েছেন। সর্বশেষ প্রায় আট দিন আগে গত শনিবারের আগের শনিবার তিনি বাসায় ছিলেন। আগে পার্লারে চাকরি করতেন ঝর্ণা। তবে কিছুদিন আগে হঠাৎ চাকরি ছেড়ে দিয়েছিলেন। ঝর্ণা বাড়ির মূল ভাড়াটিয়া সালমা খানমের কাছ থেকে সাবলেট নিয়েছিলেন। তদন্তকারী কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছেন।

আরো পড়ুন

স্ত্রীকে খুশি করতে সত্য গোপন করা যায়

বাংলাদেশ জার্নাল/ওয়াইএ

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত