ঢাকা, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ আপডেট : ২ ঘন্টা আগে
শিরোনাম

জর্ডানে ইরানি হামলায় নিহত দুই মার্কিন সেনা, নিখোঁজ এক

  সিএনএন

প্রকাশ : ১৯ জুলাই ২০২৬, ০৮:১৮  
আপডেট :
 ১৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:২০

জর্ডানে ইরানি হামলায় নিহত দুই মার্কিন সেনা, নিখোঁজ এক
ছবি: সংগৃহীত

জর্ডানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের দুই সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন। একজন নিখোঁজ রয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড শনিবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

গত মার্চের পর ইরান–যুক্তরাষ্ট্রের চলমান উত্তেজনার মধ্যে এই প্রথম কোনো মার্কিন সেনা কর্মকর্তার মৃত্যুর ঘটনা ঘটল।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে সেন্টকম জানায়, ১৭ জুলাই জর্ডানে ইরান ও তার মিত্রবাহিনীর ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলা প্রতিহত করার সময় দুই মার্কিন সেনাসদস্য নিহত হন। এ ঘটনায় আরও একজন সেনাসদস্য নিখোঁজ রয়েছেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, হামলায় আহত অন্য চার মার্কিন সেনাসদস্যকে জর্ডানের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সামান্য আঘাত পাওয়া অন্য কয়েকজন সেনাসদস্যকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তারা ইতোমধ্যে নিজেদের দায়িত্বে ফিরে গেছেন।

নিহত সেনাসদস্যদের পরিচয় এখনই প্রকাশ করেনি সেন্টকম। নিয়ম অনুযায়ী, নিহত সেনাসদস্যদের পরিবারকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানোর ২৪ ঘণ্টা পর তাদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার ইরানের সেনাবাহিনী জানায়, তারা জর্ডানের আজরাক বিমানঘাঁটিতে মার্কিন সামরিক যোগাযোগব্যবস্থা এবং জ্বালানি সংরক্ষণাগার লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। তবে ওই হামলার বিষয়ে তখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর কিংবা সেন্টকম কোনো মন্তব্য করেনি।

এদিকে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী সতর্ক করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসন অব্যাহত থাকলে তারা আরও বিস্তৃতভাবে জবাব দেবে। একই সময়ে ইরানের সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তারা ভারত মহাসাগরে একটি মার্কিন জাহাজে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।

ইরানের দাবি, গত ৭ এপ্রিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একতরফাভাবে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র একাধিকবার দেশটির ভূখণ্ডে হামলা চালিয়েছে। তেহরানের ভাষ্য অনুযায়ী, এটি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক যৌথ আগ্রাসনের অংশ।

ইরান আরও বলেছে, গত মাসে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলেও এসব হামলা বন্ধ হয়নি। ওই সমঝোতার প্রথম শর্ত ছিল সব ধরনের সামরিক আগ্রাসন বন্ধ রাখা।

বাংলাদেশ জার্নাল/এনএম

  • সর্বশেষ
  • পঠিত