ঢাকা, শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২০, ৩১ শ্রাবণ ১৪২৭ আপডেট : ১৩ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১৬ জুলাই ২০২০, ১১:২২

প্রিন্ট

এবার যে পদ্ধতিতে প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষা

এবার যে পদ্ধতিতে প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষা
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে চলমান করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলে আগামী আগস্ট মাসে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশে বিলম্ব হবে।

প্রায় ৪০ হাজার শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই নানা ধরনের মন্তব্য করছেন। দীর্ঘদিন পর নিয়োগ হওয়ায় লিখিত পরীক্ষায় (এমসিকিউ) নতুন ধরন আসবে কিনা- এমন শঙ্কাও প্রকাশ করেছেন অনেকে।

এসব ব্যাপারে বুধবার (১৫ জুলাই) গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ।

ডিপিই মহাপরিচালক বলেন, ‘আমরা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের জন্য প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। সবকিছু এখন করোনা পরিস্থিতির উপর নির্ভর করছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে না।’

মো. ফসিউল্লাহ আরো বলেন, ‘আমরা পরীক্ষা পদ্ধতিতে কোন পরিবর্তন আনছি না। পরীক্ষার মানবন্টনেও কোন পরিবর্তন হবে না। আগের নিয়মেই লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে।’

ডিপিই সূত্রে জানা গেছে, সারাদেশের ৬৫ হাজার ৬২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ৪০ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। এর মধ্যে ২৬ হাজার নিয়োগ দেয়া হবে প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। আর ১৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে দুই ধাপে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের মধ্যে প্রার্থীদের মূল্যায়ন করা হয়। প্রথমে নেয়া হয় এমসিকিউ বা বহুনির্বাচনী পরীক্ষা। এমসিকিউ পরীক্ষায় ৮০ নম্বরের প্রশ্ন আসে। বাংলা, ইংরেজি, গণিত এবং সাধারণ জ্ঞানের প্রতিটি বিষয় থেকে ২০টি করে মোট ৮০টি প্রশ্ন থাকে। প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য ১ নম্বর যোগ হবে। প্রত্যেক ভুল উত্তরের জন্য কাটা যাবে ০.২৫ নম্বর। পরীক্ষার জন্য বরাদ্দ সময় ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট। এমসিকিউতে উত্তীর্ণদের ডাকা হয় মৌখিক পরীক্ষায়। এ ধাপে থাকে ২০ নম্বর। ভাইভায় টিকলে পরবর্তী যাচাই বাছাই শেষে চূড়ান্তভাবে নিয়োগ দেয়া হয়।

বাংলাদেশ জার্নাল/ওয়াইএ

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত