ঢাকা, শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ আপডেট : ৮ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০১৯, ১৬:৩৪

প্রিন্ট

মেদ কমাতে মরিচ খান

মেদ কমাতে মরিচ খান
ফাইল ছবি
লাইফস্টাইল ডেস্ক

অতিরিক্ত ওজন হওয়ার পেছনে মূল কারণ হচ্ছে শরীরের প্রয়োজন থেকে বেশি খাবার খাওয়া অর্থাৎ বেশি ক্যালরির খাবার খাওয়া। শরীরের প্রয়োজন মেটানোর পর বাড়তি খাবারগুলো চর্বি হয়ে দেহকোষে জমা হয়। কিছু চর্বি শরীরে জমা থাকা দরকার। কারণ প্রয়োজনে শক্তি সরবরাহ করে। কিন্তু চর্বি বেশি জমা হলেই ওজনাধিক্য তৈরি হবে। আর এ অতিরিক্ত ক্যালরি বার্ন না করলেই ওজন বেড়ে যাবে। তাছাড়া সারাদিন শারীরিক পরিশ্রমের অভাবে ওজন বাড়ে।

ওজন কমাতে মরিচ ভালো কাজে দেয় বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের দাবি মরিচের মধ্যে ক্যাপসাইসিন নামক একটি পদার্থ থাকে, যা মেদ ঝরাতে সাহায্য করে। এর পাশাপাশি, মরিচের মধ্যে রয়েছে অন্যান্য স্বাস্থ্যগুণও। সেরকমই জানাচ্ছেন ভারতীয় বৈজ্ঞানিকরা।

ক্যাপসাইসিনের জন্যই মরিচ ঝাল হয়। মরিচ ওজন কমাতে সাহায্য করে, সেটা নিয়ে একটা ধারণা থাকলেও এই বিষয়ে খব বেশি গবেষণা হয়নি এর আগে। কারণ, সবাই ঝাল সহ্য করতে পারেন না। তবে ২০১৪ সালের একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছিল, যে ক্যাপসাইসিন ওজন কমাতে সাহায্য করে। খাওয়ার আগে খুব বেশি মরিচ খেলে খিদে মরে যায়, অল্প খেলে খাওয়ার পরিমাণ কমে যায়।

গবেষণায় জানা গেছে, মরিচের এই ঝাঁজের জন্য শরীরে অবেস্ট্যাটিন হরমোনের ক্ষরণ শুরু হয়। সহজ করে বলতে গেলে, এই হরমোন শরীরকে খাওয়া বন্ধ করার সিগন্যাল দেয়। এর ফলে খাওয়ার পরিমাণ এবং শরীরে ক্যালোরি ঢোকা কমে যায়।

এর পাশাপাশি, সিএসআইআর-এর সেন্ট্রাল ফুড টেকনোলজিক্যাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট (সিএফটিআরআই)-এর সাম্প্রতিক গবেষণা জানাচ্ছে, শুধুমাত্র অবেস্ট্যাটিনের ক্ষরণই বাড়ায় না মরিচের মধ্যে থাকা ক্যাপসাইসিন। ক্যাটেকোলামাইন নামক একটি পদার্থের ক্ষরণও বাড়ে এই ক্যাপসাইসিনের ফলে। এই ক্যাটেকোলামাইন সাহায্য করে অ্যাডিপোজ টিস্যু ভাঙনে।

অর্থাৎ, শরীরে জমে থাকা মেদ ঝরাতে সাহায্য করে এই পদার্থ। এছাড়া, ক্যাপসাইসিন লিপাসেস নামক একটি উৎসেচক তৈরির মাত্রাও বাড়িয়ে দেয়। এই উৎসেচক শরীরকে সাহায্য করে স্নেহ জাতীয় খাদ্য হজম করতে।

এই গবেষণাটির শীর্ষ বৈজ্ঞানিক ড. উমা ভি মঞ্জাপ্পরা জানান, মরিচের ক্যাপসাইসিন এবং সয়বিনের জেনিস্টেইন, উভয়েই স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি। এগুলোর সঙ্গে অবস্ট্যাটিন মিশলে ট্রাইগ্লাইসারাইড তৈরি হওয়ার পরিমাণ কমে যায় ২০-২৫ শতাংশ।

বাংলাদেশ জার্নাল/এইচকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত