ঢাকা, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ আপডেট : ৪ মিনিট আগে
শিরোনাম

কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী সৈয়দ আব্দুল হাদীর ৮৬তম জন্মদিন আজ

  বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ : ০১ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৪

কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী সৈয়দ আব্দুল হাদীর ৮৬তম জন্মদিন আজ
ছবি: সংগৃহীত

আজ ১ জুলাই কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী সৈয়দ আব্দুল হাদীর ৮৬তম জন্মদিন। এই বিশেষ দিনটি উপলক্ষে চ্যানেল আই দিনভর বিভিন্ন বিশেষ অনুষ্ঠান ও প্রামাণ্যচিত্র প্রচারের আয়োজন করেছে। পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও একুশে পদক বিজয়ী এই শিল্পীকে শুভেচ্ছায় সিক্ত করছেন ভক্তরা।

যাদের সুরেলা কণ্ঠে সমৃদ্ধ হয়েছে বাংলা গান, যারা সংস্কৃতির পথ চিনিয়েছেন একাধিক প্রজন্মকে, তাদেরই একজন সৈয়দ আব্দুল হাদী। কিংবদন্তি এই সংগীতশিল্পীর জন্মদিন আজ। ১৯৪০ সালের ১ জুলাই জন্মগ্রহণ করা এই গুণী শিল্পী আজ তাঁর ৮৬তম জন্মদিনে পা দিলেন। বিশেষ এই দিনে ভক্ত, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সতীর্থদের ভালোবাসায় সিক্ত হচ্ছেন তিনি।

জন্মদিন উপলক্ষে আজ বুধবার (১ জুলাই) দিনভর বিশেষ আয়োজন রেখেছে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আই। সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে প্রচারিত হয়েছে তাঁর গাওয়া কালজয়ী ১২টি গান নিয়ে বিশেষ অনুষ্ঠান ‘গান আছে এখানে’। শাইখ সিরাজের পরিকল্পনায় ও লুইপার উপস্থাপনায় এই অনুষ্ঠানে গানগুলো নতুন করে গেয়েছেন ইমরান, সাব্বির, অপু আনাম ও আতিক। এছাড়া দুপুর ১২টা ০৫ মিনিটে বিশেষ ‘তারকা কথন’ অনুষ্ঠানে হাজির থাকবেন স্বয়ং সৈয়দ আব্দুল হাদী। তাঁর সঙ্গে আরও যোগ দেবেন গীতিকার রফিকুজ্জমান, শিল্পী মো. খুরশীদ আলম এবং আবিদা সুলতানা। বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে প্রচারিত হবে শাইখ সিরাজ নির্মিত বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র ‘গল্প আছে এখানে…’, যেখানে শিল্পী তাঁর শৈশব, সংগীত জীবনের শুরু ও আগামী প্রজন্মের প্রতি তাঁর প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেছেন।

সৈয়দ আব্দুল হাদীর বাবা ছিলেন ইস্ট পাকিস্তান সিভিল সার্ভিস অফিসার এবং একজন বড় সংগীতানুরাগী। বাবার গ্রামোফোনে গান শুনেই শৈশবে সংগীতের প্রতি অনুরাগী হন তিনি। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শেষ করলেও ছাত্রজীবন থেকেই চলচ্চিত্রে গান গাওয়া শুরু করেন। ১৯৬৪ সালে ‘ডাকবাবু’ সিনেমায় পূর্ণাঙ্গ প্লেব্যাকের পর তিনি হয়ে ওঠেন বাংলা চলচ্চিত্রের অদ্বিতীয় কণ্ঠস্বর। তাঁর গাওয়া ‘আছেন আমার মোক্তার’, ‘সূর্যোদয়ে তুমি সূর্যাস্তেও তুমি’, ‘একবার যদি কেউ ভালোবাসতো’, ‘এই পৃথিবীর পান্থশালায়’ এবং ‘এমনও তো প্রেম হয়’-এর মতো গানগুলো আজও মানুষের মুখে মুখে ফেরে। সংগীতে অনন্য অবদানের জন্য তিনি পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং ২০০০ সালে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘একুশে পদক’-এ ভূষিত হন।

বাংলাদেশ জার্নাল/এসআইপি

  • সর্বশেষ
  • পঠিত