ঢাকা, শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ আপডেট : ২ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১৯ জুলাই ২০১৯, ১৯:৪২

প্রিন্ট

পানি কমতে শুরু করলেও দুর্ভোগ কমেনি

পানি কমতে শুরু করলেও দুর্ভোগ কমেনি
জামালপুর প্রতিনিধি

যমুনা নদীর পানি কমতে শুরু করলেও জামালপুরের পানিবন্দি মানুষের দুর্ভোগ কমেনি। বরং দিন দিন দুর্ভোগ চরমে উঠছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ত্রাণ দেওয়া হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। বেশিরভাগ বানভাসির কাছে সেই ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছায়নি। মিলছে না শুকনো খাবার ও নিরাপদ পানি। বাড়ি-ঘর ছেড়ে নৌকা কিংবা উঁচুস্থানে আশ্রয় নেয়া মানুষগুলো পার করছে মানবেতর জীবন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ২৪ ঘন্টায় বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি ৮ সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার ১৫৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

বানভাসিরা বলছেন, রান্না করতে না পারায় শুকনো খাবার খেয়ে দিন পার করছেন তারা। অনেকে আবার শুকনো খাবার সংগ্রহ করতে না পারায় থাকছেন অনাহারে-অর্ধাহারে।

সরিষাবাড়ীর পোঘলদীঘা ইউনিয়নের বাসিন্দা জামাল উদ্দিন বলেন, বেশ কয়েকদিন ধরে তারা পানিবন্দি জীবনযাপন করছেন। রয়েছেন অনাহারে-অর্ধাহারে। ঘরে এক বুক পানি। চুলা, রান্না ঘর, নলকূপ বানের পানিতে তলিয়ে গেছে। কোন রকমে শুকনো খাবার সংগ্রহ করে পরিবারের লোকজনকে বাঁচিয়ে রেখেছেন।

জামালপুর জেলা ত্রাণ কর্মকর্তা নায়েব আলী জানান, দুর্গত এলাকার বেশির ভাগ রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে সড়ক যোগাযোগের ব্যবস্থা। তাই বেশির ভাগ এলাকায় পৌঁছায়নি ত্রাণসামগ্রী।

জামালপুরের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক রাজীব কুমার সরকার বলেন, জেলার ৭ উপজেলার ৬৮টি ইউনিয়নের মধ্যে ৫২টি ইউনিয়ন বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। এছাড়াও বন্যা কবলিত হয়েছে ৬টি পৌরসভাও। এ পর্যন্ত বরাদ্দ পাওয়া ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে জরুরি বার্তা পাঠিয়ে আরও ৭০০ মেট্রিক টন চাল, নগদ ২০ লাখ টাকা এবং ৩০ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার বরাদ্দ চেয়েছি। বন্যা পরিস্থিতি বিবেচনায় ত্রাণ সহায়তার জন্য সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা দরকার।

বাংলাদেশ জার্নাল/এনকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত