ঢাকা, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ আপডেট : ৮ মিনিট আগে
শিরোনাম

চট্টগ্রাম সিটির ২২৬০ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা

  জার্নাল ডেস্ক

প্রকাশ : ৩০ জুন ২০২৬, ১৪:০০

চট্টগ্রাম সিটির ২২৬০ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা
ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ২ হাজার ২৬০ কোটি ২৪ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) বেলা পৌনে ১টায় নগরীর থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বাজেট ঘোষণা করেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

পাশাপাশি বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ১ হাজার ৬৬৫ কোটি ৯২ লাখ ১৬ হাজার চারশ টাকার সংশোধিত বাজেটও উপস্থাপন করা হয়। গত বছর ২ হাজার ১৪৫ কোটি ৪২ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছিল।

নিজের মেয়াদে দ্বিতীয় বাজেট ঘোষণা করে সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “নগরবাসীর আশার প্রতিফলন ঘটানোর প্রত্যাশায় ও চট্টগ্রাম মহানগরকে ক্লিন-গ্রিন, হেলদি ও সেইফ সিটি, আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন ও অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ বাসযোগ্য নান্দনিক পর্যটন নগর হিসেবে প্রতিষ্ঠার দৃঢ়প্রতিজ্ঞা ব্যক্ত করে বাজেট ঘোষণা করছি।”

এবারের প্রস্তাবিত বাজেটেও অন্যান্যবারের মত সর্বোচ্চ ৯৭৫ কোটি টাকা উন্নয়ন অনুদান খাতে আয় ধরা হয়েছে। এছাড়া হার কর ও অভিকর খাতে ৪২৬ কোটি টাকা এবং বকেয়া কর খাতে ১৯৭ কোটি টাকা আয় ধরা হয়েছে।

পাশাপাশি প্রস্তাবিত বাজেটে সর্বোচ্চ ৮২৫ কোটি টাকা ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে উন্নয়ন খাতে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৮০ কোটি ৮৫ লাখ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে বেতন ভাতা ও পারিশ্রমিক খাতে।

বাজেট ঘোষণা করে মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেন, “চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করাই আমার লক্ষ্য। অতীতে অযৌক্তিকভাবে যেসব গৃহকর নির্ধারণ করা হয়েছিল, সেগুলো যৌক্তিক করতে নিয়মিত রিভিউ বোর্ড বসানো হচ্ছে। যাচাই বাছাইশেষে সঠিক ও ন্যায্যভাবে কর নির্ধারণ করা হচ্ছে।

“তবে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। বন্দর, রেলওয়ে, ৩৬টি কনটেইনার টার্মিনাল ও অয়েল কোং লিমিটেডসহ বড়ো শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও করপোরেট সংস্থাগুলোকে অবশ্যই তাদের নিকট প্রাপ্য রাজস্ব পরিশোধ করতে হবে। কারণ রাজস্ব আদায়ের সঙ্গে চট্টগ্রাম নগরীর উন্নয়ন ও নাগরিক সেবার সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।”

অনুষ্ঠানে ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের জন্য কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন মেয়র।

সেগুলো হল—চলমান নিয়োগ কার্যক্রম স্বচ্ছতার সাথে সম্পন্ন করা, দক্ষ জনবল গড়তে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ প্রদানের দেওয়া, বর্তমান কাজের পরিধি এবং ভবিষ্যৎ চাহিদা বিবেচনায় নতুন সাংগঠনিক কাঠামো প্রণয়ন এবং অনুমোদনের ব্যবস্থা গ্রহণ এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমসমূহ ডিজিটালাইজেশন করা।

বাংলাদেশ জার্নাল/এসআইপি

  • সর্বশেষ
  • পঠিত