ঢাকা, সোমবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২১, ৪ মাঘ ১৪২৭ আপডেট : ২ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১৩ জানুয়ারি ২০২১, ১৯:৫৫

প্রিন্ট

দিহান মাদক ও যৌনবর্ধক খেয়েছিলেন কি না, পরীক্ষার নির্দেশ

দিহান মাদক ও যৌনবর্ধক খেয়েছিলেন কি না, পরীক্ষার নির্দেশ
ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর মাস্টারমাইন্ড স্কুলের ‘ও’ লেভেলের শিক্ষার্থী আনুশকা নূর আমিনকে ধর্ষণের সময় আসামি ফারদিন ইফতেফার দিহান যৌনশক্তি বর্ধক কোনো ওষুধ ও মাদক সেবন করেছেন কি-না তা পরীক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার ঢাকা মহানগর হাকিম বেগম ইয়াসমিন আরার আদালতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কলাবাগান থানার পুলিশ পরিদর্শক আ ফ ম আসাদুজ্জামান পরীক্ষার অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন। পরে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করে এ নির্দেশ দেন।

আবেদনে বলা হয়, কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকা আসামি ফারদিন ইফতেফার দিহান ধর্ষণকালে কোনো মাদক সেবন করেছিলেন কি-না তা জানার জন্য তার ডোপ টেস্ট করা প্রয়োজন। এছাড়া তিনি ধর্ষণকালে কোনো যৌনশক্তি বর্ধক ওষুধ সেবন করেছিলেন কি-না এবং সেবন করলে কোনো ধরনের ওষুধ সেবন করেছিলেন তা দিহানের রক্ত থেকে নমুনা সংগ্রহপূর্বক পরীক্ষা করে বিশেষজ্ঞদের মতামত প্রয়োজন। আদালত সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত ৭ জানুয়ারি রাতে এ ঘটনায় কলাবাগান থানায় ওই শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ফারদিন ইফতেখার দিহান বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে বাদীর মেয়ে স্কুলছাত্রীকে প্রেমে প্রলুব্ধ করে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর ৬৩/৪, লেক সার্কাস ডলফিন গলি, পান্থপথ, কলাবাগানের ফাঁকা বাসায় মেয়েটিকে নিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের সময় প্রচুর রক্তক্ষরণে মেয়েটি অচেতন হয়ে পড়ে। তখন বিবাদী দিহান ধর্ষণের বিষয়টি ভিন্ন খাতে প্রভাবিত করার জন্য মেয়েটিকে নিয়ে বেসরকারি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যায়।

খবর পেয়ে মেয়েটির তিন বন্ধু হাসপাতালে গেলে পুলিশ তাদেরও আটক করে। পরে দিহানসহ চার জনকে কলাবাগান থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পুলিশ পরে স্কুলছাত্রীর লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

এর আগে গত ৮ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর হাকিম মামুনুর রশীদের আদালতে দিহান দায় স্বীকার করে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এছাড়া ওই দিনই নিহত ছাত্রীর ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়।

ময়নাতদন্ত শেষে ডা. সোহেল মাহমুদ বলেন, ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। ধর্ষণের ফলে যৌন ও পায়ুপথে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণেই তার মৃত্যু হয়েছে।

আরো পড়ুন: আমার মেয়ের চরিত্র হননের চেষ্টা করছে: আনুশকার মা

এফজেড/এনএইচ

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত