ঢাকা, মঙ্গলবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২০, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ আপডেট : ৪ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ২৬ অক্টোবর ২০২০, ১৬:৫৪

প্রিন্ট

হাজী সেলিমের ছেলের বাসায় যা পেলো র‌্যাব

হাজী সেলিমের ছেলের বাসায় যা পেলো র‌্যাব
জার্নাল ডেস্ক

নৌবাহিনী অফিসারকে মারধরের মামলায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৩০নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও ঢাকা -৭ আসনের এমপি হাজী সেলিমের ছেলে মোহাম্মদ এরফান সেলিমকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

র‌্যাব সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, শুধু গতকালের ঘটনা নয় সাম্প্রাতিক কিছু বিষয় নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ ও অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

এর আগে র‌্যাবের একটি দল হাজী সেলিমের ছেলেকে গ্রেপ্তার করতে তার বাসায় তল্লাশি চালায়।

অভিযান পরিচালনা করছেন র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম। এরই মধ্যে হাজী সেলিমের ছেলে মোহাম্মদ এরফান সেলিম বাসা থেকে বিপুল পরিমানের অবৈধ মালামাল ও বিদেশি মদ উদ্ধার করেছে র‌্যাব।

সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) সাজ্জাদুর রহমান জানিয়েছিলেন, হাজী সেলিমের ছেলে মোহাম্মদ এরফান সেলিমসহ এজাহারভুক্ত আসামিদের খুঁজছে পুলিশ।

রোববার (২৫ অক্টোবর) রাতে ঢাকা-৭ আসনের এমপি হাজী মোহাম্মদ সেলিমের ‘সংসদ সদস্য’ লেখা সরকারি গাড়ি থেকে নেমে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিফ আহমেদ খানকে মারধর করা হয়। রাতে এ ঘটনায় জিডি হলেও আজ (সোমবার) ভোরে হাজী সেলিমের ছেলেসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। রাজধানীর কলাবাগান সিগন্যালের পাশে এ ঘটনা ঘটে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, এরফানের গাড়ি ওয়াসিফকে ধাক্কা মারার পর তিনি সড়কের পাশে মোটরসাইকেলটি থামিয়ে গাড়ির সামনে দাঁড়ান এবং নিজের পরিচয় দেন। তখন গাড়ি থেকে আসামিরা একসঙ্গে বলতে থাকেন, ‘তোর নৌবাহিনী/সেনাবাহিনী বের করতেছি, তোর লেফটেন্যান্ট/ক্যাপ্টেন বের করতেছি। তোকে এখনি মেরে ফেলব’ বলে কিল-ঘুষি মারেন এবং আমার স্ত্রীকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন।

‘তারা আমাকে মারধর করে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে যায়। পরে আমার স্ত্রী, স্থানীয় জনতা এবং পাশে ডিউটিরত ধানমন্ডি থানার ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তা আমাকে উদ্ধার করে আনোয়ার খান মডার্ণ হাসপাতালে নিয়ে যায়।’

মামলায় মোট পাঁচটি ফৌজদারি অপরাধের ধারার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। অপরাধগুলো হলো- দণ্ডবিধি ১৪৩ অনুযায়ী বেআইনি সমাবেশের সদস্য হয়ে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধমূলকভাবে বল প্রয়োগ করা, ৩৪১ অনুযায়ী কোনো ব্যক্তিকে অবৈধভাবে নিয়ন্ত্রণ করা, ৩৩২ ধারা অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তার কাজে বাধাদানের উদ্দেশ্যে আহত করা, ৩৫৩ ধারা অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তার ওপর বল প্রয়োগ করা এবং ৫০৬ ধারায় প্রাণনাশের হুমকি দেয়ার।

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত