হোয়াইটওয়াশ এড়াতে বাংলাদেশের সামনে ২০০ রানের লক্ষ্য
ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশ : ১১ জুলাই ২০২৬, ১৭:৪০

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লড়াইয়ে শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রিত বোলিং করে সফরকারীরা।
প্রথম আঘাত হানেন শরিফুল ইসলাম। আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান বেন কারানকে ষষ্ঠ ওভারে বোল্ড করে উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন তিনি। ১৩ বলে ২ রান করে ফেরেন কারান।
এরপরই দ্বিতীয় সাফল্য এনে দেন তাসকিন আহমেদ। অফ স্টাম্পের বাইরের বলে উইকেটরক্ষক নুরুল হাসানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ব্রায়ান বেনেট। তিনি ১৯ বলে ৬ রান করেন।
চাপ বাড়িয়ে দেন শরিফুল। ক্রেইগ আরভিনকে কট বিহাইন্ড করিয়ে নিজের দ্বিতীয় উইকেট তুলে নেন এই বাঁহাতি পেসার। ২০ বলে ৫ রান করেন আরভিন। ১৪ ওভারে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩ উইকেটে ২৮ রান।
এরপর ইনোসেন্ট কাইয়া ও ওয়েসলি মাধেভেরে ৫১ রানের জুটি গড়ে ইনিংস সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে ২৭তম ওভারে আক্রমণে ফিরে প্রথম বলেই কাইয়াকে ফিরিয়ে সেই জুটি ভেঙে দেন তাসকিন। কাইয়া ৬৭ বলে ২৫ রান করেন।
মাধেভেরে ও ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক সিকান্দার রাজা এরপর ধীরে ধীরে দলকে একশ রানের গণ্ডি পার করান। ৩১ ওভারে গিয়ে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ তিন অঙ্ক স্পর্শ করে।
তবে ৩৪তম ওভারে তানভীর ইসলামের বলে পুল করতে গিয়ে শর্ট ফাইন লেগে সাইফউদ্দিনের হাতে ক্যাচ দেন সিকান্দার রাজা। তিনি ২৫ বলে ১১ রান করেন। পরের ওভারেই শরিফুল ইসলাম ফিরিয়ে দেন ক্লাইভ মাদানদেকে। ৫ বলে ১ রান করেন তিনি। এতে ৩৪ ওভারে ৬ উইকেটে ১১২ রান করে জিম্বাবুয়ে।
একপ্রান্ত আগলে রেখে ওয়েসলি মাধেভেরে ৭৪ বলে ৭৫ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন। তাঁর ইনিংস জিম্বাবুয়ের রানচাকা সচল রাখে।
শেষদিকে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন ব্র্যাড ইভান্স। আগের ম্যাচের মতো এবারও শেষ দিকে দ্রুত রান তোলেন তিনি। ৪১ বলে নিজের অর্ধশতক পূর্ণ করেন এবং শেষ পর্যন্ত ৪৩ বলে ৫০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। তাঁর ব্যাটে ভর করেই জিম্বাবুয়ে ৫০ ওভারে ১৯৯ রান সংগ্রহ করে।
বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন শরিফুল ইসলাম। ১০ ওভারে ৪৪ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন তিনি। তাসকিন আহমেদ নেন ২ উইকেট এবং তানভীর ইসলাম শিকার করেন ১ উইকেট।
জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য ২০০ রান।
বাংলাদেশ জার্নাল/এনএম










