ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ আপডেট : ৮ মিনিট আগে
শিরোনাম

প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবায়নযোগ্য নয়: জাতীয় পার্টি

  জার্নাল ডেস্ক

প্রকাশ : ১১ জুন ২০২৬, ১৭:৩৭  
আপডেট :
 ১১ জুন ২০২৬, ১৮:১৮

প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবায়নযোগ্য নয়: জাতীয় পার্টি
ছবি: সংগৃহীত

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী যে বাজেট উপস্থাপন করেছেন তা বাস্তবায়নযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী।

আর বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন বলেছেন, লুটেরা ধনিক শ্রেণির স্বার্থের এই বাজেট ‘বাস্তবায়ন করা কঠিন’।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকালে জাতীয় সংসদে নতুন অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, “এই বাজেট বাস্তবায়নযোগ্য না, বাজেটে যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, সেটা কখনোই অর্জন হবে না। ফলে সরকার ডেভেলপমেন্ট বাজেট এডিপি থেকে ঋণ করে করবে, বেতন, সরকারি রেভিনিউ বাজেটও দেখা যাবে লোনের ভিত্তিতে হবে।

“এটা অর্থনীতিতে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে; পাশাপাশি যদি বেতন বাড়ানো হয়, পে-স্কেল ইমপ্লিমেন্ট হয়, বেসরকারি খাতকে কিন্তু চাপে ফেলবে। প্রচণ্ড মুদ্রা স্মৃতি হওয়ার সম্ভাবনা আমরা দেখতে পাচ্ছি। মুদ্রা স্মৃতি নিয়ন্ত্রণের কোনো নির্দেশনা বাজেটে নাই। কর্মসংস্থান সৃষ্টির সঠিক নির্দেশনা নাই।”

তিনি বলেন, “চর এলাকার মানুষদের জন্য যাদেরকে আমরা চর ফাউন্ডেশন করা উচিত বা চর এলাকার যে ভাগ্য উন্নয়ন সেটার জন্য এখানে কোনো নির্দেশ নাই, বরাদ্দ কম দেওয়া হয়েছে। আরো অনেক বেশি বরাদ্দ দেওয়া উচিত।”

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন বলেন, “এত বড় বাজেট আমাদের দেশের জন্য প্রযোজ্য না। এর মধ্যে প্রায় আড়াইল লক্ষ কোটি টাকা ঘাটতি বাজেট দেখানো হচ্ছে। এই টাকাটা তো আমাদের সাধারণ মানুষের উপর থেকে কর নিয়ে সেটা করা হবে।

“যদিও বাজেটে বলা হয়েছে যে, নিত্যপণ্যে দাম কমবে; কিন্তু বাংলাদেশের দাম তো কখনো কমে না এবং ওই ঘোরাফেরা আমদানিকারক ব্যবসায়ী, তাদেরকে সুবিধা আবার দেওয়া হয়েছে।

চন্দন বলেন, “এই বাজেটে আমাদের শ্রমিকের মজুরি, ন্যূনতম মজুরি কত হবে? তারপরে কৃষকের এই যে সমবায় কিংবা এই যে কোল্ড স্টোরেজ কিংবা হিমাগার কিংবা ধানের দাম কীভাবে নির্ধারণ হবে, এই বিষয়গুলো তো সুস্পষ্ট হয় নাই। এই বাজেটে। আমাদের কর্মসংস্থানের কোনো চিন্তাভাবনা তো এভাবে নাই।”

তিনি বলেন, “কোটি কোটি বেকার, সেই বেকারত্ব কীভাবে দূর হবে, সেই কথা তো বাজেটে উল্লিখিত হয় নাই। সার্বিকভাবে ঘুরে ফিরে অতীতে সরকারগুলো যে ধরনের বাজেট তৈরি করছে।

“ধনিক শ্রেণির স্বার্থে, লুটেরা ধনিক শ্রেণির স্বার্থে এবারও বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। মূল কথা হচ্ছে, এটা বাস্তবায়ন করা কঠিন।

  • সর্বশেষ
  • পঠিত