ঢাকা, রোববার, ১১ এপ্রিল ২০২১, ২৮ চৈত্র ১৪২৭ আপডেট : ৪ মিনিট আগে

প্রকাশ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৭:৪২

প্রিন্ট

যে শিক্ষকের এমপিও স্থগিত হচ্ছে

যে শিক্ষকের এমপিও স্থগিত হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

বরগুনা সদর উপজেলার পূর্বহাজারবিঘা বটতলা সিনিয়র মাদ্রাসায় উপাধ্যক্ষ নিয়োগে জালিয়াতি করে ডিজির প্রতিনিধির নাম পরিবর্তন করার অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ মো. আব্দুস সালামের এমপিও স্থাগিত করা হচ্ছে। একইসঙ্গে তাকে শোকজও করা হয়েছে।

জানা গেছে, এমপিও আবেদনের কাগজপত্র যাচাই করে উপাধ্যক্ষ নিয়োগের এ জালিয়াতি ধরা ফেলেন মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

সূত্র জানায়, ২০২০ খ্রিষ্টাব্দের শেষ দিকে পূর্বহাজারবিঘা বটতলা সিনিয়র মাদ্রাসায় উপাধ্যক্ষ নিয়োগে ডিজির প্রতিনিধি চেয়ে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে অনলাইনে আবেদন করে অধ্যক্ষ মো. আব্দুস সালাম। পরে ২০ ডিসেম্বর ঢাকার সরকারি মাদ্রাসা ই আলিয়াার সহকারী অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম খানকে এ নিয়োগের ডিজির প্রতিনিধি হিসেবে মনোনয়ন দিয়ে আদেশ জারি করে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। পরে জালিয়াতি করে নিয়োগ পাওয়া উপাধ্যক্ষকে এমপিওভুক্ত করতে অনলাইনে আবেদন করা হয়।

সূত্র আরও জানায়, এমপিও আবেদন যাচাইয়ে এ জালিয়াতি ধরা পড়েছে। এমপিওভুক্তির কাগজ পত্রে দেখা গেছে জালিয়াতি করে উপাধ্যক্ষ নিয়োগ করতে ডিজির প্রতিনিধি পরিবর্তন করা হয়েছে। নিয়োগের কাগজে দেখা গেছে ডিজি প্রতিনিধি দেখানো হয়েছে বরগুনা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুস সালামকে। কিন্তু মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের নথীতে দেখা গেছে ডিজির প্রতিনিধি হিসেবে আসলে মনোনয়ন পেয়েছিলেন ঢাকার সরকারি মাদরাসা ই আলিয়াার সহকারী অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম খান।

মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের দাখিল করা কাগজ পত্রে ডিজির প্রতিনিধির নাম ও তারিখ প্রতিস্থাপন করে জালিয়াতি করে নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলে কাগজ পর্যালোচনা করে নিশ্চিত হয়েছেন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, মাদ্রাসায় ডিজির প্রতিনিধি নিয়োগে সরকারি কলেজের শিক্ষকদের ডিজির প্রতিনিধি মনোনয়ন দেয়া হয়না। এ নিয়োগে বরগুনা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষকে ডিজির প্রতিনিধি দেখানো হয়েছে। যা মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে জারি করা চিঠি না। এতে সুস্পষ্টভাবে বোঝা যায় জালিয়াতি করে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

কর্মকর্তারা বলছেন, জালিয়াতি করে উপাধ্যক্ষ নিয়োগ দেয়ায় মাদ্রাসার অধ্যক্ষ অধ্যক্ষ মো. আব্দুস সালামের এমপিও স্থাগিত করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। প্রচলিত নিয়ম অনুসারে তাকে শোকজ করা হয়েছে। শোকজে কেন অধ্যক্ষসহ নিয়োগ সংশ্লিষ্টদের এমপিও স্থগিত করা হবে না এবং সভাপতির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে না তা জানতে চাওয়া হয়েছে। আগামী ৮ মার্চের মধ্যে শোকজের জবাব দিতে বলা হয়েছে অধ্যক্ষকে।

বাংলাদেশ জার্নাল/কেআই

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত