ঢাকা, বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৯, ১ কার্তিক ১৪২৬ আপডেট : ২ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৪:৪৮

প্রিন্ট

শীতের বার্তা নিয়ে হাজির ভোরের শিশির

শীতের বার্তা নিয়ে হাজির ভোরের শিশির
গাইবান্ধা প্রতিনিধি

ভোরের শিশির মুক্তার মতো আলো ছড়িয়ে জানান দিচ্ছে আসছে শীত। শিশির মাখা আশ্বিনের একরাশ সজীব স্বপ্ন নিয়ে প্রকৃতি এখন মানুষকে কাছে টানছে। কুয়াশা মাখা প্রকৃতি আর মাঠে মাঠে ফসলের সম্ভাবনার ঘ্রাণ, কৃষকের চোখে-মুখে আনন্দের রেখা। উৎসব আর আনন্দের মাঝে নিমগ্ন খেটে খাওয়া মানুষ। এমন সময় প্রকৃতি দুর করে দেয় শত কষ্টের গ্লানি। প্রকৃতির অপরুপ ছবিতে সাজানো মাকরসার জালে আটকা পরেছে সাহিত্য প্রেমিরা ।

ভোরবেলা মাঠে ময়দানে ঘুরে দেখা যায়, ভোরের সূর্য, হালকা লালচে রংয়ে দিচ্ছে ঝিলিক। সূর্যের কিরণে মুক্তা মালা চোখে পরে। কুয়াশার প্রতিটি কনা মুক্তার মতো জ্বলছে। গ্রীষ্ম আর শীতের মধ্যে হেমন্ত যেন অপরূপ এক সেতুবন্ধন। ভাদ্রের মাঝামাঝি সন্ধ্যে থেকে ভোর পর্যন্ত শীতল হাওয়া আর বিকালে ঝরতে থাকা ধুসর কুয়াশা জানাচ্ছে দুয়ারে শীত কড়া নাড়ছে। মাঠে প্রান্তরে ভোর বেলা শিশির মাখা ধানের ডলা জানান দিচ্ছে সম্ভাবনার বার্তা।

প্রবীণ নাট্রকার ও সাংবাদিক গোপাল মহন্ত জানান, গাইবান্ধাসহ উত্তরের জেলাগুলোতে ভাদ্রের মাঝা-মাঝিতে ভোর বেলা দুর্বা ঘাসে শিশির দেখা যায়। কয়েকদিন থেকে ভোরে বৈদ্যুতিক ফ্যানের প্রয়োজন হচ্ছে না তাই শীত শিরশির করে দরজায় করা নাড়ছে।

লেখক ও সাংবাদিক গোবিন্দ লাল দাস জানান, প্রকৃতি জানান দিচ্ছে শীতের আগমনীর বার্তা। শীত মানেই উৎসব। যেন পিঠা আর জামাই মেলা নিয়ে আসে শীতকাল। আবহাওয়া আর জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে এখন শীত ভাদ্রের মাঝেই উপলব্ধি করা যাচ্ছে। ভোর রাতে কাঁথা-কম্বল গায়ে দিতে হয়। তাই বোঝা যায় শীত বেশি দূরে নেই।

আবহাওয়ার বিষয়ে বগুড়া আঞ্চলিক আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহ মোহাম্মদ সজিব হোসাইন জানান, কুয়াশা পরিমাপক যন্ত্র গত ১০ সেপ্টেম্বর থেকে নিদ্দিষ্ট স্থানে বসানো/চালু করা হয়েছে। গত কয়েক দিন থেকে ভোর বেলা হালকা কুয়াশা দেখা যাচ্ছে। আশ্বিন মাসের দিন যতো যাচ্ছে শীতের আগমনী উপলব্ধি হচ্ছে। শীতের তীব্রতা কম বা বেশি হওয়ার বিষয়টি আরো মাস খানেক পরে নির্ণয় করা যাবে।

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত