ঢাকা, শুক্রবার, ২২ নভেম্বর ২০১৯, ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ আপডেট : ৪ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২২:১৬

প্রিন্ট

শ্রাবণী প্রামানিকের পাঁচটি কবিতা

শ্রাবণী প্রামানিকের পাঁচটি কবিতা
অনলাইন ডেস্ক

প্রথম চুমু

ঠোঁটে চেপে ঠোঁট,

সারিসারি মূর্তির চোখ;

যতো দূর যায় চোখ।

চাপ ধরা বুক ঘন হয়ে আসে।

পদ্মনাভে প্রজাপতি ওড়ে।

আমার পায়ের নীচে;জল চৌকি।

তোমার পায়ের নীচে;ভাসমান নদী।

উড়াল

ঝুল বারান্দার কার্ণিশে

হুকার'স লিপস অথবা ড্যান্সিং গার্লের

কপালের শ্রী তে চোখ রেখো না।

রিরংসু ঘোর জ্বরের ফাঁদে

আটকে যাবে স্লিপার

খুব করে ছুটে পালাতে চেয়ে

আরও গেঁথে যাবে বেখেয়ালে।

সদর ঘাটের শিকল তোলা

সারি সারি পাল্লার একটাতে

নীল কন্ঠী গ্রীবার মালিক

আমাকে তুমি খুঁজে নিও

ভীরু খাঁজের লালচে তিলে।

যেখানে বহু বপন করেছি

তোমার পাখায় ভর করে

আকাশচারী হবার বাসনা।

ফেরা

ঠোঁট চুমুর দিবা স্বপ্ন

চোখের ভেতর ভরে দিয়ে

আকাশ পথে পালিয়েছো

ডুব সাঁতারে ভুমধ্যসাগর

ফেরার চৌকাঠে বুকের আগল খুলে রেখছি হাট করে।এসো

তলিকাভুক্ত রাত

যা যা অনুসঙ্গ তালিকাভুক্ত করেছি আমরা

নীল শাদা ঢেউ ঢেউ আকাশ, শ্বেতাঙ্গ চাঁদ ধরতে ছোটা ঝাউ পাতা

আমার উড়ন্ত চুলে তোমার চেপে ধরা পাঁচ আঙ্গুল

খোলা জানালার কাঁচ, প্লাবিত নখের আঁচড়ে স্নান।

শ্রাবণ ফাল্গুন এক করে সব ধরা হলো এক জল কামান রাতে

তবুও তোমার জোহর চোখ তাকিয়ে দেখলো কী আমার ইরটিক কান্না?

এনাটমি

ঠোঁট সব একই

স্বাদের তীক্ষ্ণতা মগজে বা চোখে

তেমন যোনীও

ভিন্নতা কেবল সেখান থেকে

বের হওয়া মানুষে

যেমন স্তন শব্দটা বড় ক্লিশে

যেখানে থাকে শুধু

জীবন সুধা

অথবা বুকের ওম

তাই স্তন নয়, তাকে ডাকো অমৃত।

বাংলাদেশ জার্নাল/এনএইচ

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত