ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল ২০২১, ৯ বৈশাখ ১৪২৮ আপডেট : কিছুক্ষণ আগে

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৫:২৮

প্রিন্ট

লালদিয়া চরের উচ্ছেদ অভিযান স্থগিত

লালদিয়া চরের উচ্ছেদ অভিযান স্থগিত
ছবি- নিজস্ব

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের লালদিয়া চরে নির্ধারিত সময়ের উচ্ছেদ অভিযান স্থগিত করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার উচ্ছেদ অভিযান চালানোর কথা থাকলেও পুলিশের অনুরোধে স্থগিত করা হয়েছে। তবে মার্চের শুরু দিক থেকে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (চবক) সহকারী ভূমি ব্যবস্থাপক শিহাব উদ্দীন বলেন, বৃহস্পতিবার লালদিয়া চরে উচ্ছেদ অভিযান আমরা স্থগিত করেছি। পুলিশের অনুরোধে নির্ধারিত সময়ে এ উচ্ছেদ অভিযান স্থগিত করা হয়েছে। এখন আমরা সবার সাথে আলাপ-আলোচনা করে পহেলা মার্চের দিকে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার করার কথা ভাবছি।

উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু করার প্রতিবাদে বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সড়কে মানববন্ধন করেছে লালদিয়ার চরের লোকজন। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ উচ্ছেদ অভিযানের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না করলে কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয় মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে।

সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চট্টগ্রামের পতেঙ্গা থানার লালদিয়ার চর এলাকায় বিমানবন্দর সড়কে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।

এ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সকাল ৯টা থেকে সেখানে ৫০ জনের অধিক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। তবে পুলিশ জানিয়েছে, পরিস্থিতি শান্ত ছিল। শান্তিপূর্ণভাবেই কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

উল্লেখ, গত বছরের ৮ ডিসেম্বর ‘জরিপ অনুযায়ী’ চট্টগ্রাম বন্দর এলাকার লালদিয়ার চরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে আদালতের নির্দেশনা দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। চট্টগ্রামের পুলিশ কমিশনার, জেলা প্রশাসক, র‌্যাব কমান্ডার, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান ও সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকসহ সব বিবাদীদের রায় বাস্তবায়নে পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশনার পাশাপাশি সেবা সংস্থাগুলোকেও (ওয়াসা, বিদ্যুৎ এবং গ্যাস কর্তৃপক্ষ) এ সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন আদালত।

এরপর চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, হাইকোর্টের আদেশ অনুসারে সহসাই অবৈধ দখলদারদের বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে উচ্ছেদ করা হবে। বিজ্ঞপ্তিতে সব অবৈধ দখলদারদের অবিলম্বে ওই জায়গা ছেড়ে দেয়ার অনুরোধ করা হয়।

২০১০ সালের ১৮ জুলাই হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে জনস্বার্থে করা এক রিট আবেদনে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ কর্ণফুলী নদী দখল, মাটি ভরাট ও নদীতে সব ধরনের স্থাপনা নির্মাণ বন্ধের নির্দেশ দেন।

বাংলাদেশ জার্নাল/এসকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত