ঢাকা, শুক্রবার, ০৭ মে ২০২১, ২৪ বৈশাখ ১৪২৮ আপডেট : ৮ মিনিট আগে

প্রকাশ : ১১ এপ্রিল ২০২১, ১৯:৪৩

প্রিন্ট

শান্ত দ্রাবিড়ের রুদ্রমূর্তি দেখেছিলেন ধোনি!

শান্ত দ্রাবিড়ের রুদ্রমূর্তি দেখেছিলেন ধোনি!

স্পোর্টস ডেস্ক

ক্যামেরার সামনে মেজাজ হারাতে দেখা গেছে শান্তশিষ্ট রাহুল দ্রাবিড়কে। তারপরে সেই বিজ্ঞাপণের ভিডিও ভাইরাল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। প্রশ্ন উঠেছে, দ্রাবিড় কি বাস্তবে কোনোদিন মেজাজ হারিয়েছেন? সেই ঘটনাই এবার জানালেন স্বয়ং শেবাগ। বলে দিলেন, ধোনির ওপর একবার ক্ষেপে গিয়েছিলেন দ্রাবিড়।

দ্রাবিড়ের বহু আলোচিত বিজ্ঞাপণের ভিডিওর প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে শেবাগ এক ঘটনার কথা প্রকাশ করেছেন। সেই সময় জাতীয় দলে নবাগত ছিলেন ধোনি। সেই আনকোরা ধোনিকেই মেজাজ ঝেড়েছেন দ্রাবিড়।

ক্রিকবাজের এক ভিডিওতে শেবাগ আশিস নেহেরাকে বলেন, 'আমি নিজে দ্রাবিড়কে মেজাজ হারাতে দেখেছি। সেই সময় আমরা পাকিস্তানে ছিলাম। ধোনি তখন জাতীয় দলে একদম নতুন। ধোনি একটা ভুল শট খেলে পয়েন্টে ক্যাচ তুলে আউট হয়েছিল গিয়েছিল। দ্রাবিড় সেই কারণে ব্যাপক রেগে গিয়েছিল ওর ওপর। ‘তুমি কি এভাবেই খেল? ম্যাচটা ফিনিশ করে আসা উচিত ছিল তোমার! দ্রাবিড়ের মুখ থেকে ইংরেজির ফুলঝুরি শুনে আমি আশ্চর্য হয়ে গিয়েছিলাম। এর অর্ধেক আমিও বুঝতে পারিনি।'

এরপরে সেই ঘটনা ব্যক্ত করে শেবাগ আরো জানান, 'পরে যখন ধোনি ব্যাট করতে নেমেছিল, দেখলাম ও খুব বেশি আক্রমণাত্মক শট খেলছে না। আমি ওর কাছে গিয়ে কোনো সমস্যা হচ্ছে কিনা জানতে চাই। ও তখন জানায়, দ্রাবিড়ের কাছ থেকে বকা খেতে ও আর চায় না। ‘আমি আস্তে আস্তে ম্যাচ ফিনিশ করে তবে যাব’, জানায় ও।'

সেই আলোচনাতেই শেবাগ জানান, ধোনি কি কখনো ফোন কলের রিপ্লাই দেন কিনা। শেবাগ জানান, তৎকালীন বোর্ড সচিব ধোনিকে একটা বিশেষ ফোন উপহার দিয়েছিলেন। যা কেবলমাত্র সরকারি যোগাযোগের জন্যই ব্যবহার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে ব্যক্তিগত ফোনে ধোনিকে কখনই পাওয়া যায় না।

যাইহোক, ক্রেড এর বিজ্ঞাপনে দ্রাবিড় কার্যত বাকরুদ্ধ করে দিয়েছেন ক্রিকেট ভক্তদের। ১৫ সেকেন্ডের কম ভিডিওতে দ্রাবিড়কে দেখা গিয়েছে, বেঙ্গালুরুর ট্র্যাফিক জ্যামে আটকে অগ্নিশর্মা হয়ে উঠতে। পাগলের মত পাশের গাড়ির কাচ ভাঙা, কফি ছোঁড়া- কী করেননি তিনি!

সেই বিজ্ঞাপন যিনি পরিচালনা করেছেন আয়াপ্পা কেএম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে জানিয়েছেন, 'এরকম প্রতিক্রিয়া দেখে আমরা অভিভূত। দ্রাবিড়ের চরিত্রের কালো দিক আমরা তুলে ধরেছি যার সম্ভবত অস্তিত্বই নেই।'

বাংলাদেশ জার্নাল/টিআই

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত