ঢাকা, রোববার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ আপডেট : ১২ মিনিট আগে
শিরোনাম

বাবা দিবস

বাবা দিবস নিয়ে অব্যক্ত অনুভূতি প্রকাশ করলেন ফাহমিদা নবী

  বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ : ২১ জুন ২০২৬, ১৬:৩৪  
আপডেট :
 ২১ জুন ২০২৬, ১৬:৫২

বাবা দিবস নিয়ে অব্যক্ত অনুভূতি প্রকাশ করলেন ফাহমিদা নবী
ছবি: সংগৃহীত

আজ ২১ জুন বিশ্ব বাবা দিবস। প্রতিবছর জুন মাসের তৃতীয় রোববার বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালন করা হয়। এদিন বাবার প্রতি বিভিন্নভাবে ভালবাসা প্রকাশ করে সন্তানরা। অব্যক্ত অনুভূতি প্রকাশ করতে বেছে নেয় সামাজিক মাধ্যম। জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ফাহমিদা নবীও আছেন এ তালিকায়। গায়িকার বাবা কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী মাহমুদুন্নবীকে নিয়ে দিয়েছেন একটি পোস্ট।

নিজের ফেসবুকে দেওয়া ওই পোস্টে ফাহমিদা নবী লিখেছেন, ‘আজ বাবা দিবস। আজ সংগীত দিবস। সংগীত পরিবার, সংগীত নিয়ে বসবাস যাদের, তাদের স্মৃতিচারণে সুর বিষয়টাই বেশি করে প্রতীয়মান হয়ে ওঠে। একজন শিল্পী মাহমুদুন্নবী বেশি প্রধান হয়ে ওঠেন কিছু লিখতে গেলে। সবার ভালোবাসায় গানে গানে যার বেঁচে থাকা শ্রোতার মনে। আমাদের গর্ব হয়। আর বাবা তো ছায়া সব সন্তানের কাছেই। সে ছায়া চিরকালের জন‍্যই।’

বাবাকে নিজের আয়না মনে করেন জনপ্রিয় এ গায়িকা। লিখেছেন, ‘একজন কিংবদন্তি শিল্পী বাবা মাহমুদুন্নবীকে নিয়ে আমার ভাবনা,বাস্তবতাকে প্রকাশ করলাম। আব্বা আমার আয়না। আমি আমাকে দেখি সেই আয়নায়। আমার পরিবার, ভাই-বোন, আম্মা, আমাদের সন্তানরা ও বাবার শ্রোতারা— প্রত্যেকে আমার আয়নার অংশ। যে আয়নার আলোকে পথ চলার সাহস এক ধরনের ধৈর্য্য তৈরি করেছে।’

এরপর লিখেছেন, ‘সেই ধৈর্য্যর সহ্যের মধ্যে আছে দেখার চোখে নেওয়ার ধারণ ক্ষমতা। শুদ্ধতা যেখানে বিলীন, সেখানে কীসের সাথে আপোষ? সংগীতের সাথে রুচিশীলতার যে সম্পর্ক তা তো আসলে স্নিগ্ধতা, সূদুর প্রসারী সুরের মোহ থাকে। তা নিয়ে তো ভাবনা নেই বর্তমানে! তাই তো সাহসী একটা আয়না আমাকে প্রতিনিয়ত বিশ্বাসের প্রতিশ্রুতি দেয়, গান হচ্ছে শোনার আর অনুভবের; দৌড়ানোর বা পিছিয়ে পড়ার নয়। হারানোর কিছু নয়।’

গায়ক হিসেবে মূল্যায়ন করে বাবাকে নিয়ে গায়িকা লেখেন, ‘বাবা হিসেবে শুধু নয়, একজন প্রিয় জনশ্রুত শিল্পী মাহমুদূন্নবী যুগে যুগে তাই একবারই আসে। যাকে ভালোবাসে মানুষ তাঁর সুরের অলংকরণের আর বিনয়ের কারণে। আজও প্রাণে ধারণ করে বলে— কত ভালো মানুষ ছিলেন, কত বড় বিনয়ী শিল্পী ছিলেন! তাঁর মতো সুরের রাজা আজও দেখলাম না! আমার কথা না, শ্রোতার কথা। তখন তো গান দেখার বিষয় ছিল না! আমিও মনে করি গান শোনার বিষয় ছিল, আছে, থাকবে। গান কোনো নিত্য নতুন created content নয়! তাই আয়নার গভীরে কোনো প্রতিযোগিতার দৌড়ে হারিয়ে যাওয়ার ভয় নেই শিল্পী হিসেবে। আমি সেই আয়নার প্রতিবিম্বে দাঁড়িয়ে, আমার গানের প্রান্তে!’

আরও লেখেন, ‘আজকের শিল্পচর্চার দেয়াল দেখি আর ভাবি আজ একজন মাহমুদূন্নবী হয়ে ওঠার জন্য শিল্পী নেই আছে তারকার ভিড়! সেই কণ্ঠ এখনও নবীন, এখনও তারার মতো জ্বলজ্বলে এক আলোকবর্তিকা। শ্রোতার ভালোবাসা ও সম্মান পাওয়া বিশাল অর্জন। ধন্যবাদ শ্রোতাদের যাঁদের জন্য আব্বা অমর হয়ে আছেন মানুষের মনে,শ্রোতার জাগরণে।’

সবশেষে দোয়া কামনা করেছেন গায়িকা লেখেন, ‘আমরা যেন তাঁর (মাহমুদুন্নবী) সেই সম্মান ধরে রাখতে পারি।’ মন্তব্যের ঘরে গায়কের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন অনেকে। প্রকাশ করেছেন তার গানের প্রতি মুগ্ধতা। অনেকে জানিয়েছেন বাবা দিবসের শ্রদ্ধা।

আজ ২১ জুন বিশ্ব বাবা দিবস। প্রতিবছর জুন মাসের তৃতীয় রোববার বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালন করা হয়। এদিন বাবার প্রতি বিভিন্নভাবে ভালবাসা প্রকাশ করে সন্তানরা। অব্যক্ত অনুভূতি প্রকাশ করতে বেছে নেয় সামাজিক মাধ্যম। জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ফাহমিদা নবীও আছেন এ তালিকায়। গায়িকার বাবা কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী মাহমুদুন্নবীকে নিয়ে দিয়েছেন একটি পোস্ট।

নিজের ফেসবুকে দেওয়া ওই পোস্টে ফাহমিদা নবী লিখেছেন, ‘আজ বাবা দিবস। আজ সংগীত দিবস। সংগীত পরিবার, সংগীত নিয়ে বসবাস যাদের, তাদের স্মৃতিচারণে সুর বিষয়টাই বেশি করে প্রতীয়মান হয়ে ওঠে। একজন শিল্পী মাহমুদুন্নবী বেশি প্রধান হয়ে ওঠেন কিছু লিখতে গেলে। সবার ভালোবাসায় গানে গানে যার বেঁচে থাকা শ্রোতার মনে। আমাদের গর্ব হয়। আর বাবা তো ছায়া সব সন্তানের কাছেই। সে ছায়া চিরকালের জন‍্যই।’

বাবাকে নিজের আয়না মনে করেন জনপ্রিয় এ গায়িকা। লিখেছেন, ‘একজন কিংবদন্তি শিল্পী বাবা মাহমুদুন্নবীকে নিয়ে আমার ভাবনা,বাস্তবতাকে প্রকাশ করলাম। আব্বা আমার আয়না। আমি আমাকে দেখি সেই আয়নায়। আমার পরিবার, ভাই-বোন, আম্মা, আমাদের সন্তানরা ও বাবার শ্রোতারা— প্রত্যেকে আমার আয়নার অংশ। যে আয়নার আলোকে পথ চলার সাহস এক ধরনের ধৈর্য্য তৈরি করেছে।’

এরপর লিখেছেন, ‘সেই ধৈর্য্যর সহ্যের মধ্যে আছে দেখার চোখে নেওয়ার ধারণ ক্ষমতা। শুদ্ধতা যেখানে বিলীন, সেখানে কীসের সাথে আপোষ? সংগীতের সাথে রুচিশীলতার যে সম্পর্ক তা তো আসলে স্নিগ্ধতা, সূদুর প্রসারী সুরের মোহ থাকে। তা নিয়ে তো ভাবনা নেই বর্তমানে! তাই তো সাহসী একটা আয়না আমাকে প্রতিনিয়ত বিশ্বাসের প্রতিশ্রুতি দেয়, গান হচ্ছে শোনার আর অনুভবের; দৌড়ানোর বা পিছিয়ে পড়ার নয়। হারানোর কিছু নয়।’

গায়ক হিসেবে মূল্যায়ন করে বাবাকে নিয়ে গায়িকা লেখেন, ‘বাবা হিসেবে শুধু নয়, একজন প্রিয় জনশ্রুত শিল্পী মাহমুদূন্নবী যুগে যুগে তাই একবারই আসে। যাকে ভালোবাসে মানুষ তাঁর সুরের অলংকরণের আর বিনয়ের কারণে। আজও প্রাণে ধারণ করে বলে— কত ভালো মানুষ ছিলেন, কত বড় বিনয়ী শিল্পী ছিলেন! তাঁর মতো সুরের রাজা আজও দেখলাম না! আমার কথা না, শ্রোতার কথা। তখন তো গান দেখার বিষয় ছিল না! আমিও মনে করি গান শোনার বিষয় ছিল, আছে, থাকবে। গান কোনো নিত্য নতুন created content নয়! তাই আয়নার গভীরে কোনো প্রতিযোগিতার দৌড়ে হারিয়ে যাওয়ার ভয় নেই শিল্পী হিসেবে। আমি সেই আয়নার প্রতিবিম্বে দাঁড়িয়ে, আমার গানের প্রান্তে!’

আরও লেখেন, ‘আজকের শিল্পচর্চার দেয়াল দেখি আর ভাবি আজ একজন মাহমুদূন্নবী হয়ে ওঠার জন্য শিল্পী নেই আছে তারকার ভিড়! সেই কণ্ঠ এখনও নবীন, এখনও তারার মতো জ্বলজ্বলে এক আলোকবর্তিকা। শ্রোতার ভালোবাসা ও সম্মান পাওয়া বিশাল অর্জন। ধন্যবাদ শ্রোতাদের যাঁদের জন্য আব্বা অমর হয়ে আছেন মানুষের মনে,শ্রোতার জাগরণে।’

সবশেষে দোয়া কামনা করেছেন গায়িকা লেখেন, ‘আমরা যেন তাঁর (মাহমুদুন্নবী) সেই সম্মান ধরে রাখতে পারি।’ মন্তব্যের ঘরে গায়কের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন অনেকে। প্রকাশ করেছেন তার গানের প্রতি মুগ্ধতা। অনেকে জানিয়েছেন বাবা দিবসের শ্রদ্ধা।

আজ ২১ জুন বিশ্ব বাবা দিবস। প্রতিবছর জুন মাসের তৃতীয় রোববার বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালন করা হয়। এদিন বাবার প্রতি বিভিন্নভাবে ভালবাসা প্রকাশ করে সন্তানরা। অব্যক্ত অনুভূতি প্রকাশ করতে বেছে নেয় সামাজিক মাধ্যম। জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ফাহমিদা নবীও আছেন এ তালিকায়। গায়িকার বাবা কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী মাহমুদুন্নবীকে নিয়ে দিয়েছেন একটি পোস্ট।

নিজের ফেসবুকে দেওয়া ওই পোস্টে ফাহমিদা নবী লিখেছেন, ‘আজ বাবা দিবস। আজ সংগীত দিবস। সংগীত পরিবার, সংগীত নিয়ে বসবাস যাদের, তাদের স্মৃতিচারণে সুর বিষয়টাই বেশি করে প্রতীয়মান হয়ে ওঠে। একজন শিল্পী মাহমুদুন্নবী বেশি প্রধান হয়ে ওঠেন কিছু লিখতে গেলে। সবার ভালোবাসায় গানে গানে যার বেঁচে থাকা শ্রোতার মনে। আমাদের গর্ব হয়। আর বাবা তো ছায়া সব সন্তানের কাছেই। সে ছায়া চিরকালের জন‍্যই।’

বাবাকে নিজের আয়না মনে করেন জনপ্রিয় এ গায়িকা। লিখেছেন, ‘একজন কিংবদন্তি শিল্পী বাবা মাহমুদুন্নবীকে নিয়ে আমার ভাবনা,বাস্তবতাকে প্রকাশ করলাম। আব্বা আমার আয়না। আমি আমাকে দেখি সেই আয়নায়। আমার পরিবার, ভাই-বোন, আম্মা, আমাদের সন্তানরা ও বাবার শ্রোতারা— প্রত্যেকে আমার আয়নার অংশ। যে আয়নার আলোকে পথ চলার সাহস এক ধরনের ধৈর্য্য তৈরি করেছে।’

এরপর লিখেছেন, ‘সেই ধৈর্য্যর সহ্যের মধ্যে আছে দেখার চোখে নেওয়ার ধারণ ক্ষমতা। শুদ্ধতা যেখানে বিলীন, সেখানে কীসের সাথে আপোষ? সংগীতের সাথে রুচিশীলতার যে সম্পর্ক তা তো আসলে স্নিগ্ধতা, সূদুর প্রসারী সুরের মোহ থাকে। তা নিয়ে তো ভাবনা নেই বর্তমানে! তাই তো সাহসী একটা আয়না আমাকে প্রতিনিয়ত বিশ্বাসের প্রতিশ্রুতি দেয়, গান হচ্ছে শোনার আর অনুভবের; দৌড়ানোর বা পিছিয়ে পড়ার নয়। হারানোর কিছু নয়।’

গায়ক হিসেবে মূল্যায়ন করে বাবাকে নিয়ে গায়িকা লেখেন, ‘বাবা হিসেবে শুধু নয়, একজন প্রিয় জনশ্রুত শিল্পী মাহমুদূন্নবী যুগে যুগে তাই একবারই আসে। যাকে ভালোবাসে মানুষ তাঁর সুরের অলংকরণের আর বিনয়ের কারণে। আজও প্রাণে ধারণ করে বলে— কত ভালো মানুষ ছিলেন, কত বড় বিনয়ী শিল্পী ছিলেন! তাঁর মতো সুরের রাজা আজও দেখলাম না! আমার কথা না, শ্রোতার কথা। তখন তো গান দেখার বিষয় ছিল না! আমিও মনে করি গান শোনার বিষয় ছিল, আছে, থাকবে। গান কোনো নিত্য নতুন created content নয়! তাই আয়নার গভীরে কোনো প্রতিযোগিতার দৌড়ে হারিয়ে যাওয়ার ভয় নেই শিল্পী হিসেবে। আমি সেই আয়নার প্রতিবিম্বে দাঁড়িয়ে, আমার গানের প্রান্তে!’

আরও লেখেন, ‘আজকের শিল্পচর্চার দেয়াল দেখি আর ভাবি আজ একজন মাহমুদূন্নবী হয়ে ওঠার জন্য শিল্পী নেই আছে তারকার ভিড়! সেই কণ্ঠ এখনও নবীন, এখনও তারার মতো জ্বলজ্বলে এক আলোকবর্তিকা। শ্রোতার ভালোবাসা ও সম্মান পাওয়া বিশাল অর্জন। ধন্যবাদ শ্রোতাদের যাঁদের জন্য আব্বা অমর হয়ে আছেন মানুষের মনে,শ্রোতার জাগরণে।’

সবশেষে দোয়া কামনা করেছেন গায়িকা লেখেন, ‘আমরা যেন তাঁর (মাহমুদুন্নবী) সেই সম্মান ধরে রাখতে পারি।’ মন্তব্যের ঘরে গায়কের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন অনেকে। প্রকাশ করেছেন তার গানের প্রতি মুগ্ধতা। অনেকে জানিয়েছেন বাবা দিবসের শ্রদ্ধা।

বাংলাদেশ জার্নাল/এসআইপি

  • সর্বশেষ
  • পঠিত