ঢাকা, মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১, ৮ আষাঢ় ১৪২৮ আপডেট : কিছুক্ষণ আগে

প্রকাশ : ১৪ মে ২০২১, ১৪:১৬

প্রিন্ট

ঈদের পর শহরমুখী জনস্রোত উদ্বেগের কারণ হতে পারে

ঈদের পর শহরমুখী জনস্রোত উদ্বেগের কারণ হতে পারে
ওবায়দুল কাদের

জার্নাল ডেস্ক

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ঈদে গ্রামমুখী মানুষের বাধভাঙা জনস্রোত দেখে বিশেষজ্ঞেরা করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যুর হারে নতুন ধাক্কা লাগার আশঙ্কা করছেন। ঈদ-পরবর্তী শহরমুখী জনস্রোত উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

শুক্রবার রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় সরকারি বাসভবন থেকে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী।

কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শকে উপেক্ষা করার মাশুল গুণতে হতে পারে। জনসমাগম এড়িয়ে চলতে হবে, স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে এবং শতভাগ মাস্ক পরতেই হবে।

তিনি বলেন, করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে শারীরিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হোক পবিত্র ঈদুল ফিতর। আমাদের মধ্যে গড়ে উঠুক মহামারি করোনাসহ সব সংকট জয়ের সুসংহত বন্ধন ও পারস্পারিক ভ্রাতৃত্ববোধ।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অতীতে বাংলাদেশ যেভাবে সংকট পেরিয়ে আশার সুবর্ণ প্রদীপ জ্বালিয়েছে ঠিক একইভাবে করোনা সংকট জয় করে আবারও নব উদ্যমে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ। মনের গহীনের আলো জ্বেলে অমানিশার আঁধার দূর করি এবং সহমর্মিতার সহজাত বাঙালি চেতনায় জাগিয়ে তুলি নিজেকে, সমাজকে এবং দেশকে।

চলমান করোনা সংকটে সবাইকে সাহস ও মনোবল নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে কাদের বলেন, এবারের ঈদ, শেষ ঈদ নয়, অপেক্ষা করি পরবর্তী সকালের, বর্ণময় ঈদের।

‌‘এই দুঃসময়ে বিশেষ করে করোনাযুদ্ধে যাঁরা সম্মুখ সারিতে থেকে যুদ্ধ করছেন, পরিবারের সদস্যদের দূরে রেখে সেবাকে করেছেন ব্রত, সেসব ত্যাগী সম্মুখসারির যোদ্ধাদের আন্তরিক অভিনন্দন ও ঈদ মোবারক।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, কারোনা কাউকেই ছাড় দেয় না, তাই আসুন দলমত নির্বিশেষে এ করোনা সংকট উত্তরণে ঐক্যবদ্ধ হই এবং সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করি। স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনের মাধ্যমে দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে সবাই মিলে অভিন্ন শত্রু করোনাকে প্রতিরোধ করতে হবে।

বাংলাদেশ জার্নাল/আরএ

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত