ঢাকা, বুধবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ আপডেট : ৩২ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১৪ নভেম্বর ২০১৯, ০০:৪১

প্রিন্ট

বাংলাদেশে নিষিদ্ধ হচ্ছে কোলগেট টুথপেস্ট?

বাংলাদেশে নিষিদ্ধ হচ্ছে কোলগেট টুথপেস্ট?
জার্নাল ডেস্ক

সকালে উঠেই সবাই টুথপেস্ট ও ব্রাশ নিয়ে দাঁত মাজার প্রস্তুতি নেয়। প্রতিদিন সকালের নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রবের মধ্যে বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত টুথপেস্টর একটি হচ্ছে কোলগেট। তবে জানেন কি এই টুথপেস্ট ব্যবহারে আপনি ভয়াবহ রোগ ক্যান্সারে আক্রান্ত হতে পারেন!

জানা গেছে, বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত এ টুথপেস্টে ব্যবহার করা হচ্ছে ক্ষতিকর উপাদান ট্রাইক্লোসেন, যা দীর্ঘদিন ব্যবহারে দাঁতের মাড়ির ক্ষতিসহ ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ের একটি গবেষণা এমনটিই বলছে।

এ ব্যাপারে বিএসটিআই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, বিদেশি একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান কোলগেট টুথপেস্ট নিয়ে প্রতিবেদন দিয়েছে। তারা জানিয়েছে, এতে ট্রিকলোসা নামের একটি ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার হয়, যা মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর। কোলগেট টুথপেস্ট দেশে তৈরি হয় না। এটি আমদানি করা হয়।

তারপরও বিএসটিআইয়ের পক্ষ থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। টুথপেস্টটি পরীক্ষা করবে সরকারি মান নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। পরীক্ষায় ক্ষতিকর কোনো উপাদান মিললে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি পণ্যটির আমদানি বন্ধ করে দেয়া হবে।

জানা গেছে, কোলগেটের পক্ষ থেকে বলা হয় টুথপেস্টের ব্যবহৃত ট্রাইক্লোসেন মাড়ির রোগ প্রতিরোধ করে। এ বিষয়ে ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) অনুমোদন দেয়। সম্প্রতি এ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে খোদ এফডিএ! কারণ কোলগেটের অনুমোদন পত্রেই আছে তারা ট্রাইক্লোসেন ব্যবহার করছে, যাতে ক্যান্সারের ঝুঁকি রয়েছে। তবে এতো দিন বিষয়টি প্রকাশ না হওয়ায় সাধারণ মানুষ এ বিষয়ে কিছু জানত না।

সম্প্রতি টক্সিকোলজি জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে ট্রাইক্লোসেন উপাদান ক্যান্সারের সেলের বৃদ্ধি ঘটাতে পারে। তবে এবারই প্রথম এ ধরনের তথ্য প্রকাশ পায়নি। বরং এর আগেও এ ধরনের গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে। সেখানেও বলা হয়েছে যে, এ ধরনের উপাদান মানুষের শরীরে মারাত্মক ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

মানুষের চামড়া ভেদ করে শরীরে প্রবেশের ক্ষমতা রয়েছে ট্রিকোসান নামের এই রাসায়নিক উপাদানটির। এটি শরীরে ঢুকে বিভিন্ন হরমোন এবং বিভিন্ন গ্রন্থির স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত করে।

বাংলাদেশ জার্নাল/ওয়াইএ

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত