ঢাকা, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে English

প্রকাশ : ২২ জুলাই ২০১৯, ১৩:০০

প্রিন্ট

বন্যাদুর্গতদের সাথে রিলিফের নামে প্রহসন হচ্ছে: গণফোরাম

বন্যাদুর্গতদের সাথে রিলিফের নামে প্রহসন হচ্ছে: গণফোরাম
নিজস্ব প্রতিবেদক

বন্যাদুর্গতদের সাথে রিলিফের নামে প্রহসন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে গণফোরাম। সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অধ্যাপক আবু সাঈদ এ অভিযোগ করেন।

‘বানবাসি মানুষের পাশে দাঁড়ান’ শীর্ষক জাতীয় প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে গণফোরাম।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আবু সাঈদ বলেন, কুড়িগ্রামে বিগত কয়েকদিন ধরে গণফোরামের প্রেসিডিয়াম সদস্য মেজর জেনারেল (অব.) আমসা আ আমিনের নেতৃত্বে রিলিফ টিম কাজ করছে। সেখানো বহু প্রত্যন্ত এলাকায় ত্রাণ পৌঁছেনি। খাবার নেই, ঔষুধ নেই এবং পানি নেই। এবার সাহায্য সংস্থার লোকজনও তেমন তৎপর না। অথচ বন্যার প্রকোপ এবার সবচেয়ে বেশী। আর কুড়িগ্রামে ৬১ শতাংশ মানুষ দারিদ্র সীমার নিচে বসবাস করে। বন্যাদুর্গত ১২ লাখ লোকের জন্য দেড় সপ্তাহে সরকার থেকে বরাদ্দ হয়েছে জন প্রতি মাত্র ১.১২ পয়সা, চাল ৬৬ গ্রাম এবং শুকনো খাকার ৩ হাজার প্যাকেট। এটি রিলিফের নামে প্রহসন।

তিনি বলেন, বন্যা ক্ষতিগ্রস্থদের জন্য বাজেটে ৭ হাজার ৯ শত ১৪ কোটি টাকা, এর সাথে দূর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বাজেট যোগ করলে দাঁড়ায় ১৭ হাজার ৭শত কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। এত টাকা বাজেট বরাদ্দ সত্ত্বেও বন্যার ক্ষতিগ্রস্থ মানুষদের চালচিত্রের তেমনটি পরিবর্তন হয়নি, হয়েছে গুটিকয় কর্মকর্তা, আমলা ও ঠিকাদারদের। যারা বাঁধ নির্মাণ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণের নামে জনগণের টাকা লুটপাট করছে।

আবু সাঈদ বলেন, আমরা বলতে চাই, বানভাসী মানুষের নিরাপদ জীবন ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা, সরকারি ত্রাণ তৎপরতা পর্যন্ত নয়-বেসরকারি উদ্যোগও প্রয়োজন, জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণপূর্বক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে রিলিফ কমিটি করে ত্রাণ তৎপরতা চালানো, নদীভাঙা চরাঞ্চলের বিপন্ন মানুষদের জন্য ত্বরিত গতিতে ত্রাণ তৎপরতা গ্রহণ, চিলমারী-রাজীবপুর ও রৌমারি এলাকাসহ অধিকতর বন্যা আক্রান্ত উপজেলাকে দুর্গত এলাকা ঘোষণা করতে হবে এবং বাংলাদেশ- ভারত,)-নেপাল-ভূটান এমনকি প্রয়োজনে চীনের সঙ্গে একত্রে কার্যকর আঞ্চলিক উদ্যোগে পানি সমস্যার সমাধান ও নদী ব্যবস্থাপনা ও পরিকল্পিত বন্যা নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত জরুরি।

সংবাদ সম্মেলনে গণফোরাম নেতা ড. কামাল হোসেন, সুব্রুত চৌধুরী, জগলুল হায়দায় আফ্রিক, মোহাম্মদ আজাদ হোসেন, লতিফু্রর বারি হামীম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

কেএস

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত