ঢাকা, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০, ৬ কার্তিক ১৪২৭ আপডেট : ১০ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:১৫

প্রিন্ট

মানুষের ধ্বংসযজ্ঞে

বন্যপ্রাণী ‘ব্যাপকভাবে’ হ্রাস পাওয়ায় বিজ্ঞানীদের সতর্কতা

বন্যপ্রাণী ‘ব্যাপকভাবে’ হ্রাস পাওয়ায় বিজ্ঞানীদের সতর্কতা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নির্বিচারে বন উজাড় করতে থাকায় এবং লাগামহীনভাবে প্রকৃতিক সম্পদের ব্যবহার করায় ধ্বংস হচে্ছে জীববৈচিত্র। গত ৫০ বছরের কম সময়ে বন্য প্রাণীর সংখ্যা দুই-তৃতীয়াংশের নিচে নেমে এসেছে। ওয়ার্ল্ড ওয়াইল্ডলাইফ ফান্ডের (ডব্লিউডব্লিউএফ) সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ তথ্য। খবর বিবিসির।

বন্য প্রাণী সংরক্ষণে নিয়োজিত ডব্লিউডব্লিউএফের প্রতিবেদনে জানানো হয়, বন্য প্রাণী নিশ্চিহ্ন হওয়ার মাত্রা আশঙ্কাজনক। এটি কমার কোনো লক্ষণ নেই। প্রকৃতি তাকে রক্ষা করতে ব্যাকুলভাবে বলছে, তবে মানুষের সাড়া নেই। প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে, মানুষের দ্বারা প্রকৃতি এমন হারে ধ্বংস হচ্ছে, যা আগে কখনো দেখা যায়নি।

ডব্লিউডব্লিউএফের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া স্টিল বলেছেন, ‘বন্য জীবন অবাধে ঝরে যাচ্ছে। আমরা বন পুড়িয়ে ফেলছি, সাগরে বেশি বেশি মাছ শিকার করছি। বনভূমি বিরান করে ফেলছি। এভাবে আমরা আমাদের বিশ্বকে ধ্বংস করে দিচ্ছি, অথচ এ জায়গাকে নিজেদের বসতি বলি। এতে আমাদের স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও পৃথিবীতে টিকে থাকার ক্ষেত্রে ঝুঁকি তৈরি করে চলেছি। প্রকৃতি ব্যাকুলভাবে বলছে তাকে রক্ষা করতে। আমাদের সময় কিন্তু দ্রুত ফুরিয়ে আসছে।’

প্রতিবেদনে সারা বিশ্বের আবাসস্থলগুলোতে জীব সংরক্ষণ বিজ্ঞানীদের পর্যবেক্ষণ করা হাজারো বন্য প্রজাতির দিকে নজর দেওয়া হয়েছিল। ১৯৭০ সালের পর থেকে গত ৫০ বছরে ২০ হাজার স্তন্যপায়ী, উভচর, সরীসৃপ এবং মাছের ২০ হাজার প্রজাতির মধ্যে ৬৮ শতাংশই হারিয়ে গেছে।

মানব ইতিহাসে জীববৈচিত্র ধ্বংসের এটি একটি রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। পৃথিবীতে সকল জীবের জীবনধারণ এখন একধরণের হুমকির মুখে পড়েছে বলে প্রতিবেদন উল্লেখ করা হয়।

নকি

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত