ঢাকা, রবিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮, ২ পৌষ ১৪২৫ অাপডেট : ৪৫ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ২৩ নভেম্বর ২০১৮, ১২:১৭

প্রিন্ট

ওঠানামায় সবজির বাজার

ওঠানামায় সবজির বাজার
জার্নাল ডেস্ক

রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে সবজির দাম ওঠানামা করছে। সবজির বাজারে কোনটার দাম কিছুটা কমেছে, আবার কোনটার কিছুটা বেড়েছে গত সপ্তাহের তুলনায়। তবে স্থিতিশীল রয়েছে মাছ-মাংসের দাম।

শুক্রবার রাজধানীর মিরপুর-১, ১০, শেওড়াপাড়া, আগারগাঁও, বউবাজার এলাকা ঘুরে জানা গেছে এ তথ্য। বাজারে চলতি মাসের শুরু থেকেই দাম স্থিতিশীল ছিল। এ সপ্তাহে এসে দামের ওঠানামা লক্ষ করা গেছে।

সবজির পাইকারি ব্যবসায়ীদের মতে, বাজারে সবজির চালান ভালো। শীতের সবজির বাজার ভরপুর থাকায় দাম আরো কমতে পারে। তবে হাতেগোনা কয়েকটি সবজির চালান কম থাকায় সেগুলোর দাম বেড়েছে।

শুক্রবার বাজারগুলোতে দেখা যায়, প্রতি কেজি কাঁচা টমেটোর দাম কমেছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, গাজরের দাম কমেছে ১০ টাকা, ১০ টাকা বেড়েছে ঢেঁড়সে, ১০ থেকে ১৫ টাকা দাম কমেছে মূলায়, ২০ টাকা পর্যন্ত কমেছে বেগুনে, করলায় দাম বেড়েছে ২০ টাকা।

বাজারে প্রতি কেজি টমেটো ৮০ টাকা, কাঁচা টমেটো ৩০ থেকে ৪০ টাকা, শিম ৪০ টাকা, শসা ৪০ টাকা ও কাঁচা মরিচ ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি কেজি গাজর ৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৫০, মূলা ২৫ থেকে ৩০ টাকা, বেগুন ৩০ টাকা, কচুর লতি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ঝিঙা ৪০ টাকা, করলা ৫০ টাকা, কাকরোল ৩৫ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। আবার লাউয়ের দাম কমেছে ১০ টাকা।

প্রতি পিস বাঁধাকপি ও ফুলকপি ২৫ থেকে ৩০ টাকায়, লাউ ৩০ থেকে ৪০ টাকায় এবং জালি কুমড়া ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি আঁটি কলমি শাক, লাল শাক ৬ থেকে ১০ টাকা, লাউ শাক ২০ থেকে ২৫ টাকায়, পালং শাক, পুঁই শাক ১০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

এদিকে প্রতি কেজি সিরাজ মিনিকেট ও মিনিকেট চাল ৫৭ থেকে ৫৫ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। স্বর্ণ চাল ৩৮, মোটা চাল ৩৫, সাকি-২৮ ৪৪, আমিন-২৮ ৪০ প্রতি কেজি মসুর ডাল (দেশি) ১০০ টাকা, মসুর ডাল মোটা ৭০ টাকায়, মুগ ডাল ১২০ টাকায়, ভোজ্যতেল প্রতি লিটার খোলা ৯০ টাকায় ও বোতলজাত ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

আবার চওড়া দামে বিক্রি হচ্ছে বাজারে আসা মৌসুমের নতুন আলু। কেজি প্রতি ৮০ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। আদার দাম আবার ৪০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। রসুনের দাম ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে গত সপ্তাহের তুলনায়। বর্তমানে প্রতি কেজি আদা ১৪০ টাকায়, রসুন ভারতীয় প্রতি কেজি ৫০ টাকায় ও দেশি রসুন ৪০ টাকা, পেঁয়াজ (দেশি) ৪০ টাকা, ভারতীয় ৩০ টাকা এবং পুরানো আলু ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে সবজির বাজারে ওঠানামা থাকলেও মাছ-মাংসের বাজার স্থিতিশীল রয়েছে। কিন্তু অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে ক্রেতা বুঝে দাম হাকিয়ে দিচ্ছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা। বিশেষ করে মাছের বাজারে। বাজারভেদে কোথাও কোথাও মাছে ১০ থেকে ২০ টাকা কেজি প্রতি দাম বাড়তে দেখা গেছে।

তবে মাছ ব্যবসায়ীদের মতে, মাছের দাম সবচেয়ে বেশি ওঠানামা করে। কিন্তু এ মাসের শুরু থেকে দাম একই। বাজারে ক্রেতাদের এখন সম্পূর্ণ নজর সবজির দিকে। যে কারণে অনেক ব্যবসায়ী কম দামে মাছ বিক্রি করছে।

বাজারে প্রতি ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের জোড়া ১৪০০ থেকে ১৫০০ টাকা, ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের হালি ১০০০ থেকে ১১৫০ টাকা, ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ প্রতি জোড়া ৭০০ থেকে ৯০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে মাছের আকারভেদে প্রতি কেজি ট্যাংরা মাছ ৩৫০ থেকে ৫৫০ টাকা, শিং ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা, পাবদা ৩০০ থেকে ৬০০ টাকা, চিংড়ি ৫০০ থেকে ৯০০ টাকা, পাঙ্গাস ১২০ থেকে ১৪০ টাকা, কৈ ১৬০ থেকে ২০০ টাকা, তেলাপিয়া ১২০ থেকে ১৬০ টাকা, কাচকি ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা, মলা ২৭০ টাকা থেকে ৩৫০ টাকা, নলা ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা, রুই ১৮০ থেকে ২৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

আর প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকা, লেয়ার মুরগি ২৩০ থেকে ২৫০ টাকায়, গরুর মাংস ৪৮০ থেকে ৫০০ টাকায়, খাসির মাংস ৭৫০ থেকে ৭৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাংলাদেশ জার্নাল/এনএইচ

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত
close
close
close