ঢাকা, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২০, ১৬ চৈত্র ১৪২৬ আপডেট : ১ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০৮:৫৫

প্রিন্ট

রিপোর্টার থেকে সম্পাদক (পর্ব -৪৪)

রিপোর্টার থেকে সম্পাদক (পর্ব -৪৪)
শাহজাহান সরদার

দেশের জনপ্রিয় দুটি পত্রিকার (যুগান্তর, বাংলাদেশ প্রতিদিন) জন্মের পেছনের ইতিহাস, কর্তৃপক্ষের চাপিয়ে দেয়া বিব্রতকর বিভিন্ন আদেশ নির্দেশ, হস্তক্ষেপ, পত্রিকা প্রকাশের ওয়াদা দিয়ে অন্য একটি জনপ্রিয় পত্রিকা থেকে নিয়ে এসে পত্রিকা না বের করে হাতজোড়ে ক্ষমা প্রার্থনা করে বিদায় দেয়া, পত্রিকা প্রকাশের পর কোন কোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক কিছু দিনের মধ্যেই ছাপা সংখ্যা কমিয়ে দিয়ে লাভ খোঁজা, ইচ্ছেমত সাংবাদিক-কর্মচারি ছাঁটাই করা সহ পত্রিকার অন্দর মহলের খবরা-খবর, রাজনৈতিক মোড় ঘুড়িয়ে দেয়া কিছু রিপোর্ট, সাংবাদিক ইউনিয়ন, ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটির কিছু ঘটনা এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ নিয়ে আমার এ বই ‘রিপোর্টার থেকে সম্পাদক’। জানতে পারবেন সংবাদপত্র জগতের অনেক অজানা ঘটনা, নেপথ্যের খবর।]

(পর্ব -৪৪)

বিএফইউজে আমার দ্বিতীয় মেয়াদের সময় চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে নির্বাহী কমিটির বৈঠকের সিদ্ধান্ত হয়। এই সময় সভাপতি ছিলেন রিয়াজউদ্দিন আহমদ ও সেক্রেটারি জেনারেল আমানুল্লাহ কবীর। আমি সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল। বিএফইউজে বিভিন্ন সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে বৈঠক করে আসছিল। এমনই একটি বৈঠক চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার স্থান নির্ধারণ হয়। কক্সবাজারে তখন ইউনিট ছিল না। চট্টগ্রামের কারণে কক্সবাজার সংযুক্ত করা হয় ভ্রমণের জন্য। কক্সবাজার বলে পরিবার-পরিজনসহ ব্যবস্থা। চট্টগ্রামের থাকা-খাওয়ার আয়োজন করবে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন। আর ঢাকা থেকে যাওয়া-আসা এবং কক্সবাজারে থাকা-খাওয়া ইত্যাদির আয়োজনের ভার আমার ওপর। সভাপতি রিয়াজউদ্দিন আহমদের শুশুরবাড়ি চট্টগ্রাম শহরতলীতে। কিন্তু তিনি সে-সময় দেশে থাকবেন না। থাকলে সব তিনিই করতে পারতেন। চট্টগ্রাম যাতায়াতের জন্য আমরা প্রথমে বাস সংগ্রহের চেষ্টা করলাম। পরিবার-পরিজনসহ শতাধিক লোক আমরা। বাসের ব্যবস্থা হলো না। অবশেষে ঠিক করলাম ট্রেনে যাব। তখন যোগাযোগমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু। ইত্তেফাক সম্পাদক। জাতীয় প্রেস-ক্লাবের এককালের সভাপতি ছিলেন। সাংবাদিকবান্ধব। আমরা গেলাম তার কাছে। বললাম একশ’ লোকের চট্টগ্রামে ফ্রি আসা-যাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। তিনি বললেন, তোমরা পাগল নাকি? এত লোককে ফ্রি। দু’চার জন হলে দেখা যেতো। আমরা বললাম, হয় ট্রেন ফ্রি করতে হবে না হয় আপনাকে ভাড়া দিতে হবে। তিনি বললেন, ভাড়া আমি দিয়ে দিতে পারি। কিন্তু এত লোকের জন্য ফ্রি করা যাবে না। আমি ভাবলাম তার নিজ মন্ত্রণালয়ের ট্রেন দিয়ে ভ্রমণের জন্য তার কাছ থেকেই ভাড়া নেয়া কেমন যেন হয়ে যায়। হঠাৎ মনে এলো ভিআইপি কেবিনের কথা। প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রীদের সরকারি সফরে ব্যবহারের জন্য রেলের ভিআইপি কেবিন রয়েছে। আমি কয়েকবার পেশাগত কারণে মন্ত্রীদের সফরসঙ্গী হয়েছিলাম। তুললাম ভিআইপি কেবিনের কথা। কিন্তু দেখা গেল ভিআইপি কেবিনে স্থান সংকুলান হয় না।

এরপর আমি বললাম, একটি ট্রেন চট্টগ্রাম আসা-যাবার জন্য যা বগি থাকে এর বাইরে অন্য একটি বাড়তি বগি সংযোজনের জন্য। অনেক সময় খালি বগি স্টেশনে পড়ে থাকে। একটি বাড়তি বগি সৌজন্য হিসেবে দিলে আর সমস্যা হয় না। এই প্রস্তাবে তিনি রেলের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বললেন। সমাধান এলো আমাদের প্রস্তাবের পক্ষে। আমাদের যাতায়াতের ব্যবস্থা করে দিলেন আনোয়ার হোসেন মঞ্জু। এবার কক্সবাজারে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা। তখন কক্সবাজারে জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ছিলেন জিয়াউদ্দিন বাবলু। তৎকালীন জ্বালানি মন্ত্রী বর্তমানে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য। তার সঙ্গে আমার সম্পর্ক বেশ ভাল। আমরা গেলাম জিয়াউদ্দিন বাবলুর কাছে। তিনি বললেন, ব্যবস্থা হয়ে যাবে। কিন্তু সমস্যা তখন পর্যটকদের আনাগোনা ছিল বেশি। সার্কিট হাউজ, পর্যটনকেন্দ্রসহ হোটেলের অধিকাংশ আসন বুকিং ছিল আগে থেকেই। তিনি যোগাযোগ করলেন কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের সঙ্গে। তখন জেলা প্রশাসক ছিলেন কামাল উদ্দিন সাহেব। তিনি একসময় আমার নিজ উপজেলায় নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেন। তাই আমারও পরিচিত ছিলেন। বাবলু সাহেব জেলা প্রশাসকের সাথে কথা বলে জানালেন। এক বা দুই জায়গায় সবাইকে রাখা যাবে না। থাকতে হবে বিভিন্ন হোটেল, রেস্টহাউজ, গেস্ট হাউজে বিক্ষিপ্তভাবে। তখন কক্সবাজারে এত হোটেল, গেস্টহাউজ ছিল না। জেলা প্রশাসককে আমাদের থাকার ব্যবস্থার জন্য মন্ত্রীর নির্দেশে বেশ কয়টি হোটেল, গেস্টহাউজ রিকুইজেশন করতে হয়েছিল। আর সে-সময় কক্সবাজার জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন সালাউদ্দিন আহমদ। আওয়ামী লীগ থেকে জাতীয় পার্টিতে যোগ দিয়ে তিনি এমপি এবং পরে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হন। আমার বিশেষ পরিচিত ছিলেন। তাকেও বললাম। তিনিও আমাদের বেশ সহযোগিতা করেন। নির্ধারিত সময়েই আমরা সফলভাবে পরিবার-পরিজন নিয়ে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সফর করি। চট্টগ্রামে সফলভাবে বিএফইউজে’র বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তখন চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ছিলেন আজিজুল ইসলাম ভুঞা। সংগ্রামী নেতা। পরে বাসস-এর ব্যবস্থাপনা সম্পাদক হন। আর সেক্রেটারি ছিলেন নাসির আহমদ। আজিজুল ইসলাম ভুঞাকে আমাদের আপ্যায়নের জন্য সকালে নিজ হাতে ডিম ভাজতে দেখেছি। আগেই বলেছি আমাদের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন সাহেবের শ্বশুরবাড়ি চট্টগ্রামের শহরতলীতে। তিনি না থাকলেও তার শ্বশুরবাড়িতে আমাদের জন্য ভুরিভোজের ব্যবস্থা করা হয়। তার শ্যালক আফসারুল আমিন (পরে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী) নিজে থেকে আমাদের আপ্যায়ন করেন। সাংবাদিক ইউনিয়নে সক্রিয় ছিলাম ১৯৯২ সাল পর্যন্ত। এরপর ইউনিয়ন কার্যক্রম থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেই। পরে ইউনিয়ন বিভক্ত হয়ে গেলে সাংবাদিকদের মর্যাদা ও অধিকার আদায়ের সংগ্রামও দুর্বল হয়ে পড়ে। আর এর মধ্যে বড় বড় শিল্পপতি, ব্যবসায়ীরা পত্রিকার ব্যবসায় আসেন। সংবাদপত্রে গড়ে উঠে একধরনের কর্পোরেট কালচার। তাদের নিজস্ব নিয়ম-কানুনে চলে সেই সংবাদপত্রগুলো। এখন অনেক সংবাদপত্র আছে যেখানে সাংবাদিকদের ইউনিট পর্যন্ত নেই। ব্যক্তিগতভাবে ইউনিয়নের সদস্য হয়ে ভোটার হন।

ইউনিয়ন কার্যক্রম থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেয়ার কয়েক বছরের মধ্যেই বিশেষ প্রেক্ষাপটে গঠিত হয় ঢাকার রিপোর্টারদের নিজস্ব সংগঠন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি। এটি ট্রেড ইউনিয়ন নয়। রিপোর্টারদের পেশাগত দক্ষতা, মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লক্ষ নিয়েই এই সংগঠনের যাত্রা শুরু হয়। রিপোর্টার হিসেবে প্রথম থেকেই আমি এ সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত হই। এই সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন দৈনিক ইত্তেফাকের চিফ রিপোর্টার শফিকুল কবীর। ইত্তেফাকেই কাজ করেছেন আজীবন। এখন আমাদের মাঝে নেই। শফিকুল কবীর রিপোর্টারদের কাছে তখন খুবই জনপ্রিয়। রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি হওয়ার আগে দীর্ঘদিন তিনি ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের অধীনস্থ রিপোটার্স-ফটোগ্রাফার্স স্ট্যান্ডিং কমিটির কনভেনর ছিলেন। শফিকুল কবীরের সঙ্গে ছিল আমার বিশেষ সখ্য। আমাকে খুবই স্নেহ করতেন। প্রথমে আহ্বায়ক পরে সভাপতি হওয়ার সময় তিনি রিপোর্টার্স ইউনিটির বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে আমার সাথে পরামর্শ করতেন। আর এভাবে আমি নেপথ্যে তার সঙ্গে ইউনিটির কার্যক্রমে জড়িয়ে পড়ি। কবীর সাহেব প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং সবার কাছে প্রিয় থেকেও দ্বিতীয়বার নির্বাচন করে হেরে যান। যিনি নিজে চেষ্টা করে রিপোর্টাস ইউনিটির অফিস করেছেন যা আজও আছে। পরিধি বেড়েছে। ইউনিটিকে একটি প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি দিয়েছিলেন। একদল তরুণ রিপোর্টার বুঝে না বুঝে একধরনের বৈরী প্রচারণা করে তাকে নির্বাচনে হারিয়ে দেন। বিষয়টি আমার মনে ভীষণভাবে নাড়া দিল। কারণ আমি দেখেছি তিনি এই ইউনিটির জন্য কী শ্রমই না দিয়েছেন। ইউনিয়ন ছাড়ার পর ভাবিনি যে আমি কোনদিন আর সাংবাদিকদের কোন সংগঠনের নেতা হওয়ার জন্য নির্বাচন করব। কিন্তু এবার সিদ্ধান্ত নিলাম রিপোর্টাস ইউনিটির নির্বাচন করব। সভাপতি পদে। কবীর সাহেবের পরাজয়ই কিন্তু আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে। সদা হাসিখুশি লোকটাকে অপমানিত করার কারণে আমার মধ্যে তাড়না সৃষ্টি হয়। রিপোর্টাস ইউনিটির কমিটি একবছর মেয়াদি। তার পরাজয়ের পর মনে মনে আমি সিদ্ধান্ত নিলেও জানালাম না কাউকে। আগে জানালে ঝামেলা হতে পারে। তাই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর মনোনয়পত্র দাখিলের দু’একদিন আগে আমার কয়েকজনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু রিপোর্টারের সঙ্গে আলোচনা করি। তারাও রাজি হন। কিন্তু আমার নাম শুনেই শফিকুল কবীরের বিরুদ্ধে যারা একজোট হয়েছিল তাদের কেউ কেউ সক্রিয় হয়ে ওঠেন। কিন্তু সবাই এক হতে পারেননি। তারা প্রার্থী দেন আমারই আরেক ঘনিষ্ঠজন তৎকালীন এক রিপোর্টারকে। তিনি প্রথমে প্রার্থী হতে না চাইলেও পরে হন। নির্বাচন হলো। দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে আমি জয়ী হলাম। সেটি ১৯৯৯ সাল। এবার পেশাজীবী একটি সংগঠনের প্রধান। কবীর ভাই অফিস করে গিয়েছিলেন। সেগুনবাগিচার একটি ভবনের দোতলার ছোট দু’টি রুমে। এই ভবনটির মালিক আমাদের অগ্রজ সাংবাদিক গোলাম রসুল মল্লিক। তিনি ছিলেন তৎকালীন বেসরকারি বার্তা সংস্থা এনার মালিক-সম্পাদক।

প্রথম বৈঠকেই আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম একটি ক্যান্টিন করব। কারণ রিপোর্টার্স ইউনিটির বেশিরভাগ সদস্যই প্রেসক্লাবের সদস্য নন। যারা এসাইনমেন্ট করে বা ঘুরতে আসেন তাদের বসার এবং চা খাওয়ার কোন ব্যবস্থা নেই। তাই আমরা এ ভবনেরই আরো দুটি রুম ভাড়া নিলাম। তার মধ্যে একটিতে ক্যান্টিন করার সিদ্ধান্ত নিই। কিন্তু আমাদের হাতে কোন অর্থ ছিল না। আমাদের সেই কমিটিতে সহ-সভাপতি ছিলেন রাশেদ চৌধুরী (বর্তমানে ইটিভি’র হেড অব নিউজ)। সাধারণ সম্পাদক ছিলেন মহিদুল ইসলাম রাজু (বর্তমানে ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশনে)। নির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন শ্যামল দত্ত (বর্তমানে ভোরের কাগজ সম্পদক)। আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম ক্যান্টিন করতেই হবে। আর এজন্য কয়েকজন মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে তাদের সহযোগিতা নিব। কথামতো শুরু হলো কাজ। প্রথমেই আমরা যোগাযোগ করি তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের সঙ্গে। নাসিম সাহেবের সঙ্গে সাংবাদিকদের বেশ ভাল যোগাযোগ ছিল। আমার সাথেও ব্যক্তিগতভাবে ভাল সম্পর্ক ছিল। রাশেদ চৌধুরী, শ্যামল দত্ত ও রাজুসহ আরও কয়েকজন গেলাম সচিবালয়ে। নাসিম সাহেবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বললাম, আমাদের অফিস এবং ক্যান্টিনের জন্য কিছু জিনিসপত্র দরকার। আমাদের কথা শুনে তিনি ফোনে একজনের সাথে কথা বলেন। তিনি বললেন, সাংবাদিকদের একটি অফিসের জন্য চেয়ারটেবিল ইত্যাদি লাগবে। সম্ভব হলে ব্যবস্থা করে দেবেন। টেলিফোনে কথা শেষ করে মন্ত্রী বললেন, আপনারা এক্ষুনি যান। ব্যবস্থা করে দেবে। তিনি ইসলাম গ্র“পের তৎকালীন এক নির্বাহী পরিচালকের সাথে কথা বলেছেন। আমরা ওখান থেকেই সোজা মতিঝিল ইসলাম গ্র“পে চলে যাই। সেই নির্বাহী পরিচালক অপেক্ষা করছিলেন। আমরা যেতেই তিনি একজনকে ডেকে এনে বললেন, আমাদের যা যা প্রয়োজন তা যেন আজই কিনে দেন। তার সঙ্গে আমরা গেলাম স্টেডিয়ামে। সেখান থেকে প্রয়োজনমতো এসি, ফ্রিজ, টেবিল, চেয়ার, প্লেট, গ্লাস ইত্যাদি কিনলাম। এর বেশি আমাদের আর কোন কিছুর প্রয়োজন ছিল না। কিন্তু সঙ্গে আসা ইসলাম গ্র“পের সেই ভদ্রলোক বললেন, দেখেন আরও কিছু দরকার হলে বলুন। এখন না হলে পরেও জানাতে পারেন। আমরা তাকে ধন্যবাদ দিয়ে জিনিসপত্র নিয়ে এলাম রিপোর্টাস ইউনিটিতে। দু’দিন পর থেকেই দোতলার এখন যে-রুমটিতে অফিস সেটিতে চালু হলো ক্যান্টিন।

চলবে...

বইটি পড়তে হলে সপ্তাহের রবি, মঙ্গল, বৃহস্পতিবার চোখ রাখুন ‘বাংলাদেশ জার্নাল’ অনলাইনে।

বইটি প্রকাশ করেছে উৎস প্রকাশন

আজিজ সুপার মার্কেট (তৃতীয় তলা), ঢাকা।

বইটি সংগ্রহ করতে চাইলে ক্লিক করুন

আরএ

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত