ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২০, ২৯ শ্রাবণ ১৪২৭ আপডেট : ১৯ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ০৫ জুলাই ২০২০, ১৮:২৮

প্রিন্ট

জুন মাসের বেতন পাচ্ছেন পাটকল শ্রমিকরা

জুন মাসের বেতন পাচ্ছেন পাটকল শ্রমিকরা
জার্নাল ডেস্ক

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী জুন মাসের বেতন পাচ্ছেন পাটকল শ্রমিকারা। গত শুক্রবার ‌বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছিলেন ‘মজুরি কমিশন-২০১৫’ অনুযায়ী পাটকল শ্রমিকদের জুন মাসের মজুরি আগামী সপ্তাহে তাদের ব্যাংক হিসাবে পরিশোধ করা হবে।

সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অওতাধীন বাংলাদেশ পাটকল কর্পোরেশন (বিজেএমসি) এর নিয়ন্ত্রণাধীন আলিম জুট মিল বাদে অন্যান্য পাটকলসমূহের শ্রমিকদের ‘জাতীয় মজুরি স্কেল,২০১৫’ অনুযায়ী জুন, ২০২০ এর চার সপ্তাহের বকেয়া মজুরি পরিশোধের নিমিত্ত ৫৮.০০ (আটান্ন) কোটি টাকার বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। রোববার অর্থমন্ত্রণালয় এ অর্থ বরাদ্দ দেয়। বরাদ্দকৃত এ অর্থ শ্রমিকদের নিজ নিজ অ্যাকাউন্টে চেকের মাধ্যমে দেয়া হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে জানানো হয়,‘অর্থ মন্ত্রণালয় 'পরিচালন ঋণ' বা 'অপারেশন লোন' হিসেবে এ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। বরাদ্দকৃত অর্থ ২০১৯-২০ অর্থবছরের বিজেএমসি’র মিলগুলোর জন্য বর্ণিত খাত ব্যতীত অন্য কোনো খাতে ব্যয় করা যাবে না। বিজেএমসি শ্রমিকদের প্রত্যেককে সুনির্দিষ্ট ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট পেয়ির (Account Payee Cheque) মাধ্যমে টাকা পরিশোষধ করতে হবে।

উল্লেখ্য, পাটকল শ্রমিকরা নোটিশ মেয়াদের অর্থাৎ জুলাই-আগস্টের ৬০ দিনের মজুরিও উভয় মাসে যথারীতি পরিশোধ করা হবে। পিএফ, গ্র্যাচুইটি ও গোল্ডেন হ্যান্ডশেক সুবিধাসহ অবশিষ্ট সকল পাওনার ৫০% স্ব স্ব ব্যাংক হিসাবে এবং বাকী ৫০% স্ব স্ব নামে সঞ্চয়পত্র আকারে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে পরিশোধ করা হবে। সব ক্ষেত্রেই মজুরি কমিশন-২০১৫ এর ভিত্তিতেই পাওনা হিসাব করা হবে।

২০১৪ সাল হতে অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিকদের (৮,৯৫৪ জন) প্রাপ্য সকল বকেয়া, বর্তমানে কর্মরত শ্রমিকদের (২৪,৮৮৬ জন) প্রাপ্য বকেয়া মজুরি, শ্রমিকদের পিএফ জমা, গ্র্যাচুইটি এবং সে সাথে গ্র্যাচুইটির সর্বোচ্চ ২৭% হারে অবসায়ন সুবিধা একসাথে শতভাগ পরিশোধ করা হবে। এজন্য সরকারি বাজেট হতে প্রায় ৫,০০০ কোটি টাকা প্রদান করা হবে। অবসায়নের পর মিলগুলি সরকারি নিয়ন্ত্রণে পিপিপি/যৌথ উদ্যোগ/জি টু জি/ লীজ মডেলে পরিচালনার উদ্যোগ নেয়া হবে। নতুন মডেলে পুনঃচালুকৃত মিলে অবসায়নকৃত বর্তমান শ্রমিকেরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজের সুযোগ পাবে। একই সাথে এসব মিলে নতুন কর্মসংস্থানেরও সৃষ্টি হবে। সকল শ্রমিককে অবশ্যই পুনর্বাসন করা হবে।

বাংলাদেশ জার্নাল/আরকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত